ব্যাসার্ধ (চিত্রসহ সংজ্ঞা দিন)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ব্যাসার্ধ : বৃত্তের কেন্দ্র থেকে বৃত্তের কোনো বিন্দুর দূরত্বকে ঐ বৃত্তের ব্যাসার্ধ বলে।

ব্যাসার্ধ = × ব্যাস

Tamanna
Tamanna
2 years ago
189

পাশের চিত্রে, AB এমন একটি জ্যা, যা বৃত্তের কেন্দ্র O দিয়ে গেছে। এরূপ ক্ষেত্রে আমরা বলি, জ্যাটি বৃত্তের একটি ব্যাস। ব্যাসের দৈর্ঘ্যকেও ব্যাস বলা হয়। AB ব্যাসটি দ্বারা সৃষ্ট চাপ দুইটি সমান; এরা প্রত্যেকে একটি অর্ধবৃত্ত। বৃত্তের কেন্দ্রগামী যেকোনো জ্যা, বৃত্তের একটি ব্যাস। ব্যাস বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা। বৃত্তের প্রত্যেক ব্যাস বৃত্তকে দুইটি অর্ধবৃত্তে বিভক্ত করে। ব্যাসের অর্ধেক দৈর্ঘ্যকে ব্যাসার্ধ বলে। ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ।

বৃত্তের সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্যকে পরিধি বলে। অর্থাৎ বৃত্তস্থিত যেকোনো বিন্দু P থেকে বৃত্ত বরাবর ঘুরে পুনরায় P বিন্দু পর্যন্ত পথের দূরত্বই পরিধি। বৃত্ত সরলরেখা নয় বলে রুলারের সাহায্যে বৃত্তের পরিধির দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় না। পরিধি মাপার একটি সহজ উপায় আছে। ছবি আকার কাগজে একটি বৃত্ত এঁকে বৃত্ত বরাবর কেটে নাও। পরিধির উপর একটি বিন্দু চিহ্নিত কর। এবার কাগজে একটি রেখাংশ আঁক এবং বৃত্তাকার কার্ডটি কাগজের উপর খাড়াভাবে রাখ যেন পরিধির চিহ্নিত বিন্দুটি রেখাংশের এক প্রান্তের সাথে মিলে যায। এখন কার্ডটি রেখাংশ বরাবর গড়িয়ে নাও যতক্ষণ-না পরিধির চিহ্নিত বিন্দুটি রেখাংশকে পুনরায় স্পর্শ করে। স্পর্শবিন্দুটি চিহ্নিত কর এবং রেখাংশের প্রান্তবিন্দু থেকে এর দৈর্ঘ্য পরিমাপ কর। এই পরিমাপই পরিধির দৈর্ঘ্য। লক্ষ কর, ছোট বৃত্তের ব্যাস ছোট, পরিধিও ছোট; অন্যদিকে বড় বৃত্তের ব্যাস বড়, পরিধিও বড়।

ব্যাসার্ধ, ব্যাস, জ্যা ও পরিধি (Radius, Diameter, Chord & Circumference)

বৃত্তের বিভিন্ন মৌলিক উপাদান হলো ব্যাসার্ধ, ব্যাস, জ্যা এবং পরিধি। এগুলো বৃত্ত জ্যামিতির ভিত্তি তৈরি করে।

ব্যাসার্ধ (Radius)

বৃত্তের কেন্দ্র থেকে বৃত্তের যেকোনো বিন্দু পর্যন্ত দূরত্বকে ব্যাসার্ধ বলা হয়।

r

• প্রতিটি বৃত্তে অসংখ্য ব্যাসার্ধ থাকে
• সব ব্যাসার্ধের দৈর্ঘ্য সমান

ব্যাস (Diameter)

কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে বৃত্তের দুই প্রান্তকে যুক্ত করা রেখাংশকে ব্যাস বলা হয়।

d = 2 r

• ব্যাস = ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ
• ব্যাস বৃত্তের সর্ববৃহৎ জ্যা

জ্যা (Chord)

বৃত্তের পরিধির যেকোনো দুই বিন্দুকে সংযুক্ত করা সরলরেখা অংশকে জ্যা বলা হয়।

• সব ব্যাসই জ্যা, কিন্তু সব জ্যা ব্যাস নয়
• কেন্দ্র দিয়ে না গেলে সেটি সাধারণ জ্যা

পরিধি (Circumference)

বৃত্তের চারপাশের মোট দৈর্ঘ্যকে পরিধি বলা হয়।

C = 2 π r

অথবা,

C = π d

• এখানে π ≈ 3.1416 (প্রায়)
• পরিধি হলো বৃত্তের সীমারেখা

গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

• ব্যাস = 2 × ব্যাসার্ধ
• পরিধি = 2πr = πd
• বড় ব্যাসার্ধ → বড় বৃত্ত → বেশি পরিধি

উদাহরণ

যদি একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ 5 সেমি হয়, তবে—

ব্যাস:

d = 2 × 5 = 10

পরিধি:

C = 2 π × 5 = 10 π

অতএব, ব্যাসার্ধ, ব্যাস, জ্যা এবং পরিধি বৃত্তের মৌলিক জ্যামিতিক ধারণা যা সকল বৃত্তীয় গণনার ভিত্তি।

Related Question

View All
উত্তরঃ

বৃত্তের পরিধির দুটি বিন্দুকে যোগ করে সরলরেখা আঁকালে একটি জ্যা উৎপন্ন হয়।

Tamanna
Tamanna
3 years ago
200
উত্তরঃ

জ্যা (Chord): বৃত্তের পরিধিস্থ যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে জ্যা (Chord) বলে। জ্যা-র দৈর্ঘ্য বিভিন্ন রকম হতে পারে। বৃত্তের দীর্ঘতম জ্যা-কে ব্যাস বলে ।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
204
উত্তরঃ

জ্যা = বৃত্তের পরিধিস্থ যে কোন দুই বিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে জ্যা (Chord) বলে । জ্যা-র দৈর্ঘ্য বিভিন্ন রকম হতে পারে । বৃত্তের দীর্ঘতম জ্যা-কে ব্যাস বলে ।

198
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews