ব্রিটিশ ভারতে মুসলমানদের এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য বেশ কয়েকজন ব্যক্তিত্বের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন ভারতবর্ষে মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্নভাবে তৎপর ছিলেন। যেমন বঙ্গভঙ্গসহ মুসলমানদের জন্য আলাদা রাজনৈতিক দল গঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ইত্যাদি।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

মওলানা আব্দুল হামিদ খানকে মজলুম জননেতা বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

সমাজ সংস্কার ও শিক্ষাবিস্তারে স্যার সৈয়দ আহমদের মতো নবাব আবদুল লতিফের অবদান ছিল বলেই তাকে 'বাংলার সৈয়দ আহমদ' বলা হয়।
স্যার সৈয়দ আহমদ মুসলমানদের উন্নতির জন্য ইংরেজদের সঙ্গে সহযোগিতা ও পাশ্চাত্য শিক্ষা গ্রহণের ওপর জোর দেন। স্যার সৈয়দ আহমদের মতো নবাব আব্দুল লতিফও বুঝতে পেরেছিলেন যে, আধুনিক শিক্ষা ব্যতীত বাংলার মুসলমানদের উন্নতি সম্ভব নয়। এ জন্য তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করার জন্য সচেষ্ট হন। এ কারণে নওয়াব আব্দুল লতিফকে বাংলার 'সৈয়দ আহমদ' বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর কথা বলা হয়েছে এবং তিনি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখেন।
নবাব স্যার সলিমুল্লাহর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করা। তিনি উপলব্ধি করেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে সৃষ্ট হিন্দু জমিদার, জোতদার, মহাজনদের শোষণ ও নির্যাতনের শিকারে পরিণত হয়েছে বাংলার মুসলমানরা। হিন্দু জনগোষ্ঠী মুসলমানদের থেকে ব্যবসা বাণিজ্যে, শিক্ষা-দীক্ষা, চাকরি প্রভৃতি ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। কলকাতার শিক্ষিত হিন্দু মধ্যবিত্ত শ্রেণির সাথে প্রতিযোগিতা করে মুসলমানরা কোনোভাবেই পারছিলনা। এসময় তিনি বাংলা প্রেসিডেন্সিকে বিভক্ত করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ আসামকে যুক্ত করে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' নামে একটি প্রদেশ সৃষ্টি করেন। যার রাজধানী করা হয় ঢাকাকে।
বঙ্গভঙ্গ হওয়ার ফলে সচেতন ও শিক্ষিত হিন্দু সমাজ এর বিরোধিতা করবে ভেবে তিনি বাঙালি মুসলমানদের রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়ানোর জন্য মোহামেডান প্রভিন্সিয়াল ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলার মুসলমানদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একটি রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তার নেতৃত্বে এই সম্মেলনে ১৯০৬ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর ঢাকায় 'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ' নামে রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে। বাংলার মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র নির্বাচনব্যবস্থা সৃষ্টিতে স্যার সলিমুল্লাহ সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন। এজন্য ১৯০৬ সালে মুসলমানদের জন স্বতন্ত্র নির্বাচনের দাবিতে ভাইসরয় লর্ড মিন্টোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ১৯০৯ সালে মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র নির্বাচন ব্যবস্থা স্বীকৃত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উক্ত ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ পূর্ববাংলায় শিক্ষা বিস্তারে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
পূর্ব-বাংলার জনগণের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, শিক্ষা-দীক্ষায় উন্নত না হলে এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্বন্দ্বে ধারণা না থাকলে মুসলমানরা কোনোদিনই নিজেদের পৃথক অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারবে না। এজন্য তিনি মুসলমান সমাজে শিক্ষা বিস্তারে মনোযোগী হন এবং নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এ লক্ষ্যে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ নিজ উদ্যোগে পুরানো ঢাকায় আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল নামে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
এছাড়া তিনি মিটফোর্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নবাব স্যার সলিমুল্লাহর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের কারণে তিনি ভীষণভাবে মর্মাহত হন। ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকা ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে মুসলমান ছাত্রদের আবাসিক সমস্যা সমাধানের জন্য একটি হল নির্মাণ করা হয়। নবাব সলিমুল্লাহর অবদানের প্রতি শ্রদ্বা প্রদর্শন এবং তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্যই এই ছাত্রাবাসটির নামকরণ করা হয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হল।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে শিক্ষা বিস্তারে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ অসামান্য অবদান রেখেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
26

Related Question

View All
উত্তরঃ

বেজাল প্যাক্ট হলো বাংলার হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক বিভেদ সমাধানের লক্ষ্যে সম্পাদিত চুক্তি।
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ অনুভব করেছিলেন যে, বাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের দাবি অগ্রাহ্য করে স্বাধীনতা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ দিক বিবেচনা করে চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলমানদের সমর্থন ও হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বাংলার মুসলিম নেতারাও তাঁর সাথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন এ.কে. ফজলুল হক, মৌলবি আবদুল করিম এবং হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। তাদের উদ্যোগে ১৯২৩ সালে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
118
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শামসুল হুদার সাথে আমার পঠিত মহান নেতা শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক শহিদ তিতুমীরের আসল নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী। তিনি দেশের মানুষকে ইংরেজ, জমিদার এবং নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের হাত থেকে রক্ষার প্রচেষ্টা চালান। তিনি কৃষকদেরকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলেন এবং তাদেরকে সংঘবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। শোষকদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য তিনি কৃষকদেরকে সামরিক প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। এ লক্ষ্যে তিনি কলকাতার নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে একটি বাঁশের কেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করেন।
উদ্দীপকের শামসুল হুদার ক্ষেত্রে লক্ষ করা যায়, তিনি একজন সৎ ও সাহসী ব্যক্তি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি সব সময় সোচ্চার। অত্যাচারী জমিদার ও সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে জনগণকে রক্ষায় তিনি একটি বাহিনী গড়ে তোলেন এবং তাদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি দুর্গ প্রতিষ্ঠা করেন। তার এ লক্ষ্য ও কার্যক্রমের সাথে আমার পঠিত শহিদ তিতুমীরের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
88
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তিত্বের অর্থাৎ তিতুমীরের আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন গতি লাভ করেছিল।
তিতুমীরের কৃষক আন্দোলন ও বারাসাত বিদ্রোহ ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিদ্রোহ। এর মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে, রক্তদান ব্যতীত স্বাধীনতা অর্জন সম্ভব নয়। তাঁর পরিচালিত এ বিদ্রোহ ছিল জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। তিনি নারিকেলবাড়িয়ার আশপাশের জমিদারদের পরাজিত করে চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে একটি স্বাধীন রাজ্য গঠন করেন এবং কোম্পানি সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তিনি ইংরেজ সরকারের আক্রমণ মোকাবিলার জন্য নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। ১৮৩১ সালে ইংরেজ বাহিনীর সাথে যুদ্ধে তিতুমীরও শহিদ হন।
ইংরেজদের গোলাবারুদ এবং নীলকর ও জমিদারদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের মুখে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ছিল সাহস আর দেশপ্রেমের প্রতীক। যা যুগে যুগে বাঙালিকে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হতে সাহস যুগিয়েছে। প্রেরণা যুগিয়েছে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যেতে। উপরের আলোচনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে তিতুমীরের আন্দোলনের কারণেই পরবর্তী সময়ের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনগুলো গতি লাভ করেছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
91
উত্তরঃ

ফরায়েজি আন্দোলন বলতে হাজী শরীয়তউল্লাহ কর্তৃক পরিচালিত ফরজভিত্তিক আন্দোলনকে বোঝায়।
১৮১৮ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহ মক্কা থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে ফিরে তিনি দেখলেন মুসলমানরা নানা প্রকার কুসংস্কারে লিপ্ত। তারা কবরপূজা, পীরপূজা, ওরস ও মানত করে পরিত্রাণ পাবে বলে মনে করত। এ অবস্থা দেখে হাজী শরীয়তউল্লাহ ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের ডাক দেন। এতে ইসলাম ধর্মের পাঁচটি ফরজ পালনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়। এই আন্দোলনই ইতিহাসে ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
83
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews