ব্লুটুথ কি?

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল। এটি ১০-৫০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতিকে বলা হয় ব্লুটুথ।

540

Related Question

View All
উত্তরঃ

সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য একটি সমন্বিত ক্লক (clock) সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডেটা ব্লক (block) আকারে একবারে অনেকগুলো অক্ষর বা বাইট (byte) একসাথে স্থানান্তরিত হয়, যেখানে প্রতিটি অক্ষরের জন্য আলাদাভাবে স্টার্ট (start) বা স্টপ (stop) বিট (bit) ব্যবহার করা হয় না।

যেহেতু সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে প্রতিটি অক্ষরের আগে বা পরে অতিরিক্ত স্টার্ট ও স্টপ বিট যোগ করতে হয় না, তাই এটি অ্যাসিঙ্ক্রোনাস (asynchronous) পদ্ধতির চেয়ে অধিক দক্ষ ও দ্রুত। এতে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ডেটা হেডার (header) ও ট্রেলার (trailer) অংশে ক্লক সিগন্যাল (clock signal) দিয়ে ডেটার শুরু ও শেষ নির্দেশ করা হয়। এর ফলে নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের সময় অতিরিক্ত বিটের (overhead) পরিমাণ কমে যায় এবং ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক বৃদ্ধি পায়, যা বৃহৎ ডেটা স্থানান্তরের জন্য সুবিধাজনক।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.7k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তার শাখাগুলোকে পরিচালনার জন্য ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN) স্থাপন করেছিল।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) হলো এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা, যেমন - শহর, দেশ এমনকি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। এটি বিভিন্ন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN) বা মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN) গুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করে থাকে। WAN এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দূরবর্তী স্থানে অবস্থিত কম্পিউটার এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা স্যাটেলাইট লিঙ্কের মতো বিভিন্ন ট্রান্সমিশন মাধ্যম ব্যবহার করে WAN স্থাপন করা হয়।

উদ্দীপকে বর্ণিত X কলেজের মূল প্রতিষ্ঠান ঢাকায় এবং এর পাঁচটি শাখা দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত। এই ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন শাখাগুলোকে মূল প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত করে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) স্থাপন করা হয়েছে। WAN এর মাধ্যমে অধ্যক্ষ সাহেব মূল প্রতিষ্ঠান থেকে সকল শাখার তথ্য আদান-প্রদান, ব্যবস্থাপনা এবং তদারকি করতে সক্ষম হবেন, যা ভিন্ন ভিন্ন জেলার শাখাগুলোকে একীভূত নেটওয়ার্কের আওতায় এনে প্রশাসনিক কাজকে সহজ করে তুলবে এবং কলেজটির সার্বিক কার্যক্রমকে সমন্বিত করবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
1.4k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে অধ্যক্ষ সাহেব শিক্ষকগণ যতটুকু ব্যবহার করবেন ততটুকু বিল পরিশোধ করবেন এমন একটি পরিসেবার কথা ভাবছিলেন, যা মূলত ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই ধরনের পরিসেবা বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি যুগে অত্যন্ত কার্যকর ও জনপ্রিয়।

অধ্যক্ষ সাহেবের এই ভাবনা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নযোগ্য এবং আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রসারে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের (Cloud Computing) মাধ্যমে এটি সম্ভব। ক্লাউড কম্পিউটিং হলো এমন একটি মডেল যেখানে ইন্টারনেট-ভিত্তিক রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, ডেটাবেজ, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার ইত্যাদি চাহিদা অনুযায়ী ব্যবহার করা যায় এবং শুধুমাত্র ব্যবহৃত অংশের জন্য অর্থ পরিশোধ করা হয়। উদ্দীপকে উল্লেখিত X কলেজের একাধিক শাখা রয়েছে এবং অধ্যক্ষ সাহেব একটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন, যা ক্লাউড সেবার জন্য একটি উপযুক্ত অবকাঠামো হতে পারে।

শিক্ষকদের জন্য "যতটুকু ব্যবহার ততটুকু বিল পরিশোধ" মডেলটি সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস (SaaS), ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ আ সার্ভিস (IaaS) বা প্ল্যাটফর্ম অ্যাজ আ সার্ভিস (PaaS) মডেলের অধীনে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি শিক্ষকরা নির্দিষ্ট কোনো সফটওয়্যার বা ডেটা স্টোরেজ ব্যবহার করেন, তাহলে ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী সংস্থার সাথে চুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী বিল নির্ধারণ করা সম্ভব। এতে প্রতিষ্ঠানকে সার্ভার রক্ষণাবেক্ষণ, সফটওয়্যার লাইসেন্সিং বা হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের মতো জটিল ও ব্যয়বহুল কাজ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এটি ব্যয় সাশ্রয়ী (Cost-effective) এবং স্কেলেবল (Scalable), অর্থাৎ প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো যায়।

সুতরাং, উদ্দীপকের আলোকে অধ্যক্ষ সাহেব যে নতুন পরিসেবার কথা ভাবছিলেন, তা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের আধুনিক ধারণার সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং বর্তমান প্রযুক্তির সাহায্যে সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এই মডেলটি X কলেজ ও এর শাখাগুলির জন্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারকে আরও সহজ, সাশ্রয়ী এবং দক্ষ করে তুলবে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
509
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews