মূলভাব: বিদ্যার চেয়েও চরিত্র অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিক্ষিত লোক যদি চরিত্রহীন হয়, তবে তার বঙ্গে অবশ্যই পরিহার করা উচিত। কারণ, তার কাছ থেকে উপকৃত হবার চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বরং বেশি।
সম্প্রসারিত ভাব: বিদ্যা অমূল্য ধন। বিদ্বান ব্যক্তি সবার সম্মানের পাত্র। কিন্তু বিদ্বান লোক সৎ না হলে তার সান্নিধ্য কখনোই কাম্য নয়। এসব মানুষ নৈতিক চরিত্রে দুর্বল। এদের স্বভাব অন্যের ক্ষতি করা। সমাজ, দেশ বা জাতি কেউ এদের দ্বারা উপকৃত হয় না। এরা সমাজের কলঙ্ক। কোনো কোনো দুর্জন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয় বটে কিন্তু সার্টিফিকেট-সর্বস্ব শিক্ষা এদের চরিত্রে ও মানসিকতায় কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারে না। এরা শিক্ষিত হয়ে চাতুরি ও ছলনায় কূটকৌশলী হয়ে সহজেই মানুষকে প্রতারিত করে। এ কথা সত্য যে, বিদ্যা অর্জনের মাধ্যমে মানুষ যথার্থ মানুষ হয়ে ওঠে। বিদ্যা মানবজীবনের সফলতার সহায়ক। বিদ্বানের সংস্পর্শে এলে জ্ঞানের আলোয় মন আলোকিত হয়। কিন্তু বিদ্বান ব্যক্তি যদি চরিত্রহীন হয়, তবে তার বিদ্যার কোনো মূল্য থাকে না। নিজের স্বার্থ বা অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য সে যেকোনো কৌশলের আশ্রয় নিতে পারে। তাই তার সঙ্গ এড়িয়ে চলা উচিত।
মন্তব্য: চরিত্রহীন বিদ্বান ব্যক্তির কাছ থেকে বিদ্যা লাভ করে জীবনের কোনো কল্যাণ সাধন করা যায় না। তাই দুর্জন যদি বিদ্বানও হয়, তবু তার সান্নিধ্য ও সংশ্রব ত্যাগ করাই মঙ্গল।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!