ভাব সম্প্রসারণ করুন (যে-কোনো একটি):

Updated: 1 month ago
উত্তরঃ
সৎ সাহসই প্রকৃত নেতৃত্বের পরিচয়

মূলভাব: নেতৃত্ব কেবল একটি পদমর্যাদা নয়, বরং এটি হলো ন্যায় ও সত্যের পথে অবিচল থাকার মতা। জীবনের প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং সত্যকে আঁকড়ে ধরে রাখার যে মানসিক শক্তি, তাকেই বলা হয় সৎ সাহস। আর এই সৎ সাহসই একজন সফল ও সার্থক নেতার প্রধান পরিচয়।

সম্প্রসারিত ভাব: পৃথিবী কর্মতৎপর মানুষের বিচরণক্ষেত্র। সমাজ বা রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালনার জন্য নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়। একজন নেতার অনেক গুণ থাকতে পারে, যেমন প্রখর বুদ্ধি, বাগ্মিতা বা সাংগঠনিক দক্ষতা। কিন্তু যদি তার মাঝে সৎ সাহস না থাকে, তবে সব গুণই ম্লান হয়ে যায়। সৎ সাহস হলো সেই নৈতিক শক্তি, যা মানুষকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোই হলো নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা। যখন সাধারণ মানুষ ভয়ে স্থবির হয়ে পড়ে, তখন একজন প্রকৃত নেতা তাঁর সৎ সাহসের মাধ্যমে সবার মাঝে আশার আলো সঞ্চার করেন। তিনি কেবল নির্দেশ দেন না, বরং বিপদের মুখে নিজে সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেন। পক্ষান্তরে, সাহস যদি সৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না হয়, তবে তা হঠকারিতা বা দম্ভে পরিণত হয়। অন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো বা শক্তির দাপট দেখানো সাহসিকতা হতে পারে, কিন্তু তা কখনোই নেতৃত্ব নয়। প্রকৃত নেতৃত্ব হলো সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নিঃশঙ্ক চিত্তে অবস্থান নেওয়া। সৎ সাহসী নেতা জানেন যে, সত্যের পথ কণ্টকাকীর্ণ, তবুও তিনি তাঁর নৈতিক বলীয়ান দিয়ে সেই পথ পাড়ি দেন। তাঁর এই চারিত্রিক দৃঢ়তাই অনুসারীদের মনে গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাসের জন্ম দেয়।

উপসংহার: পরিশেষে বলা যায়, সৎ সাহস ব্যতীত নেতৃত্ব হলো প্রাণহীন দেহের মতো। নেতৃত্বের মূল শক্তি কোনো অস্ত্র বা অর্থ নয়, বরং তা হলো অ্যার পবিত্রতা এবং অকুতোভয় মানসিকতা। তাই ব্যক্তিগত জীবনে হোক বা জাতীয় পর্যায়ে, সফল নেতৃত্বের জন্য আমাদের মাঝে সৎ সাহসের চর্চা করা একান্ত অপরিহার্য।

উত্তরঃ
মানুষের আসল পরিচয় তার চরিত্রে

মূলভাব: মানুষের বাহ্যিক রূপ, জৌলুস বা ধন-সম্পদ দিয়ে তার প্রকৃত বিচার করা যায় না। মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব ও ব্যক্তিত্বের মূল মাপকাঠি হলো তার চরিত্র। চরিত্রই মানুষের জীবনের প্রকৃত ভূষণ এবং অমূল্য সম্পদ।

সম্প্রসারিত ভাব: পৃথিবী কর্মতৎপর মানুষের বিচরণক্ষেত্র। এখানে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জন্মগ্রহণ করে, কিন্তু কেবল চরিত্রবানরাই ইতিহাসে অমর হয়ে থাকেন। প্রখ্যাত মনীষীদের মতে, যদি অর্থ হারায় তবে কিছুই হারায় না, স্বাস্থ্য হারালে কিছুটা হারায়, কিন্তু চরিত্র হারালে জীবনের সবকিছুই হারিয়ে যায়। মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠিত হয় তার সততা, সৌজন্যবোধ, সত্যবাদিতা এবং পরোপকারিতার সমন্বয়ে। একজন মানুষ অনেক বড় ডিগ্রিধারী বা কোটিপতি হতে পারেন, কিন্তু তার আচরণে যদি কুরুচি বা অহংকার থাকে, তবে সমাজ তাকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করে না। উচ্চবংশে জন্ম নিলেই কেউ উচ্চমর্যাদার অধিকারী হয় না; যদি না তার কর্ম ও চিন্তায় পবিত্রতা থাকে। অন্যদিকে, অতি সাধারণ পরিবারে জন্মেও কেবল চারিত্রিক মাধুর্য দিয়ে একজন মানুষ জগদ্বন্দ্য হতে পারেন। চরিত্রবান মানুষের সান্নিধ্য অন্যকে অনুপ্রাণিত করে এবং সমাজকে কলুষমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। শিক্ষা ও মেধা মানুষকে সফল করতে পারে, কিন্তু সেই সাফল্যকে মহৎ করে তোলে চরিত্র। চরিত্রহীন মেধাবী মানুষ সমাজের জন্য আশীর্বাদের বদলে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু যার চরিত্র নিষ্কলঙ্ক, তিনি যেখানেই যান না কেন, তাঁর ব্যক্তিত্বের জ্যোতিতে চারপাশ আলোকিত হয়। মানুষের মৃত্যুর পরও তার স্মৃতি বেঁচে থাকে কেবল তার সুন্দর স্বভাব ও মহৎ গুণাবলির মাধ্যমে।

উপসংহার: পরিশেষে বলা যায়, সুন্দর ও সার্থক জীবন গড়ার জন্য নিষ্কলঙ্ক চরিত্রের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। ধন-দৌলত বা আভিজাত্যের মোহ ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু চরিত্রের সুবাস চিরকাল অম্লান থাকে। তাই মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার পোশাকে বা বিত্তে নয়, বরং তার নির্মল চরিত্রেই নিহিত।

90

'ভাব-সম্প্রসারণ' কথাটির অর্থ কবিতা বা গদ্যের অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকে ব্যাখ্যা করা, বিস্তারিত করে লেখা, বিশ্লেষণ করা। আবৃতকে উন্মোচন, সংকেতকে নির্ণীত করে তুলনীয় দৃষ্টান্ত ও প্রবাদ-প্রবচনের সাহায্যে সহজ ভাষায় ভাবের বিন্দুকে বিস্তার করার নাম ভাব-সম্প্রসারণ।

  • ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কয়েকটি দিকের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। যেমন:

ক. প্রদত্ত চরণ বা গদ্যাংশটি একাধিকবার মনোযোগ সহকারে পড়ে অন্তর্নিহিত ভাবটি কী, তা সঠিকভাবে বুঝতে হবে। মূল ছত্রটি হুবহু ব্যবহার করা উচিত নয়।

খ. অন্তর্নিহিত মূলভাবটি কোনো উপমা, রূপক-প্রতীকের আড়ালে প্রচ্ছন্ন থাকে, তবে ভাব-সম্প্রসারণের সময় প্রয়োজনে অতিরিক্ত অনুচ্ছেদ-যোগে ব্যাখ্যা করলে ভালো হয়।

গ. সহজ ভাষার, সংক্ষেপে ভাবসত্যটি উপস্থাপন করা উচিত। প্রয়োজনে যুক্তি উপস্থাপন করে তাৎপর্যটি উদ্ধার করতে হবে।

ঘ. মূল ভাব-বীজকে বিশদ করার সময় সহায়ক দৃষ্টান্ত, প্রাসঙ্গিক তথ্য বা উদ্ধৃতি ব্যবহার করা চলে।

ঙ. ভাব-সম্প্রসারণ করার সময় মনে রাখতে হবে যে, যেন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি না ঘটে। বারবার একই কথা লেখা ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে দূষণীয়।

চ. ভাব-সম্প্রসারণকে প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত করা যায়। যথা: প্রথম অংশে ভাবের অর্থ, দ্বিতীয় অংশে ভাবের ব্যাখ্যা, তৃতীয় অংশে ভাবের তাৎপর্য।

ছ. ভাব-সম্প্রসারণ করার সময়ে প্রদত্ত অংশের রচয়িতার নাম উল্লেখ করাতে হয় না।

জ. প্রয়োজনে সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজে বসবাস করতে হলে মানুষকে একে অপরের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে হয় এবং সমাজে শত্রু-মিত্র উভয়ের সাথেই কোন না কোনভাবে মেলামেশা হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় সেটি হল শিক্ষা। মানুষের বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে শিক্ষার মানদণ্ডটি অতীব জরুরি। কেননা, অশিক্ষিত বন্ধুর যত আন্তরিকতাই থাক না কেন, সে যে কোন মুহূর্তে নিজের অজ্ঞতাবশত অনেক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বলা হয়, মূর্খ ব্যক্তি পশুর সমান। ভালোমন্দ বিচার করার যথাযথ ক্ষমতা তার নেই। অনেক সময় বন্ধুর ভালোর জন্য কিছু করলেও তার অজ্ঞতার কারণে তা বন্ধুর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। এজন্য তাকে দোষও দেওয়া যায় না। অন্যদিকে, শত্রুকে আমরা সাধারণত অনিষ্টের কারণ হিসেবেই বিবেচনা করি। কিন্তু তুলনামূলক বিচারে দেখা যায়, একজন মুর্খ বন্ধু অজ্ঞতাবশত যা করতে পারে, একজন শিক্ষিত শত্রু সজ্ঞানে তেমনটি করতে পারে না। জ্ঞানের নির্মল পরশ অন্তত তাকে এ কাজ থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারে। যদি অনিষ্ট সে করে তবে সেটা হবে তার দুরাচার। আর মানুষ সব সময়ই শত্রুর দুরাচার সম্পর্কে সজাগ থাকে। ফলে শত্রুর এ চেষ্টা সফল নাও হতে পারে। কিন্তু বন্ধুর ব্যাপারে কোন সন্দেহ না থাকায় মানুষ এতটা সতর্ক থাকে না। অথচ এ অসতর্কতার ফাঁকে মূর্খ বন্ধুর অজ্ঞতাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

তাই বন্ধু নির্বাচনে জ্ঞান, প্রজ্ঞা আর শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা, জ্ঞান আলো এবং মূর্খতা অন্ধকারের সমতুল্য। আলোতে অনেক বিপদেও নিরাপদ থাকা যায়, অন্যদিকে অন্ধকারে সর্বদাই বিপদের আশঙ্কা থাকে

ABDUL MALEK
ABDUL MALEK
2 years ago
4.5k

"ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন, কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন।" 

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "যতদিন ছিলে" কবিতার একটি অংশ। 

**ভাব-সম্প্রসারণ:** 

এই উদ্ধৃতিটি একটি গভীর জীবনদর্শনের প্রতিফলন। এখানে 'ভাবের ললিত ক্রোড়ে না রাখি নিলীন' বলতে বোঝানো হচ্ছে যে, ব্যক্তিগত চিন্তা, অনুভূতি বা ভাবনাগুলোকে শুধুমাত্র মনস্তাত্ত্বিক বা আবেগগতভাবে না রেখে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে হবে। 'নিলীন' শব্দের মাধ্যমে এখানে অভ্যন্তরীণ চিন্তা বা অনুভূতির গভীরতা প্রকাশ করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র অন্তরেও লুকিয়ে থাকলে চলবে না। অন্যদিকে, 'কর্মক্ষেত্রে করি দাও সক্ষম স্বাধীন' বাক্যে বলা হচ্ছে যে, আমাদের দক্ষতা, কর্মক্ষমতা ও স্বাধীনতা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করা উচিত। কর্মক্ষেত্রে আমরা যে সিদ্ধান্ত নিতে পারি এবং যে কাজ করতে পারি, তা যেন আমাদের স্বাধীনতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে হয়। এখানে স্বাধীনতার সাথে সক্ষমতার সম্মিলন প্রস্ফুটিত হচ্ছে, যেখানে ব্যক্তি নিজের দক্ষতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করার স্বাধীনতা পায়। সংক্ষেপে, এই উদ্ধৃতিটি আমাদেরকে উৎসাহিত করে যে, আমাদের অভ্যন্তরীণ ভাবনা বা চিন্তাকে শুধু মনে সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব জীবনের কাজে লাগিয়ে কার্যকরীভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে নিজের সক্ষমতা ও স্বাধীনতা প্রমাণ করতে হবে।

উত্তরঃ

আমরা সবসময় ভাবের গহনায়, অনুভূতির গভীরতায় হারিয়ে থাকি, যেখানে কোনো এক নিস্তব্ধতা বা মাধুর্য লুকিয়ে থাকে। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে, বাস্তব জীবনে সেই ভাবনার পরিবর্তে আমাদের প্রমাণিত করতে হয় আমাদের ক্ষমতা এবং স্বাধীনতার। সেখানে ভাবের বন্দি হয়ে থাকার সুযোগ নেই। আমরা যদি শুধু ভাবনায় নিমজ্জিত থাকি, তবে বাস্তবতার চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারব না।

এখানে "ভাবের ললিত ক্রোড়ে" বলতে বোঝানো হচ্ছে যে আমরা আমাদের ভাবনাগুলোকে এতটাই গুরুত্ব দিই যে সেগুলো আমাদের কর্মক্ষমতা বা স্বাধীনতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু বাস্তবিকভাবে আমাদের শক্তি এবং স্বাধীনতা আমাদের কাজের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। আমাদের উচিত আমাদের ভাবনার সাথে সাথে কর্মক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করা, যাতে আমাদের সক্ষমতা এবং স্বাধীনতা স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশ পায়।

এইভাবে, কবি আমাদের শেখাতে চাইছেন যে ভাবনা ও কর্মের মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। ভাবনার সৌন্দর্য বা গভীরতা তার স্থানেই মূল্যবান, কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা ও স্বাধীনতার প্রয়োগই আসল বিষয়।

Shamim Hossan
Shamim Hossan
1 year ago
2.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews