ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশে সামাজিক বিজ্ঞানের অন্যতম কনিষ্ঠ শাস্ত্রের বিকাশে বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক রাধাকমল মুখার্জি, ডি এন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু প্রমুখ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। এছাড়া কয়েকজন মার্কসবাদী সমাজচিন্তাবিদ সমাজ ও সংস্কৃতি বিষয়ে অনেক আলোচনা- সমালোচনা করেছেন। যা শাস্ত্রটির বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

 সমাজবিজ্ঞান মানবতাবাদী বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পঠন পরিসর ও উদ্দেশ্যের কারণে সমাজবিজ্ঞানকে মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান বলা হয়। 

সামাজিক প্রয়োজন ও মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকেই সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ পরিবারের কথা বলা যায়, পরিবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- একক পরিবার, যৌথ পরিবার, পিতৃতান্ত্রিক পরিবার, মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ইত্যাদি। সমাজবিজ্ঞান সবধরনের পরিবারকেই স্বীকৃতি দেয়। আর এ কারণেই সমাজবিজ্ঞান মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমির প্রতিফলন ঘটেছে। 

ভারতীয় উপমহাদেশের অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের পটভূমির ক্ষেত্রে রাধাকমল মুখার্জি, ডি এন মজুমদার, নির্মল কুমার বসু, বিনয় কুমার সরকার প্রমুখ বাঙালি জাতীয়তাবাদী লেখক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন; যা উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়া চল্লিশের দশকে মার্কসবাদী লেখক এম.এন. রায়, মোজাফফর আহমদ, সুশোভন সরকার, গোপাল হালদার, নরহরি কবিরাজ, বিনয় ঘোষ প্রমুখ সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে বিস্তৃত আলোচনার প্রয়াস পেয়েছেন। তাদের এ প্রচেষ্টা বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শাস্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, উদ্দীপকে যে তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে তাতে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমি ফুটে উঠেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে উদ্দীপকে বর্ণিত লেখকগণ ছাড়া আরও কয়েকজন লেখকের ভূমিকা রয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে সমাজচিন্তার ইতিহাস প্রায় দু'হাজার বছরের পুরোনো। কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র, বাৎসায়নের কামসূত্র, আল-বেরুনির ভারততত্ত্ব ও আবুল ফজলের আইন-ই-আকবরি এবং আকবরনামা ইত্যাদি গ্রন্থে বাংলাদেশ সমাজের চমৎকার সব বিবরণ রয়েছে। এছাড়া সৈয়দ গোলাম হোসেন খান-এর সিয়েরুল মেতোখবিন গ্রন্থে তৎকালীন বাংলার সামাজিক অবস্থা ও ঘটনাবলি লিপিবদ্ধ আছে। উইলিয়াম উইলসন হান্টারের সম্পাদনায় উনিশ শতকের শেষের দিকে সামাজিক তথ্যের একটি মৌলিক গ্রন্থ 'The Imperial Gazetteer' প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলার সাথে ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের পার্থক্য বিশেষ করে ভূমিব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা যায়। উইলিয়াম হান্টার, হেনরি মেইন, ফার্মিংগার, হলিংবেরি প্রমুখ ইংরেজ লেখকদের রচনায় বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ইতিহাস ও প্রথা-পদ্ধতির সম্যক পরিচয় পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে স্যার উইলিয়াম হান্টারের 'Annals of Rural Bengal' এবং 'The Indian Musalmans' গ্রন্থ দুটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান চর্চার পটভূমির ক্ষেত্রে উদ্দীপকে বর্ণিত লেখকগণ ছাড়া অন্য লেখকদেরও বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
247
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজের মানুষের অবদান ও অধিকার সম্পর্কে জানা যায়। শুধু সামাজিক অধিকারই নয়, সামাজিক দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কেও সমাজবিজ্ঞান আমাদের জ্ঞান দান করে। আর সে কারণেই বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা যেমন জনসংখ্যা সমস্যা, নিরক্ষরতা, অপরাধ ইত্যাদি মোকাবিলায় সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য। বস্তুত সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করা ও সমাধানের দিক নির্দেশনা দেওয়া আমাদের সামাজিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এসব কর্তব্য পালনের জন্য অর্থাৎ সমাজ সংস্কারের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান একান্ত প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.2k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারার পরিচয় ফুটে উঠেছে। কেননা ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান পাঠ শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা শুরু হয়। ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম সমাজবিজ্ঞান নামে একটি নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উক্ত বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞান চর্চা শুরু হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক এ কে নাজমুল করিম ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন যা উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
291
উত্তরঃ

উত্ত দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা একটিমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে- বক্তব্যটি আমি সমর্থন করি না। এর সপক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হলেও পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এটি ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৬৪ সালের ২৪ আগস্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হয়। ১৯৭০ সালে এখানে সম্মান কোর্স চালু হয়। এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭০ সালে সমাজতত্ত্ব নামক আলাদা একটি বিভাগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে সিলেটে অবস্থিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। এর পরবর্তী দশকে ২০০২ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কিছু কলেজে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর স্তরে সমাজবিজ্ঞান পড়ানো হচ্ছে।

সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা কেবল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এ বিষয়ে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও অবদান রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
681
উত্তরঃ

পঠন পরিসর ও উদ্দেশ্যের কারণে সমাজবিজ্ঞানকে মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান বলা হয়। 

সামাজিক প্রয়োজন ও মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকেই সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ পরিবারের কথা বলা যায়, পরিবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- একক পরিবার, যৌথ পরিবার, পিতৃতান্ত্রিক পরিবার, মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ইত্যাদি। সমাজবিজ্ঞান সবধরনের পরিবারকেই স্বীকৃতি দেয়। আর এ কারণেই সমাজবিজ্ঞান মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews