ভারতের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার নগরকোটা এলাকায় এক কর্মী সমাবেশে কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী বলেন, "দেশের সার্বিক উন্নয়নে পশ্চিম বাংলার অবদান অনেক। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সে পরিমাণ উন্নয়নের অংশীদার তারা কখনও হতে পারে না।" পাকিস্তানের জন্ম থেকে পরবর্তী সময়ের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বাংলার প্রতি পাকিস্তানি শাসকদের নীতিও ছিল এমনটি। পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তান মারাত্মক অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উত্তরঃ

মুসলিম লীগকে নির্বাচনে মোকাবিলা করাই ছিল যুক্তফ্রন্ট গঠনের মূল উদ্দেশ্য।

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত হাইতিক বলগুলো মুসদিন জীনকে পরাজিত করার কৌশল হিলের রেটিনার হয়ে নির্বাচন করার পরিবন্ধণ দেয়। এরই পরিদ্রোদিত্রে যুয়েন্ট করুন একটি সিবাসি মোর্চা। কোনো আদশিক ডিজিতে নয়, বরং নির্বাচনে জয়লার এক স্থালির লীগকে মোকাবিলার জন্যই এ সোটা গঠন করা হয়েছিল।

উত্তরঃ

পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্থানে মারাত্তক আইডির জেরে শিকার হয় যার ফলাফল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান অর্থনৈতিকভারে বাংলাপূর্ণ হতে পারেনি।
আয়তনে বড় হলেও পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতিকার এলাকা বিল অনুর্বর ও মধুময়। সেজন্য এখানে কোনো তুমি উন্নয়নের সম্ভাবনা ছিল না এসব পি কারখানাও তেমন প্রতিষ্ঠিত হাসি। ফলে তারিক দিক থেকে এক দিকে পশ্চিম পাকিস্তান ছিল দূর্বল। অন্যদিকে পূর্ব বাংলা ছিল প্রাকৃতিক সম্পরে সমৃদ্ধ। ফলে অর্থনৈতিক দিক থেকে এ অঞ্চলের সমূল গয়ের সম্ভাবন ছিল, কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যের কারণে পূর্ব বাংলার অপর তা থেকে বঞ্চিত হয়। পাকিস্তানের মোট রাজয় আয়ের শতকরা ৬০ ভাগ অর্জিত হতো পূর্ব বাংলা থেকে এবং এর সাত্র ১৫ ভাগ এ অঞ্চলে বর হতো। মোট রপ্তানি আয়ের ৬০ ভাগ বাংলার পণ্য থেকে অর্জিত হলেও, বাংলা আমদানি পণ্যের মাত্র শতকরা ৩০ ভাগ পেতো। পশ্চিয়ানের জনসংখ্যার শতকরা ৬০ ভাগ পূর্ব পাকিস্তানের হলেও, জাতীয় আয়ের সাত ২৭ ভাগ ব্যয় হতো এসের জন্য। মুদ্রা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিয়ার ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে ছিল না এবং কেন্দ্র এসব সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতো বলে পূর্ব পাকিস্তানের সমৃদয় আয় চলে যেতো পশ্চিম পাকিস্তানে। তাছাড়া স্টেট ব্যাংকসহ প্রায় সকল ব্যাংক, বিমা, বালিল, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিদেশি মিশনসমূহের সদর দপ্তর পশ্চিম পাকিস্তানে স্থাপন করা হয়। ফলে এ অঞ্চল হতে অবাধে অর্থ পাচার সম্ভব হয়।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, স্বাধীনতার পূর্বে পূর্ব পশ্চিয়ান মারাত্মকভাবে বৈষম্যের শিকার হয়েছিল।

উত্তরঃ

হ্যাঁ, আমি মনে করি উদ্দীপকে আলোচিত বৈষম্যগুলো আড়াও রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামরিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও পূর্ববাংলার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক নীতি ছিল প্রকট।
পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের অব্যবহিত পরেই পূর্ব বাংলা রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়। পাকিস্তানের জনসংখ্যার ক্ষেত্রে পূর্ববাংলা সংখ্যা গরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও স্বাধিকারের প্রশ্নে ক্রমাগত তারা উপেক্ষিত হতে থাকে। পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদে পূর্ববাংলার সংখ্যাধিক্য থাকা সত্ত্বেও গভর্নর জেনারেল ও প্রধানমন্ত্রী উভয় পদেই নিয়োগ করা হয় পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। সংখ্যাগরিষ্ঠের দাবিকে উপেক্ষা করে পাকিস্তানের রাজধানী প্রতিষ্ঠা করা হয় পশ্চিম পাকিস্তানের করাচিতে এবং ৫৬.৪০ ভাগের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানে শাসকগোষ্ঠী অনীহা প্রকাশ করে
পশ্চিম পাকিস্তানিরাই ছিল প্রকৃত অর্থে শাসন ক্ষমতার কর্ণধার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে বাঙালিদের প্রতিনিধিত্ব মোটেই সন্তোষজনক ছিল না। ১৯৪৭-১৯৭১ বর্ষসীমায় পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার মোট ২২১ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর মধ্যে বাঙালি সংখ্যা ছিল মাত্র ৮৫ জন। এছাড়া পূর্ব পাকিস্তান ভৌগোলিক দিক থেকে পশ্চিম পাকিস্তান হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পাকিস্তানি শাসকরা এর নিরাপত্তার ব্যাপারে কোনো নিশ্চিত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। পূর্ব পাকিস্তানকে অরক্ষিত রাখা হতো এবং পাকিস্তানের দেশরক্ষা বাহিনীর তিনটি সদর দপ্তরই ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। সামরিক বাহিনীর চাকরির ক্ষেত্রেও পশ্চিম পাকিস্তানিদের অবস্থান ছিল একচেটিয়া।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচিত বৈষম্য অর্থাৎ অর্থনৈতিক বৈষম্য ছাড়াও রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, সামরিক ও অন্যসব ক্ষেত্রেও পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানের নিকট বৈষম্যের স্বীকার হয়েছিল।

356

ভারতবর্ষের সর্বশেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন-এর পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। তখন থেকে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে বাংলাদেশের ইতিহাসে পাকিস্তানি আমল বলা হয়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বিতর্কিত দ্বি-জাতিতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। একমাত্র ধর্ম ব্যতীত দুই অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা ও আচার-অনুষ্ঠানের ছিল বিরাট ব্যবধান। অথচ পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অগণতান্ত্রিক মনোভাবের জন্য বিচ্ছিন্ন দুই অঞ্চলকে একত্রিত করে একটি রাষ্ট্র গঠন করা হয়, যার পরিণতি শুভ হয়নি। পরবর্তী ইতিহাস সে প্রমাণ বহন করে।

১৯৪০ খ্রিষ্টাব্দের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে পাকিস্তানের যে রূপরেখা গ্রহণ করা হয়েছিল তাতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের কথা ছিল। লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক এ.কে. ফজলুল হক বলেছিলেন, "বাংলার শাসন ক্ষমতা কোনো মতেই কোনো কাল্পনিক ও অজানা কেন্দ্রীয় কর্তৃত্বের হাতে তুলে দিতে পারি না।" মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কিন্তু প্রথম থেকেই অখণ্ড পাকিস্তানের চিন্তায় বিভোর ছিলেন। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম লীগের দিল্লি কনভেনশনে সুকৌশলে লাহোর প্রস্তাব সংশোধনপূর্বক Independent states-এর স্থলে state করে এককেন্দ্রিক পাকিস্তান কাঠামো গ্রহণ করা হয়। এর ব্যাখ্যায় মি. জিন্নাহ বলেন, state শব্দটি ভুলক্রমে states হয়েছে। এভাবে তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা প্রবাহের দোলা চলে শেষ পর্যন্ত পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বহুরকম পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও ১৫০০ মাইল দূরত্ব ব্যবধানে দুটি ভূখণ্ড নিয়ে একটি রাষ্ট্র 'পাকিস্তান' জন্ম লাভ করে। জন্মলগ্ন থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক চক্র পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ শুরু করে। আর তারই প্রথম নজির লক্ষ করা যায় বাঙালির মাতৃভাষা কেড়ে নেওয়ার হীন প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে। কিন্তু তাদের সে প্রচেষ্টা সফল হতে দেয়নি বাংলার দামাল ছেলেরা।

পাকিস্তানি আমলে বাংলা ভাষা আন্দোলন ও এর গতি-প্রকৃতি -ড. মোঃ ওয়াহেদুল ইসলাম স্যার এর লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলা ভাষা যখন জাতীয় সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে তখন তাকে বাংলাভাষার আন্তর্জাতিকীকরণ বলে।
ভাষার দাবিতে জীবন বিসর্জন বিশ্ব ইতিহাসে নজিরবিহীন কিন্তু বাঙালি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার সমুন্নত রাখার দাবিতে জীবন দিয়েছিল। তাই বাঙালির এই বৃহৎ ত্যাগকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা UNESCO ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

800
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মিলন চৌধুরীর নেতৃত্বে জোট গঠন আমাদেরকে ১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে দেয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচন ও যুক্তফ্রন্ট গঠন ছিল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মূলত পূর্ব বাংলায় ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের শাসনের চরম ব্যর্থতার ফলে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি, নেজাম-ই-ইসলাম মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বরে। তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভকরে। আর ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সফিপুরের জাতীয় নির্বাচনে মিলন চৌধুরীর নেতৃত্বে ছোট ছোট বিভিন্ন উপদল জোট গঠন করে নির্বাচনে অংশ নেয়। নির্বাচনে ঐ জোট ব্যালট বিপ্লব ঘটিয়ে জয়লাভ করে। উদ্দীপকের এই নির্বাচন এবং উপরে আলোচিত নির্বাচনের প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধ করলে একবাক্যে বলা যাবে উদ্দীপকের নির্বাচনটি ১৯৫৪ সালের নির্বাচন। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের নির্বাচনের সাথে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের মিল রয়েছে।

397
উত্তরঃ

উক্ত নির্বাচনে অর্থাৎ ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের জোটের নেতৃত্বদানকারী দলের সৃষ্টি ছিল এক ঐতিহাসিক ঘটনা। কেননা এই নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বাঙালি সম্মিলিতভাবে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসনের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেছিল এবং জাতীয়তাবাদী চেতনায় উজ্জীবিত হয়েছিল।
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম লীগ প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীন দল হওয়া সত্ত্বেও জয়ী হতে পারেনি। মূলত ১৯৫৪ সালের নির্বাচন ছিল মুসলিম লীগের অন্যায় বৈষম্যমূলক, ব্যর্থ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ। বাঙালি জাতি এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগকে বুঝিয়ে দেয় যে, তারা পূর্ব বাংলার মুসলিম লীগকে আর চায় না। তারা যুক্তফ্রন্টের তরুণ নেতৃত্বের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। তারা ক্ষমতাসীন অত্যাচারীদের প্রতি ধিক্কার জানিয়েছিল তাদের ভোটের মাধ্যমে। বাঙালি ক্ষমতাসীন ও প্রভাবশালী মুসলিম লীগের ন্যাক্কারজনক শাসনের বিরুদ্ধে তাদের বিপ্লব ঘটিয়েছিল এই নির্বাচনের মাধ্যমে। ফলে এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগ ও অবাঙালি নেতৃত্বের প্রতি বাঙালিদের মনে ব্যাপক অনাস্থা জন্মায়। তারা বুঝতে পারে পশ্চিম পাকিস্তানি ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের দ্বারা বাঙালির প্রকৃত মুক্তি সম্ভব নয়। ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলার জনগণ স্বায়ত্তশাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে।

290
উত্তরঃ

ভাষা আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।

371
উত্তরঃ

২২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ও ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে খুলনায় হরতাল ও প্রতিবাদ সভা ছিল খুলনা অঞ্চলের বৃহত্তর কর্মসূচি।
খুলনা অঞ্চলে ১১ সদস্য বিশিষ্ট ভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ২৭ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর বাজারে জনসভা ও অপর এক জনসভা মিউনিসিপ্যাল পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। যাতে যোগদান করে প্রায় দশ হাজার লোক। ৫ মার্চ কেন্দ্রীয় নির্দেশ অনুসারে খুলনা শহর ও গ্রামাঞ্চলে ভাষা দিবস পালনের কর্মসূচি নেওয়া হয়।

279
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews