'ভাষাবিজ্ঞানী' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো- ভাষা বিষয়ক বিজ্ঞানী।
'গবেষণা' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো- গো + এষণা।
ভাষার আদি উৎস বলতে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাকে বোঝানো হয়েছে।
ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার অন্যতম শাখা ইন্দো-ইরানীয় বা আর্যভাষা। প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার বহুল ব্যবহারের ফলে তা পরিবর্তিত হয়ে মধ্যভারতীয় আর্যভাষা বা প্রাকৃতে রূপ নেয়। মাগধী বা গৌড়ী প্রাকৃতের অপভ্রংশের মাধ্যমেই বাংলা ভাষার উদ্ভব। অর্থাৎ আদি উৎস থেকে বিবর্তনের ধারায় অনেক স্তর পেরিয়ে সপ্তম শতকে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে।
সপ্তম শতকে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে।
Related Question
View Allসচরাচর দিনের বেলা খোলা আকাশের রং নীল দেখা যায়।
রাতের বেলা আকাশের কালো রঙের উপর রূপালি রং ভালো ফোটে; তাই রুপালি চাঁদ আর ঝকঝকে অসংখ্য তারা দেখা যায়।
দিন ও রাতে আকাশে রঙে কিছু পার্থক্য দেখা যায়। দিনের বেলা সাধারণত আকাশ নীল দেখায়। বর্ষাকালে আকাশ ধূসর মেঘে ছেয়ে থাকে। আবার শরৎকালে সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায়। ভোরে ও সন্ধ্যায় সোনালি রঙের বন্যা। অন্যদিকে রাতের আকাশ কালো দেখা যায়। কালো আকাশে ওঠে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য রূপালি তারা।
আমার দেখা আকাশের সঙ্গে অনুচ্ছেদের আকাশের মিল বেশি, অনেক।
ঘুম থেকে উঠেই আমি দেখি সোনালি রোদ ছড়িয়ে আছে পুব আকাশে। আকাশ নীল। মাঝে মাঝে সাদা মেঘের ভেলা। বিকেলেই হঠাৎ দেখি আকাশজুড়ে পাংশু আর কালো মেঘ ছড়ানো। আবার সন্ধ্যার পর দেখি কালো আকাশজুড়ে রুপালি চাঁদ আর অসংখ্য জ্বলজ্বলে রুপোর মতো তারার মেলা।
হ্যাঁ, খালি চোখে দেখা আকাশ আর অনুচ্ছেদে বর্ণিত আকাশ একই। অনুচ্ছেদের দিনের বেলার এবং রাতের বেলার আকাশের রূপ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। দিনের বেলার সূর্যের কিরণ ও আকাশের নীল রং খালি চোখে দেখা যায়। আবার রাতের কালো আকাশের রূপালি চাঁদ ও ঝকঝকে গ্রহ, তারা সবই খালি চোখে দেখা যায়।
মাদার তেরেসার গঠিত সংঘটির নাম 'মিশনারিজ অব চ্যারিটি'।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!