বয়স্কদের রিকেটস রোগকে অস্টিওম্যালেশিয়া বলে।
যেসব খাদ্যবস্তু দেহের ক্যালরি চাহিদা পূরণ করে, টিস্যু, কোষের বৃদ্ধি ও গঠন বজায় রাখে এবং দেহের শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলিকে সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তাকে সুষম খাদ্য বলে। সুষম খাদ্য বলতে বোঝায় যাতে প্রয়োজনীয় সকল উপাদান পরিমাণমতো থাকে অর্থাৎ প্রোটিন, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহের প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক পরিমাণে থাকে।
উদ্দীপকে X ভিটামিন হলো- ভিটামিন 'A' যার উৎস হলো
লালশাক, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া। ভিটামিন 'A' দেহের স্বাভাবিক সুস্থতা বজায় রাখে। ভিটামিন 'A' এর অভাবে দেহের স্বাভাবিক সুস্থতা ব্যাহত হয়। নিম্নে তা ব্যাখ্যা করা হলো- ভিটামিন A-এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয়। এ অবস্থাকে জেরস্থালমিয়া রোগ বলে। এতে ব্যক্তি পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যায়। ভিটামিন A-এর অভাবে দেহের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হয়। অনেক সময় ঘা, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা ইত্যাদি উপসর্গও দেখা দেয়। ভিটামিন A-এর অভাবে ত্বকের লোমকূপের গোড়ায় ছোট ছোট গুটির সৃষ্টি হয়।
উদ্দীপকে Y ভিটামিন হলো- ভিটামিন 'C'। নিম্নে ভিটামিন ‘C’ এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হলো-
১. ত্বক, হাড়, দাঁত ইত্যাদি কোষসমূহকে পরস্পরের সাথে জোড়া লাগিয়ে মজবুত গাঁথুনি প্রদান করে।
২. শরীরের ক্ষত পুনর্গঠনের কাজে প্রয়োজন হয়।
৩. দাঁত ও মাড়ি শক্ত রাখে।
৪. স্নেহ, আমিষ ও অ্যামাইনো এসিডের বিপাক কাজে ভিটামিন C গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
৫. ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে।
৬. রোগ প্রতিরোধ করে।
উপরোক্ত আলোচনা হতে দেখা যায় যে, Y ভিটামিনের গুরুত্ব অপরিসীম।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!