ভিয়েতনাম যুদ্ধ শুরুর অব্যবহিত পূর্বে নেতা হো চি মিন জনগণের উদ্দেশ্যে যে ভাষণ দেন তাতেই যুদ্ধের প্রস্তুতির সবকিছু তুলে ধরেন। এই ভাষণ থেকেই ভিয়েতনামী জনগণ যুদ্ধজয়ের মূলমন্ত্র পেয়ে যান। ফলে যুদ্ধ শুরুর আগেই দেশের প্রতিটি অঞ্চলে জনতা ঐক্যবদ্ধ হয়ে শত্রুকে প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেয়।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানের রাজধানী ছিল করাচি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

ইয়াহিয়া সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। ইয়াহিয়া খান ভাবতে পারেনি আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে তাই ৭০ 'এর নির্বাচনের ফলাফলে সে দিশেহারা হয়ে পড়ে। তাছাড়া ১৯৭১ সালে ৩ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সদস্যরা ৬ দফা ও ১১ দফা প্রশ্নে আপস না করার সিদ্ধান্ত নিলে ভুট্টোর সাথে ষড়যন্ত্র করে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা বঙ্গবন্ধুর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। তাছাড়া পশ্চিম পাকিস্তানিরা ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের উন্নয়ন হবে ভেবে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা হস্তান্তরে অনীহা দেখায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ভাষণের সাথে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী ৭মার্চের ভাষণের সামঞ্জস্য রয়েছে।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান মুজিবুর রহমানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে। যার প্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টনের জনসভায় অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দেন এবং ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। যা ইতিহাসে ৭মার্চের ভাষণ নামে পরিচিত। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দের ১২ ফাল্গুন রোজ রবিবার লক্ষ লক্ষ জনতার সামনে বঙ্গবন্ধু দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে তার ভাষণ শুরু করেন। এ ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেন, "আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়। বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলা মানুষ অধিকার চায়।" তিনি আরো বলেন, ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি, ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও ক্ষমতায় বসতে পারিনি। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান মার্শাল ল জারি করে ১০ বছর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলনে ৭ জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন হওয়ার পরে যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, "তিনি বললেন দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গণতন্ত্র দেবেন, আমরা মেনে নিলাম।" তিনি বলেন, "আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না। আমরা এদেশের মানুষের অধিকার চাই।" বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য তৈরি হতে ঘোষণা দিলেন" প্রত্যেক গ্রাম, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে, তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো, এই দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা। উদ্দীপকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের অব্যবহিত পূর্বে হো চি মিন কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ, মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি এবং অনুপ্রেরণার সাথে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত ৭মার্চের ভাষণের সাদৃশ্য লক্ষণীয়। কেননা হো চি মিনের ভাষণের মতো বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিতে ব্যাপক অনুপ্রেরণা জোগায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ভাষণের মতো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির ইতিহাসে অতীব তাৎপর্যপূর্ণ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, হো চি মিন ভিয়েতনাম যুদ্ধের পূর্বে জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণে তাদের যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশনা দেয়। যার মাধ্যমে ভিয়েতনামের মানুষ যুদ্ধ জয়ের মূলমন্ত্র পেয়ে যায় এবং যুদ্ধ শুরুর পূর্বেই প্রস্তুতি গ্রহণ করে। অনুরুপ বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের ফলে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা লাভ করে এবং যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। ৭ মার্চ একটি ইতিহাস। ৭ই মার্চ বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ৭ মার্চের ভাষণ লক্ষ্য কোটি জনতার মাঝে স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিল। এর প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য একটি করে ইতিহাস। এ ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। মার্কিন গণতন্ত্রের পথনির্দেশ আব্রাহাম লিঙ্কনের গেটিসবার্গের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি জাতির বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে মুক্তি লাভের শপথ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা লাভ করে। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখে ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে ডকুমেন্টারি হেরিটেজ (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। মেমোরি অব দা ওয়ার্ল্ডে ইন্টার ন্যাশনাল রেজিস্টারে ৭ মার্চের ভাষণসহ এখন পর্যন্ত ৪২৭টি গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগৃহীত হয়েছে।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, হো চি মিনের ভাষণের মতো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালির মুক্তির আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগায়। যার প্রেক্ষিতে তারা স্বাধীনতার পবিত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়। তাই ৭ই মার্চের ভাষণ একটি ইতিহাস।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
163

Related Question

View All
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন আদায়, সামরিক শাসনের অবসান ও ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে দেশবাসীকে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ফলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে সামরিক শাসনের অবসান, পূর্ব পাকিস্তানে স্বায়ত্ত্বশাসন ও ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
কেননা এতে ক্ষমতার পালা বদলের আশা তৈরি হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
671
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত ফিলিস্তিনের নির্বাচনের সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মিল রয়েছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, নির্বাচনে হামাসের কাছে পিএলও হেরে গেলেও প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করে। এতে ফিলিস্তিনের দুই অংশ গাজা ও পশ্চিম তীর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উদ্দীপকের নির্বাচন ও ক্ষমতা ছাড়ার অস্বীকৃতির সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ও ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা ছাড়ার অস্বীকৃতির ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে। কেননা ফিলিস্তিনের অনুরুপ ঘটনা পাকিস্তানেও ঘটেছিল। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পতনের পর ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা গ্রহণ করে ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে দেশবাসীকে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে নির্বাচিতদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই ঘোষণা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। ১৯৭০ সালের ২৮ মার্চ ইয়াহিয়া খান নির্বাচনসংক্রান্ত আইন কাঠামোর ধারাগুলো ঘোষণা করে বলেন ১৯৭০ সালের ১ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ ও ৬২১ জন সদস্য নিয়ে এটি প্রাদেশিক পরিষদ হবে। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ ও ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ১২ নভেম্বর ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ংকরী ঝড়ের কারণে ৯টি প্রাদেশিক পরিষদের ১৭টি আসনের নির্বাচন হয় ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি।
বঙ্গবন্ধু এ নির্বাচনে এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অবতীর্ণ হন। এ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭টি মহিলা আসনসহ ১৬৭টি আসন লাভ করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসন লাভ করে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা করতে থাকে। যার প্রেক্ষিতে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে।
অতএব উদ্দীপকের নির্বাচন ও নির্বাচনে হেরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতির ঘটনার সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।'

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
251
উত্তরঃ

উদ্দীপকের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা পাকিস্তানের অবস্থার মতো ছিল না। উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত

উদ্দীপকে প্রেসিডেন্ট ইসমাইল হানিয়া ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জনালে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হামাসের অধীনে গাজা এবং পিএলও-এর অধীনে থাকে পশ্চিম তীর। যদি উভয়ই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অধীনেই থাকে। কিন্তু উদ্দীপকের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থার মতো পাকিস্তানের অবস্থা ছিল না। কেননা। ফিলিস্তিন একই রাষ্ট্র থাকলেও ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সৃষ্ট বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও এর প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ফলে একসময় পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। আওয়ামী লীগ ৭০-এর নির্বাচনে জিতলে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা শুরু করে। ১৯৭১ সালে ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও ১ মার্চ তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেন। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত হয়। 'জয় বাংলা' "পদ্মা-মেঘনা-যমুনা/তোমার আমার ঠিকানা" 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধর বাংলাদেশ স্বাধীন কর।' স্লোগানে সারাদেশ মুখরিত হয় এবং ২ মার্চ পুলিশের গুলিতে শত শত লোক হতাহত হয়। পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ঢাকার পল্টন ময়দানে আহূত জনসভা থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশ শুরুর ঘোষণা দেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বাঙালির বুকের তাজা রক্ত মাড়িয়ে ১০ মার্চে সর্বদলীয় বৈঠক বর্জন করেন। তিনি ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। যার প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠে আন্দোলন। পাকিস্তান সরকার এ আন্দোলন দমনে ২৫ মার্চ গণহত্যায় চালায় ফলে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ৯ মাসের যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামক নতুন দেশ।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ও তার প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে নতুন দেশ সৃষ্টির সাথে উদ্দীপকের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থার ভিন্নতা রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
308
উত্তরঃ

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দিক নির্দেশনা ও বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয়।
৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ৭ মার্চের ভাষণে লক্ষকোটি জনতার, উপস্থিত অনুপস্থিত শ্রোতার মনে স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়। তারা এ ভাষণে উজ্জীবিত হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝুঁপিয়ে পড়ে এবং মুক্তির আশা লাভ করে। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে 'ডকুমেন্টরি হেরিটেজ' বা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য ঘোষণা করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
215
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews