ভূ-পৃষ্ঠ হতে 1200 km উচ্চতায় একটি 300 kg ভরের কৃত্রিম উপগ্রহ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। (G = 6.673×10-11Nm2kg-2, M = 6×1024kg,R= 6.4×106 m, g = 9.8ms-2)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ বলের ঘাত হলো বল এবং বলের ক্রিয়াকালের গুণফল। এটি বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের সমান।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

মুক্তিবেগ হলো সর্বনিম্ন বেগ যা কোনো বস্তুকে কোনো মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র থেকে চিরতরে মুক্ত করতে পারে। এই মুক্তিবেগের মান বস্তুর ভরের উপর নির্ভরশীল নয়।

মুক্তিবেগের সূত্র হলো \(v_e = \sqrt{\frac{2GM}{R}}\)। এখানে, \(G\) হলো মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, \(M\) হলো পৃথিবীর ভর এবং \(R\) হলো পৃথিবীর ব্যাসার্ধ। এই সূত্রে বস্তুর ভরের (m) কোনো পদ নেই। এই সূত্রটি মহাকর্ষীয় বিভব শক্তি ও গতিশক্তির সমীকরণ থেকে প্রতিপাদন করা হয়, যেখানে বস্তুর ভর উভয় পক্ষ থেকে বাতিল হয়ে যায়। এই কারণেই মুক্তিবেগ বস্তুর ভর নির্বিশেষে একই থাকে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল নির্ণয়ের জন্য আমাদের পৃথিবীর ভর, মহাকর্ষীয় ধ্রুবক এবং উপগ্রহের কক্ষপথের ব্যাসার্ধ প্রয়োজন। ভূ-পৃষ্ঠ হতে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা \(h = 1200 \text{ km} = 1.2 \times 10^6 \text{ m}\), পৃথিবীর ব্যাসার্ধ \(R = 6.4 \times 10^6 \text{ m}\), পৃথিবীর ভর \(M = 6 \times 10^{24} \text{ kg}\) এবং মহাকর্ষীয় ধ্রুবক \(G = 6.673 \times 10^{-11} \text{ Nm}^2\text{kg}^{-2}\) দেওয়া আছে। প্রথমে, উপগ্রহের কক্ষপথের মোট ব্যাসার্ধ \(r\) নির্ণয় করতে হবে, যা পৃথিবীর ব্যাসার্ধ এবং উপগ্রহের উচ্চতার যোগফল।

উপগ্রহের কক্ষপথের ব্যাসার্ধ, \(r = R + h = 6.4 \times 10^6 + 1.2 \times 10^6 = 7.6 \times 10^6 \text{ m}\)। এখন, কৃত্রিম উপগ্রহের আবর্তনকাল \(T\) নির্ণয়ের জন্য নিম্নলিখিত সূত্রটি ব্যবহার করা হবে: \[ T = 2\pi\sqrt{\frac{r^3}{GM}} \] এখানে, \[ r^3 = (7.6 \times 10^6)^3 = 438.976 \times 10^{18} \] এবং \[ GM = (6.673 \times 10^{-11}) \times (6 \times 10^{24}) = 40.038 \times 10^{13} \] অতএব, \[ \frac{r^3}{GM} = \frac{438.976 \times 10^{18}}{40.038 \times 10^{13}} \approx 10.9638 \times 10^5 = 1.09638 \times 10^6 \] \[ \sqrt{\frac{r^3}{GM}} = \sqrt{1.09638 \times 10^6} \approx 1047.08 \text{ s} \] সুতরাং, \[ T = 2\pi \times 1047.08 \approx 2 \times 3.14159 \times 1047.08 \approx 6578.88 \text{ s} \] আবর্তনকালকে ঘণ্টায় প্রকাশ করলে: \[ T = \frac{6578.88}{3600} \text{ ঘণ্টা} \approx 1.827 \text{ ঘণ্টা} \]

উপরিউক্ত গাণিতিক বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায় যে, ভূ-পৃষ্ঠ হতে 1200 km উচ্চতায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণরত 300 kg ভরের কৃত্রিম উপগ্রহটির আবর্তনকাল প্রায় 6578.88 সেকেন্ড বা 1.827 ঘণ্টা। এই আবর্তনকাল কৃত্রিম উপগ্রহটির একটি পূর্ণ কক্ষপথ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সময় নির্দেশ করে, যা এর কক্ষপথের ব্যাসার্ধ এবং পৃথিবীর ভরের উপর নির্ভরশীল।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ

একটি কৃত্রিম উপগ্রহকে মহাশূন্যে হারিয়ে যেতে হলে তাকে পৃথিবীর আকর্ষণ ক্ষেত্র থেকে মুক্ত হতে হবে। এর জন্য উপগ্রহটিকে তার কক্ষপথ থেকে মুক্তিবেগ অর্জন করতে হবে। মুক্তিবেগ হলো সেই ন্যূনতম বেগ যা কোনো বস্তুকে পৃথিবীর মহাকর্ষীয় আকর্ষণ থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করতে সক্ষম। যদি উপগ্রহের বেগ তার কক্ষপথের মুক্তিবেগের চেয়ে বেশি হয়, তবে সেটি আর পৃথিবীর চারপাশে ঘুরবে না এবং মহাশূন্যে অসীম দূরত্বে চলে যাবে।

উদ্দীপক অনুসারে, কৃত্রিম উপগ্রহটি ভূ-পৃষ্ঠ হতে \(h = 1200 \, \text{km} = 1.2 \times 10^6 \, \text{m}\) উচ্চতায় পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। পৃথিবীর ব্যাসার্ধ \(R = 6.4 \times 10^6 \, \text{m}\)। সুতরাং, উপগ্রহের কক্ষপথের ব্যাসার্ধ হবে \(r = R + h = (6.4 \times 10^6 + 1.2 \times 10^6) \, \text{m} = 7.6 \times 10^6 \, \text{m}\)।

ঐ উচ্চতায় উপগ্রহটির বর্তমান কক্ষীয় বেগ, \(v_0 = \sqrt{\frac{GM}{r}}\) এখানে, \(G = 6.673 \times 10^{-11} \, \text{Nm}^2\text{kg}^{-2}\) এবং \(M = 6 \times 10^{24} \, \text{kg}\)। \(v_0 = \sqrt{\frac{6.673 \times 10^{-11} \times 6 \times 10^{24}}{7.6 \times 10^6}}\) \(v_0 = \sqrt{\frac{40.038 \times 10^{13}}{7.6 \times 10^6}}\) \(v_0 = \sqrt{5.268 \times 10^7} \approx 7258.9 \, \text{m/s} \approx 7.26 \, \text{km/s}\)

ঐ উচ্চতায় উপগ্রহটির মুক্তিবেগ, \(v_e = \sqrt{\frac{2GM}{r}}\) আমরা জানি, \(v_e = \sqrt{2} \times v_0\) \(v_e = \sqrt{2} \times 7258.9 \, \text{m/s}\) \(v_e \approx 10265 \, \text{m/s} \approx 10.27 \, \text{km/s}\)

অতএব, কৃত্রিম উপগ্রহটিকে মহাশূন্যে হারিয়ে যেতে হলে তার বর্তমান কক্ষীয় বেগ \(7.26 \, \text{km/s}\) থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে \(10.27 \, \text{km/s}\) করতে হবে। এর জন্য উপগ্রহে স্থাপিত রকেট বা থ্রাস্টার (thruster) ব্যবহার করে তার গতিশক্তি বৃদ্ধি করতে হবে যাতে সেটি প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত বেগ ( \(10.27 - 7.26 = 3.01 \, \text{km/s}\) ) অর্জন করতে পারে। এই অতিরিক্ত গতিশক্তি অর্জন করতে পারলে উপগ্রহটি পৃথিবীর মহাকর্ষীয় আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে এবং হারিয়ে যাবে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
202

৭.১ সূচনা

Introduction

গ্রহ-নক্ষত্রের প্রকৃতি, স্বরুপ, গতিবিধি ইত্যাদি সম্পর্কে প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীদের অপরিসীম কৌতূহল ছিল। বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ টাইকো ব্র (Tycho Brahe), জোহান্স কেপলার (Johannes Kepler) গ্রহ, নক্ষত্রের গতিবিধি সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। কেপলার প্রথম উপলব্ধি করেন যে গ্রহগুলো কোন এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরত ঘুরছে। কিন্তু কি ধরনের বল ক্রিয়াশীল তা সঠিকভাবে বোঝাতে সমর্থ হননি। 1681 খ্রিস্টাব্দে মহাবিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন (Sir Isaac Newton) প্রথম “মহাকর্ষ সূত্র' আবিষ্কার করে এ সমস্যার সমাধান করেন। কথিত আছে, নিউটন তাঁর গৃহ-সংলগ্ন বাগানে একটি আপেল গাছের নিচে বসে বই পড়ছিলেন। এমন সময় একটি আপেল তাঁর নিকটে মাটিতে পড়ে। তিনি ভাবলেন গাছের উপরে ফাঁকা, নিচে ফাঁকা, ডানে ফাঁকা এবং বামেও ফাঁকা। আপেল ফল মাটিতে পড়ল কেন ? এই 'কেন' এর উদ্ঘাটন করতে গিয়ে তিনি মহাকর্ষ (Gravitation) এবং অভিকর্ষ (Gravity) আবিষ্কার করেন এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহ-উপগ্রহের আবর্তনের কারণ ব্যাখ্যা করেন। এ অধ্যায়ে আমরা মহাকর্ষ, অভিকর্ষ, নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তি বেগ, কেপলারের সূত্র, গ্রহের গতি ইত্যাদি আলোচনা করব।

৭.২ মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ

Gravitation and gravity

বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজাক নিউটন আবিষ্কার করেন যে এ মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তু বা বস্তু কণার মধ্যে একটি পারস্পরিক আকর্ষণ রয়েছে। দুটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার এই পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে কখনও মহাকর্ষ আবার কখনও অভিকর্ষ বলা হয়। 

এ দুটি বলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ কি ? এদের সংজ্ঞা নিম্নে দেয়া হল : 

মহাকর্ষ : “নভোমণ্ডলে অবস্থিত দুটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে।

অভিকর্ষ : “পৃথিবী এবং অন্য একটি বস্তু বা বস্তুকণার মধ্যকার আকর্ষণ বলকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে।” 

উদাহরণ :

 সূর্য এবং চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ, অপর পক্ষে পৃথিবী ও চন্দ্রের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলই অভিকর্ষ। আরও সোজা ভাষায় বলা যায় পৃথিবী এবং আম গাছের একটি আমের মধ্যকার যে আকর্ষণ বল তা অভিকর্ষ। কিন্তু একই আম গাছের দুটি আমের মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলের নাম মহাকর্ষ।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews