সুকুমার রায়ের 'ভয় পেয়ো না' কবিতাটি শিশু- কিশোরদের জন্য মজা করে লেখা হলেও এর ভেতরে কিছু বার্তা আছে। কবিতাটিতে কাল্পনিক একটি প্রাণীর কথা আছে যা দেখতে ভয়ানক এবং যার মাথায় শিং ও হাতে মুগুর আছে। প্রাণীটি একটি লোককে বলছে যে, বাহ্যিকভাবে দেখতে ভয়ংকর হলেও আসলে সে শান্ত, নিরীহ এবং ক্ষতি করার কোনো ক্ষমতা বা ইচ্ছে তার নেই। লোকটিকে ভালোবেসে যত্নের সঙ্গে আপ্যায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এত অভয় দেওয়ার পরেও যদি লোকটি মিথ্যে ভয় পায় তবে তাকে কামড়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছে। মূলত কবিতাটিতে রূপকের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, কোনোকিছুকে তার বাহ্যিক রূপ দেখে ভয় পাওয়া উচিত নয়, বরং তার ভেতরের বা আসল রূপটি সম্পর্কে জানা উচিত।
Related Question
View Allপ্রাণীটি কুস্তিতে পারবে না বলেছে লোকটিকে অভয় দেওয়ার জন্য। লোকটি যেন ভয় না পায় তাই প্রাণীটি তাকে না মারার কথা বলেছে এবং কুস্তিতে সে পারবে না বলে আশ্বস্ত করেছে।
প্রাণীটির মন বড্ড নরম ও শান্ত স্বভাবের। কেননা তার হাড়ে কোনো রাগ নেই।
প্রাণীটির লোকটিকে চিবিয়ে খাওয়ার সাধ্য নেই। কেননা তার মন খুব নরম এবং তার হাড়ে কোনো রাগ নেই।
প্রাণীটির মাথায় অসুখ। তাই তার মাথায় শিং থাকলেও সে কাউকে গুঁতায় না।
প্রাণীটি লোকটিকে তার বাসস্থান গর্তে থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। সেখানে চার দিন বাস করতে বলেছে।
প্রাণীটি লোকটিকে তার গর্তে চার দিন বাস করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তাকে সে রাত-দিন আদর করে শিকেয় তুলে রাখতে চেয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!



