মইন গরিব বর্গাচাষি। পুকুর আছে মাছের খাদ্য দিতে পারেন না। বাড়িতে বিদ্যুৎ নেই। রান্নার জ্বালানি নেই। ছেলেমেয়েরা অপুষ্টিতে ভুগছে। জমিতে সার দেয়ার টাকা নেই। প্রতিদিন বাজার করার টাকা নেই। এনজিও কর্মী তাকে Mvwf ক্রয়ের পরামর্শ দেন। তিনি ঋণ নিয়ে বাছুরসহ গাভি ক্রয় করেন। গাভিটি দৈনিক প্রায় ১০ লিটার দুধ দেয়। মইন গাভিটি দিয়ে সকল সমস্যার সমাধান করেন। তিনি আরও গাভি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

বাচ্চা প্রসব করেছে (এক বা একাধিক বার) এমন স্ত্রী গরু হলো গাভি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

পর্যাপ্ত ও গুণগত মানসম্পন্ন দুধ উৎপাদনের জন্য উন্নতজাতের দুগ্ধবতী গাভি নির্বাচন করতে হয়।

দুগ্ধবতী গাভির ওলান বড়, সুগঠিত, চওড়া এবং শক্তভাবে দেহের সাথে আটকানো থাকে। ওলানের বাঁট চারটি সমান আকৃতির ও সমান দূরত্বে অবস্থান করে। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিখুত, সুন্দর ও আকর্ষণীয় চেহারার হয়। দেহ বেশ বড় এবং দেহের সামনের দিকে সরু এবং পিছনের দিকে ভারী হয়। চামড়া পাতলা ও মসৃণ হয়। মাথা মাঝারি, কপাল প্রশস্ত এবং চোয়াল শক্ত ও চওড়া হয়। এসকল বৈশিষ্ট্য দেখে দুগ্ধবতী গাভি নির্বাচন করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

 উদ্দীপকে উল্লিখিত মইন সফলভাবে গাভি পালন করে তার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন।

মইন প্রথমে ঋণ নিয়ে বাছুরসহ গাভি ক্রয় করেন। তার গাভি দৈনিক প্রায় ১০ লিটার দুধ দেয়। উক্ত দুধ বিক্রির মাধ্যমে তিনি তার আর্থিক অস্বচ্ছলতা কাটিয়ে ওঠেন। মইনের বাড়িতে বিদ্যুৎ ও রান্নার জ্বালানি না থাকায় তিনি বায়োগ্যাস তৈরি করেন। এই বায়োগ্যাসে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করেন তার গরু থেকে প্রাপ্ত গোবর। বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট থেকে উৎপন্ন গ্যাস দিয়ে বাড়িতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করেন এবং জ্বালানি হিসেবেও ব্যবহার করেন। বায়োগ্যাস উৎপন্নের পর প্ল্যান্ট থেকে প্রাপ্ত ব্যবহৃত গোবর পুকুরে উৎকৃষ্ট মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করেন। এছাড়া এই গোবর জমিতে জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করেন। তার গাভির দুধ বিক্রির পাশাপাশি ছেলে মেয়েদের পুষ্টির অভাব পূরণ করেন। এভাবে গাভি পালনের মাধ্যমে নির্দিস্ট সময় পর আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হন এবং তার পুকুর ও জমির সমস্যা মেটানোর ফলে সেখান থেকেও কাঙ্ক্ষিত ফলন পান। এর মাধ্যমে তিনি ঋণ পরিশোধের পাশাপাশি বাজার করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা উপার্জন করতে পারেন। উপরিউক্তভাবে উদ্দীপকের মইন গাভি দিয়ে তার সমস্যার সমাধান করলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মইন একটি গাভি দিয়ে লাভের মুখ দেখায় আরও কয়েকটি গাভি কেনার সিদ্ধান্ত নিলেন। অর্থাৎ তিনি দুগ্ধ উৎপাদন খামার স্থাপনে আগ্রহী হলেন। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তার এ সিদ্ধান্তকে আমি সঠিক বলে মনে করি।

বাংলাদেশ একটি কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের অধিকাংশ লোকই গ্রামে বাস করে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তারা কৃষিকাজের সাথে যুক্ত। দুগ্ধবতী গাভি পালন করে তারা পরিবারের জন্য বাড়তি অর্থের যোগান দিতে পারে। এছাড়া বর্তমানে প্রকট বেকার সমস্যা দূরীকরণে দুগ্ধ খামারকরণ একটি যুগোপযোগী ব্যবস্থা। যে খামারটি যত বড় সে খামারের তত বেশি লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। খামারে উৎপাদিত দুধ থেকে দেশের প্রয়োজনীয় আমিষের অভাব পূরণ হয়। এছাড়া দুধ থেকে তৈরি বিভিন্ন মিষ্টান্ন খাবার মুখরোচক হওয়ায় তা বিক্রি করে অধিক মুনাফা অর্জন করা যায়। এছাড়া গবাদিপশুর উপজাত যেমন- চামড়া, শিং, দাঁত, হাড় ইত্যাদি থেকে বহু মূল্যবান সামগ্রী তৈরি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা যায়। গরুর গোবর জমিতে উৎকৃষ্ট মানের সার হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়া বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট তৈরির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও বৈদ্যুতিক চাহিদা মেটানো যায়।

এই দুগ্ধ উৎপাদন খামার স্থাপনের মাধ্যমে মইন নিজের পারিবারিক উন্নতির সাথে সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে। উদ্দীপকে মইনের কার্যক্রম দেখে বেকার যুবক-যুবতিরা উৎসাহিত হবে। তাই তার উদ্যোগটি সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
92

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাইলেজ (Silage) হলো রসালো অবস্থায় ফুল আসার পূর্বে সবুজ ও সতেজ ঘাসকে (ভুট্টা, নেপিয়ার, গিনি ইত্যাদি) কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণকৃত খাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
398
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন তথা গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। এদেশের কৃষিখাতের আয়ের একটি বিরাট অংশ নির্ভর করে পশুসম্পদের উপর। গরু, মহিষ ও ছাগলের মাংস, দুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন উপজাত দ্রব্যাদি যেমন- হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ইত্যাদি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কৃষিকাজ, গাড়িটানা, সেচকাজ, ঘানিটানা, ভারবহন, বিনোদন প্রভৃতি কাজে গবাদিপশুর বহুল ব্যবহার হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে পশুসম্পদের অবদান প্রায় ১৬.৫২%। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণেও গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের দুগ্ধ খামারের গাভিগুলো হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। নিচে এদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- 

i. দুধাল জাতের মধ্যে এরা সবচেয়ে বড় আকারের গরু। এদের গায়ের রং সাধারণত সাদা-কালো ছোপ ছোপ হয়। 

ii. মাথা লম্বাটে, সরু ও সোজা হয়। এদের কুঁজ উঁচু হয় না। 

iii. দিনে ৩০ লিটারের বেশি দুধ দেয়। দুধে চর্বির পরিমাণ ৩.৫- ৪%। 

iv. বড় আকারের গাভির ওজন ৫০০-৬০০ কেজি এবং ষাঁড়ের ওজন ৮০০-১০০০ কেজি হয়। 

V. বকনা ১৮ মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয় এবং ৩০ মাসে বাচ্চা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
504
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের খামারের গরুগুলো ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত।

ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ৬ মাস বয়সে পশুকে টিকা দিতে হবে। পরে প্রতি বছরে একবার করে টিকা দিতে হবে। এছাড়া সুস্থ পশুকে আক্রান্ত পশু হতে পৃথক রাখতে হবে এবং আক্রান্ত পশুর মল, রক্ত ও মৃতদেহ মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। সর্বোপরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত শুকনো স্থানে পশু লালন-পালনের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু হতে আলাদা করে পরিষ্কার ও শুকনা জায়গায় রাখতে হবে। আক্রান্ত পশুকে কচি ঘাস ও তরল খাবার যেমন ভাতের মাড় বা জাউভাত খেতে দিতে হবে। আক্রান্ত পশুর মুখের বা পায়ের ঘা-এর চিকিৎসা করাতে হবে। মুখের ক্ষত ও জিহ্বা প্রত্যহ ২/৩ বার পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) অথবা ফিটকিরি বা এলম (২%) দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। ৩% আইওসান সলিউসান দ্বারা ক্ষতস্থান দৈনিক ৩ বার করে ৩ ৫ দিন ধুয়ে দিতে হবে। অথবা মুখের ঘা-এ সোহাগার খৈ গুঁড়া করে মধু বা ঝোলাগুড়ের -সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে। আইওসান দ্বারা ধোয়ার পরপরই ক্ষতস্থানে এন্টিবায়োটিক পাউডার লাগিয়ে অথবা পায়ের ক্ষত স্থানে তুঁতে (১%) অথবা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (২%) অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) সলিউশন দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। এরপর | গন্ধকের গুঁড়া বা সালফানিলামাইড পাউডার দিনে ২-৩ বার লাগাতে হবে। নারিকেল তেল ও তারপিন তেল ৪:১ অনুপাতে মিশিয়ে ঘা-এ লাগাতে হবে যাতে ক্ষতস্থানে মাছি না পড়ে। প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শে উপরোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করে রুহুল আমিন তার খামারে ক্ষুরারোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
428
উত্তরঃ

সুষম খাদ্য বলতে যে খাদ্যে সকল খাদ্য উপাদান সুনির্দিষ্ট পরিমাণে বা অনুপাতে থাকে সে খাদ্যকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
384
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews