মজনু বেগ গত দশ বছর স্ত্রীপুত্র নিয়ে থাকেন আমেরিকায়। আমেরিকা থেকে তিনি একবার দু পাকিস্তানি বন্ধুকে নিয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন। এদেশে এসে তিনি বন্ধুদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন কোন কাজ করলে শাস্তি পেতে হবে তার বর্ণনা দেন। বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক প্রণীত এমন সব কর্মের কথা শুনান যেগুলো করলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। তার বন্ধুরা এসব জানতে পেরে অনেক সচেতনতার সাথে চলাফেরা করতে থাকে। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে আইনের উৎস ৬টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

আইনের অন্যতম সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো অনুমোদন ও স্বীকৃতি তার কারণ হলো- আইন হতে গেলে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রচিত, অনুমোদিত ও স্বীকৃতি প্রাপ্ত হতে হবে। রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি ছাড়া কোনো বিধিবিধানই আইনে রূপ নিতে পারে না। প্রচলিত নিয়মকানুন বা প্রথাসমূহ সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত এবং অনুমোদিত হলেই তা আইন বলে গণ্য হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মজনু বেগের দেওয়া পরামর্শে পাঠ্যপুস্তকের যে ধারণার প্রতিচ্ছবি প্রকাশিত হয়েছে তা হলো আইনের ধারণা তিনি তার বন্ধুদেরকে দেশের প্রচলিত আইনের বিষয়াদি সম্পর্কে অবহিত করেন। নিচে আইনের ধারণার ব্যাখ্যা প্রদান করা হলো- প্রচলিত সাধারণ অর্থানুসারে আইন হলো কতকগুলো বিধিবিধান বা নিয়মকানুন যা পালন করা হয়। সামাজিক জীব হিসেবে মানুষ কতকগুলো আইন মানতে বাধ্য থাকে। সামাজিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেমন- পরিবার, ক্লাব, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সর্বত্রই মানুষ একটি নিয়মের অধীনে থেকে কাজ করে। এ নিয়মসমূহ হলো আইন। আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ Law যা মূলত টিউটনিক মূল শব্দ Law থেকে এসেছে। উৎপত্তি অনুসারে এর অর্থ হলো স্থির-অপরিবর্তনীয় অথবা সর্বক্ষেত্রে সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। আবার কার্যকারণ সম্পর্ক বা প্রাকৃতিক নিয়মকেও আইন বলা হয়ে থাকে। অন্যদিকে, পৌরনীতিতে আইন সুনির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়। এখানে আইন হলো এমন আদেশ বা বিধিবিধান যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ তথা রাষ্ট্র অনুমোদন করে।
অন্যদিকে, স্যার হেনরি মেইন ভিন্নমত পোষণ করে বলেন যে, "রাষ্ট্রীয় আদেশই কেবল আইনের একমাত্র উৎস নয়। কেননা প্রত্যেক দেশে এমন বহু আইন আছে, যা প্রথাকেন্দ্রিক এবং সরকার তা রচনা করে নি।" যেমন- সতীদাহ প্রথা অনুমোদন পায় বলেই তা আইন হতে পারে নি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
উত্তরঃ

মনজু বেগের দেওয়া তথ্যে আইনের ধারণা প্রকাশিত হয়েছে।
তার প্রমাণ তিনি তার পাকিস্তানি বন্ধুদের দেশের প্রচলিত আইনের শাস্তিরও তথ্য প্রদান করেছেন। আর তাই বলা যায়, তার ধারণা যেহেতু আইনের, আর আইনের রয়েছে অনেকগুলো বৈশিষ্ট্যঅ নিচে আইনের বৈশিষ্ট্যগুলোর মূল্যায়ন করা হলো-

প্রথমত, আইন হতে হবে অনুমোদন ও স্বীকৃতি- আইন হতে গেলে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রচিত, অনুমোদিত ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত হতে হবে। রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি ছাড়া কোনো বিধিবিধানই আইনে রূপ নিতে পারে না। প্রচলিত নিয়মকানুন বা প্রথাসমূহ সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত এবং অনুমোদিত হলেই তা আইন বলে গণ্য হবে। 

দ্বিতীয়ত, আইন প্রধানত মানুষ বাহ্যিক আচার-আচরণ ও ক্রিয়াকলাপকে নিয়ন্ত্রণ থাকে। মানুষের চিন্তাচেতনা, ধ্যানধারণা ও অনুভূতির সাথে আইনের প্রত্যক্ষ কোনো যোগসূত্র নেই।
তৃতীয়ত, সর্বজনীনতা আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। সমাজের সকল ব্যক্তিই আইনের দৃষ্টিতে সমান। জাতি-ধর্ম, বর্ণ, নারী-পুরুষ, ধনী-নির্ধন, রাজা-প্রজা সকলেই আইনের আওতাভুক্ত থাকবে।
চতুর্থত, শাস্তিযোগ্য কেউ আইন অমান্য করলে শাস্তি পেতে হয়। আইন অমান্য করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সর্বোপরি আইন পালনের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা হয় এবং অধিকার আদায় করা সম্ভব হয়।
আইনের মূলকথা, আইন প্রতিষ্ঠার কারণ এবং আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
47
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন।

আইনের শাসন বলতে মূলত বোঝানো হয় রাষ্ট্রীয় জীবনে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকারের সংরক্ষণকে। সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক বিরোধী পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এর শর্ত। স্বাধীন নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও বিচার বিভাগ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। এটি জনগণের অধিকার রক্ষার রক্ষাকবচ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
205
উত্তরঃ

আইনের শাসন গণতন্ত্রের ভিত্তি। মমতাজ সাহেব গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় লেখনী ধারণ করেন।

তিনি আইনের শাসনকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় মূল্যবোধের বিকাশের মূল হিসেবে দেখেছেন। যথাযথ আইনের শাসনের মাধ্যমে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়। জনগণের জীবন, স্বাধীনতা ও সম্পত্তির নিশ্চয়তা লাভ করে। আইনের শাসনের মাধ্যমে 'সকল নাগরিক সমান' এ নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। নিরপেক্ষ ও স্বাধীন বিচার বিভাগে সমান সুযোগের ভিত্তিতে সবাই বিচার লাভ করবে। দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে সবাই নিরাপত্তা লাভ করবে। আইনের শাসনের এ বিষয়গুলো মূলত গণতন্ত্রের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রধানত সংখ্যাগুরুর মতামতের ভিত্তিতে পরিচালিত শাসনব্যবস্থা। এতে সংখ্যালঘুরাও সমান সুযোগ পাবে, মত প্রকাশের সমান অধিকার থাকবে। আইনের শাসন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে, গণতন্ত্র চর্চাকে পরিশীলিত করে এবং সুশাসন নিশ্চিত করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
178
উত্তরঃ

প্রচলিত সাধারণ অর্থানুসারে আইন হলো কতকগুলো বিবিবিধান যা মানুষ সামাজিক প্রাণী হিসেবে মানতে বাধ্য থাকে। অন্যদিকে, স্বাধীনতা বলতে যা খুশি তাই করার ক্ষমতাকে বোঝায়। আপাতদৃষ্টিতে আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর বিরোধী দুটি বিষয়। কিন্তু মমতাজ সাহেবের উত্থাপিত বিষয়টি আমাদেরকে বলতে চাচ্ছে যে, আইন স্বাধীনতার সহায়ক।

বস্তুত আইন ও স্বাধীনতা পরস্পর ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। আইন স্বাধীনতার রক্ষক ও অভিভাবক। আইন না থাকলে স্বাধীনতা থাকতে পারে না। আইন আছে বলেই স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করা যায়। আইন স্বাধীনতাকে সম্প্রসারিত করে। উইলোবি এজন্যই বলেছেন যে, "আইন আছে বলেই স্বাধীনতা রক্ষা পায়।" অন্যদিকে, স্বাধীনতা না থাকলে আইন অর্থহীন হয়ে যায়। কেননা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকলে আইনের প্রয়োগ সম্ভব হয় না। আইন আছে বলেই কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আইনের বলেই স্বাধীন বাংলার মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। আইন না থাকলে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, মৌলিক অধিকার অর্থহীন হয়ে যায়। আইনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অধিকার দ্বারাই জনগণ সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে স্বাধীনতা লাভ করে। আইন না থাকলে দুর্বলের স্বাধীনতা রক্ষা করা কতটা সম্ভব হতো তা প্রশ্ন সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্যই বলা যায়, সাংবাদিক মমতাজ সাহেবের উত্থাপিত বিষয়টি যথার্থ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
223
উত্তরঃ

আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
216
উত্তরঃ

মূল্যবোধ বলতে তুলনামূলক অর্থমূল্য বা অন্তর্নিহিত গুণাবলিকে বোঝানো হয়। আর সমাজে প্রচলিত মূল্যবোধ বলতে বোঝানো হয় এমন রীতিনীতি, আদর্শ ও লক্ষ্য যা সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং সমর্থিত। সমাজের বৃহত্তর অংশ দ্বারা মূল্যবোধ সমর্থিত হতে হবে। এটি কোনো স্থির বিষয় নয়। সমাজ-স্থান-কাল-পাত্রভেদে মূল্যবোধ পরিবর্তনশীল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
11 months ago
204
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews