মজিদ লালসালুকে ঘিরে যে মিথ্যা মাজারটি তৈরি করেছে সেটা দিয়েই তার জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। এটি নিরাপদ করার জন্য সে একদল ভক্ত শ্রেণিও তৈরি করে। এলাকার শিক্ষিত শ্রেণি যখন মজিদের এই মিথ্যার প্রতিরোধে সোচ্চার হলো তখন সে তার ভক্তদের নিয়ে প্রতিরোধকারীদের নিঃশেষ করতে উঠেপড়ে লাগল। ফলে উভয় পক্ষ প্রথম সরাসরি যে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয় তাতে শিক্ষিত শ্রেণিই জয়লাভ করে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

হিজরতের সময় হযরত মুহাম্মদ (স)-এর সঙ্গী ছিলেন হযরত আবু বকর (রা)।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।
'আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত উভয়পক্ষের প্রথম লড়াইয়ের সাথে ইসলামের ইতিহাসের বদরের যুদ্ধের সামঞ্জস্য রয়েছে।

অন্যায়, অমঙ্গল আর অসত্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ন্যায়, মঙ্গল আর সত্যই জয়ী হয়। কারণ সত্যের শক্তি এতটাই দীপ্তমান যে, এর সামনে কোনো মিথ্যা অন্যায় টিকে থাকতে পারে না। বদরের যুদ্ধের ইতিহাস আর উদ্দীপকের ঘটনাটিতেও অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের জয় হয়েছে। মক্কার কুরাইশদের শত্রুতা, ইহুদি আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর ষড়যন্ত্র, মক্কাবাসীদের দস্যুবৃত্তি ও লুটতরাজ এবং কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের মিথ্যা প্রচারণা প্রভৃতি কারণে ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ মক্কায় বদর নামক প্রান্তরে ইসলামের ইতিহাসের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে আবু জেহেলের নেতৃত্বে কুরাইশদের সৈন্যসংখ্যা ছিল ১০০০ জন। অপরদিকে মুসলমানদের সৈন্যসংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন। এত স্বল্প সংখ্যক সৈন্য নিয়েও ন্যায়ের শক্তিতে বলীয়ান মুসলিম বাহিনী এ যুদ্ধে জয়ী হয়। এ যুদ্ধে মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস ছিল প্রখর। কারণ তারা ছিল সত্যের পক্ষে। তাই তারা দীপ্ত শপথে যুদ্ধ করে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে ছিল বলেই এ যুদ্ধে মহান আল্লাহ তাদের বিজয় সুনিশ্চিত করে। ফলে এ যুদ্ধে অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের বিজয় ঘটে। উদ্দীপকেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি লক্ষ করা যায়। মিথ্যা, প্রতারণা আর ভণ্ডামির বিরুদ্ধে সত্যান্বেষী মানুষের সংগ্রাম সফল হয়। মজিদের প্রতারণার ফাঁদকে মিথ্যা প্রমাণিত করে এলাকার শিক্ষিত শ্রেণি সত্যকে উন্মোচন করে এবং সত্যের বিজয় ঘটে। সুতরাং সত্যের বিজয়ের দিক দিয়ে বদর যুদ্ধের সাথে উদ্দীপকের ঘটনার সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

স্বার্থগত বিষয় বিবেচনায় উদ্দীপকের মজিদ মক্কার কুরাইশদেরই প্রতিনিধিত্ব করছে।

স্বার্থান্ধ মানুষেরা নিজেদের স্বার্থে আঘাত লাগলেই সমাজে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের মজিদ তার বাস্তব দৃষ্টান্ত। মক্কার কুরাইশরাও স্বার্থগত কারণে মহানবি (স)-এর বিরোধিতায় অবতীর্ণ হয়। মহানবি (স) ইসলাম প্রচার করতে থাকলে মক্কার কুরাইশগণ ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে। কেননা এতে তাদের পুরোহিতের একচেটিয়া অধিকারের ভিত্তি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে থাকে। মক্কার কুরাইশরা তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ধর্মীয় কর্তব্যগুলো থেকে দূরে সরতে বাধ্য হয়। তাছাড়া সিরিয়া ও পারস্যের বাণিজ্য পথে মদিনা অবস্থিত ছিল। কুরাইশদের সাথে এ দুই দেশেরই বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। কিন্তু রাসুল (স)-এর ইসলাম প্রচারের কাজ মদিনায়ও সম্প্রসারিত হচ্ছিল। ফলে বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় কুরাইশরা রাসুল (স)-এর সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত মজিদও নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য লালসালুকে ঘিরে একটি মিথ্যা মাজার তৈরি করে। আর নিজের স্বার্থ উদ্ধারে যাতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে, সেজন্য প্রতিরোধকারী শিক্ষিত শ্রেণির সাথে সে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে। নিজের অন্যায় কাজ আর ভণ্ডামিকে টিকিয়ে রাখতে সে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, স্বার্থগত দিক থেকে উদ্দীপকের মজিদ ও কুরাইশদের অভিন্নতা সম্পর্কিত প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
29
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
56
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
57
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
307
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews