মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে র‍্যালির আয়োজন করলে সকল শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী খুব ভোরে খালি পায়ে র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে। সকল শিক্ষার্থী ফুলের তোড়া নিয়ে সারিবদ্ধভাবে শহিদ মিনারে শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য এগিয়ে যায়। এ সময় সবাই সমস্বরে গাইতে থাকে 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

লাহোর প্রস্তাব হলো ১৯৪০ সালে এ. কে. ফজলুল হক কর্তৃক উত্থাপিত মুসলমানদের স্বার্থ-সংবলিত একটি প্রস্তাব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

আইয়ুব খানের অগণতান্ত্রিক মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা, আগরতলা মামলা ও সরকারি নির্যাতনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের উভয় অংশে ১৯৬৯ সালে যে দুর্বার গণআন্দোলন হয় তাই '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান একক কোনো কারণে হয়নি। এর পেছনে বহুবিধ কারণ বিদ্যমান ছিল। যেমন- স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি, আগরতলা মামলা দায়ের, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার, মৌলিক গণতন্ত্রীদের অত্যাচার, সামরিক-বেসামরিক আমলাদের দৌরাত্ম্য, ব্যাপক দুর্নীতি, ছয় দফা ও এগারো দফা আন্দোলনের প্রভাব ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে ভাষা আন্দোলনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তৎকালীন পাকিস্তানের অধিকাংশ জনগণের মাতৃভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন। উপস্থিত ছাত্ররা তীব্র প্রতিবাদে 'না না' ধ্বনি দিয়ে ওঠে। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তারা আন্দোলন শুরু করে। ক্রমে সারা পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে মিছিল বের হলে পুলিশ মিছিলে গুলিবর্ষণ করে। ফলে সালাম, বরকত ও জব্বারসহ আরও অনেকে শহিদ হন। ২২শে ফেব্রুয়ারি শহিদদের স্মৃতি রক্ষার্থে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কে. এম. উচ্চ বিদ্যালয় একটি র‍্যালির আয়োজন করে। সকল ছাত্র-শিক্ষক উক্ত র‍্যালিতে খুব ভোরে খালি পায়ে অংশগ্রহণ করে। সকল শিক্ষার্থী ফুলের তোড়া দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহিদ মিনারে এগিয়ে যায় এবং তারা সমস্বরে গাইতে থাকে "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো..." গানটি। যেহেতু শহিদ মিনার এবং উল্লিখিত গানটি ভাষা আন্দোলনে শহিদদের স্মরণে নির্মিত ও রচিত হয়েছে, সেহেতু বলা যায়, উদ্দীপকে ভাষা আন্দোলনের প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত উক্ত আন্দোলন অর্থাৎ ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল প্রেরণা।
ভাষা আন্দোলনই ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি। কেননা ভাষা আন্দোলন জনগণের মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটায়। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতি সর্বপ্রথম নিজেদের স্বতন্ত্র অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে। ভাষা আন্দোলনে সৃষ্ট জাতীয়তাবাদী চেতনা বাঙালি জাতিকে মনে করিয়ে দেয় যে, পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রে বসবাস করলেও তাদের রয়েছে স্বতন্ত্র স্বার্থ, অস্তিত্ব ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য।
ভাষা আন্দোলনের ফলে যে অধিকার সচেতনতা সৃষ্টি হয় তা বাঙালিদের স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায় এবং রাজনৈতিক পট পরিবর্তনকে উৎসাহিত করে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান মূলত ভাষা আন্দোলনেরই প্রত্যক্ষ ফল। ভাষা আন্দোলনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই বাঙালি জাতি স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। অতঃপর ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে।
পরিশেষে বলা যায়, ভাষাকেন্দ্রিক ঐক্যই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি রচনা করে বাঙালি জাতিকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখায় এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
83

পূর্বের অধ্যায়গুলোতে আমরা সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্র, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিক জীবনের বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান সম্পর্কে জেনেছি । এ অধ্যায়ে আমরা ইতিহাস থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে দেশের নাগরিকদের ভূমিকা সম্পর্কে জানব ।

এ অধ্যায় পাঠের মাধ্যমে আমরা-

♦ ভাষা আন্দোলন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ এবং অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ জানতে ও ব্যাখ্যা করতে পারব

♦  দেশপ্রেমের গুরুত্ব ব্যাখ্যা ও উপলব্ধি করতে পারব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

দ্বিজাতি তত্ত্ব ব্রিটিশ ভারতকে রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত করার একটি রাজনৈতিক মতবাদ। এর ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল।

ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমান অধিবাসীরা দুটি আলাদা জাতি- এটাই দ্বিজাতি তত্ত্বের মূল কথা। ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে সভাপতির ভাষণে তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন। তিনি বলেন, "ভারতের হিন্দু ও মুসলমানরা দুটি আলাদা জাতি। তাদের জীবন দর্শন, ধর্মীয় আদর্শ ও সামাজিক রীতিনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।” জিন্নাহ এ যুক্তি দিয়ে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবি করেন। তার এ যুক্তিই উপমহাদেশের ইতিহাসে 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' নামে পরিচিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

উপরের ছবিটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত।
উপরের ছবিতে একটি মিছিলের একাংশ দেখা যাচ্ছে। ছাত্রজনতা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিছিল করছে। এ ছবির সাথে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের মিছিলের সাদৃশ্য রয়েছে। পাকিস্তানের শতকরা ৫৬ জন অধিবাসীর মাতৃভাষা ছিল বাংলা। অথচ পশ্চিম পাকিস্তানকেন্দ্রিক শাসকগোষ্ঠী সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিকভাবে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা যে আন্দোলন শুরু করে, তা-ই ইতিহাসে ভাষা আন্দোলন নামে পরিচিত।
পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে পূর্ব বাংলার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করতে থাকে। ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর প্রতিবাদে পূর্ব বাংলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বে, বুদ্ধিজীবী ও ছাত্র নেতৃত্বের সমন্বয়ে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। শুরু হয় ভাষা আন্দোলন। কয়েক বছর ধরে চলা এ আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভেঙে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সমাবেশ ও মিছিল করে। পুলিশ মিছিলে গুলি চালালে সালাম, বরকত, জব্বারসহ অনেকে শহিদ হন। অতঃপর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243
উত্তরঃ

ছবির লোকগুলোর চেতনাই স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে- সক্ষম হয়- এ উক্তিটির পক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-
ভাষা আন্দোলন তখনকার পূর্ব বাংলা অর্থাৎ পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে প্রথম অধিকার সচেতন করে তোলে। বাঙালি জাতি তার স্বতন্ত্র আত্মপরিচয়ের ব্যাপারে নতুন করে সচেতন হয়ে ওঠে। ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কিছুদিন পর থেকেই বাঙালিরা বুঝতে পারে তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এতে পূরণ হচ্ছে না। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া মুসলিম লীগের ভরাডুবি এবং বিরোধী জোট যুক্তফ্রন্টের বিজয় পূর্ব বাংলার মানুষের রাজনৈতিক চেতনাকে আরও শানিত করে। পাকিস্তানি সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মাতৃভাষাকেন্দ্রিক ভাষা আন্দোলনের ফলে পূর্ব বাংলার হিন্দু-মুসলমান উভয়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটে।
ভাষা আন্দোলনের জের ধরেই ধীরে ধীরে পূর্ব বাংলার ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী সবাই পাকিস্তানিদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠে। ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালিদের মধ্যে যে জোরালো অধিকারবোধের সৃষ্টি হয় তা এ ভূখণ্ডের রাজনৈতিক বিবর্তনকে এগিয়ে নেয়। এর ধারাবাহিকতায়ই ধাপে ধাপে আসে পাকিস্তানি বৈষম্যের বিরুদ্ধে ১৯৬৬ সালের ৬ দফা ও '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল বিজয় পাওয়া আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পাকিস্তানি শাসকচক্র মুক্তিযুদ্ধকে অনিবার্য করে তোলে। পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যমে ১৯৭১ সালে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ।

সুতরাং বলা যায়, ছবির লোকগুলোর চেতনা তথা ভাষা আন্দোলনের চেতনাই কালক্রমে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম দিতে সক্ষম হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243
235
উত্তরঃ

গেরিলা যুদ্ধ একটি বিশেষ রণকৌশল।
গেরিলা যুদ্ধের মূলকথা হচ্ছে বৃহৎ ও নিয়মিত শত্রুবাহিনীর ওপর, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণ, যার উদ্দেশ্য হলো বৃহত্তর বাহিনীকে হয়রানি, নাজেহাল এবং সম্ভব হলে নির্মূল করা। শক্তির পার্থক্যের কারণে গেরিলা যোদ্ধারা যথাসম্ভব সম্মুখযুদ্ধ এড়িয়ে চলে। পেশাদার সেনাদের বদলে সাধারণ জনগণের সমন্বয়ে গেরিলা বাহিনী গঠিত হয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আক্রমণের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা পদ্ধতিকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। গেরিলাদের মধ্যে ছাত্র ও কৃষকের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
751
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews