পন পলিথিনের ব্যাগ তৈরির কারখানায় কাজ করে। উচ্চ চাপ ও তাপের সাহায্যে পলিমারকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পলিথিন উৎপন্ন করা হয়। এ প্রক্রিয়ার সাহায্যে পলিথিন তৈরির কৌশল দেখানো হলো- ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে, ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে পলিমারকরণ প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। পলিথিন তৈরির বিক্রিয়াটি হলো-
উচ্চচাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় ইদানীং এটি তেমন জনপ্রিয় নয়। বর্তমানে টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাইড (TiCl3) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে সাধারণ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে পলিথিন উৎপাদন করা হয়।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানা কাজে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন রকমের পলিমার। এদের কোনোটি প্রাকৃতিক আবার কোনোটি কৃত্রিম। আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি মুহূর্তও কল্পনা করতে পারব না, যখন আমরা কোনো না কোনো পলিমার ব্যবহার করছি না। কিছু কিছু পলিমার আছে, যেগুলো পরিবেশবাদ্ধব, আবার কোনো কোনোটি পরিবেশের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এই অধ্যায়ে আমরা পলিমারকে চিনতে শিখব, কোনটি ব্যবহার করব কোনটি থেকে দূরে থাকব সেটিও আমরা বুঝতে শিখৰ ।
এই অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা :
প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম পলিমার ব্যাখ্যা করতে পারব।
পলিমারকরণ প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম তন্তু ও বস্ত্রের উৎস, বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার বর্ণনা করতে পারব।
তত্ত্ব হতে সুতা তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করতে পারব।
বিভিন্ন প্রকার সুতার বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে পারব।
রাবার ও প্লাস্টিকের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম ব্যাখ্যা করতে পারব।
পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টিতে রাবার ও প্লাস্টিকের ভূমিকা ব্যাখ্যা করতে পারব।
তাপ প্রয়োগ করে বিভিন্ন প্রকার সুতার বৈশিষ্ট্য শনার করতে পারব।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রাবার ও প্লাস্টিকের ব্যবহার ও সংরক্ষণে সচেতন হব।