মনসুর এক শতক জমিতে দুই খণ্ড ধানের বীজতলা তৈরি করল। বীজ বুনে যত্ন নেওয়ায় চারার উৎপাদন ভালো হলো। কিন্তু চারাগুলো জমিতে রোপণের পর ধানের উৎপাদন ভালো হয়নি। কারণ ধান গাছ ব্লাস্ট ও টুংরো রোগে আক্রান্ত হয়েছিল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বীজতুলা থেকে জিনিং করার পর যে বীজ পাওয়া যায় তাকে তুলা বীজ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বীজ বপনের পূর্বে ছত্রাকনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করাকে বীজ শোধন বলে। বপনকৃত বীজ ও উৎপন্ন চারাকে রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বীজ শোধন করা প্রয়োজন। তাছাড়া যেসব ফসলের বীজত্বক শক্ত, সেসব ফসলের বীজের সুপ্তাবস্থা ভাঙার জন্য বীজ শোধন করে নিলে নির্ধারিত সময়ে অঙ্কুরোদগম ঘটে। অর্থাৎ, সুস্থ সবল চারা উৎপাদন, বীজবাহিত রোগ প্রতিরোধ, অঙ্কুরোদগম হার বৃদ্ধি ও ভালো ফলন পাওয়ার জন্য বীজ শোধন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মনসুর এক শতক জমিতে দুই খণ্ড ধানের বীজতলা তৈরি করে। ধানের জন্য চার ধরনের বীজতলা তৈরি করা যায়। প্রতি খণ্ডের বীজতলার আকার ১০ মিটার × ৪ মিটার। নালা বাদ দিয়ে প্রতি খণ্ডের আকার ৯.৫ মিটার × ১.৫ মিটার হবে। বীজতলার চারদিকে ২৫ সেমি জায়গা বাদ দিতে হবে এবং দুই খণ্ডের মাঝখানে ৫০ সেমি জায়গা নালার জন্য রাখতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মনসুরের ধান গাছ ব্লাস্ট ও টুংরো রোগে আক্রান্ত হয়েছিল।

ধান গাছ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে ছত্রাকজনিত ব্লাস্ট রোগ এবং ভাইরাসজনিত টুংরো রোেগ অন্যতম।

ব্লাস্ট রোগের দমন ব্যবস্থাপনা

i. রোগাক্রমণের আগে করণীয়: রোগ প্রতিরোধী জাত ব্যবহার করতে হবে। যেমন- বোরো মৌসুমে বিআর ৩, বিআর ১৪, বিআর ১৫, বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৫, ব্রি ধান ৭৪, আউশ মৌসুমে বিআর ২৪; আমন মৌসুমে ব্রি ধান ৩২, ব্রি ধান ৩৩। রোপণের পূর্বে বীজ শোধন করতে হবে। থায়োফানেট মিথাইল নামক কার্যকরী উপাদানবিশিষ্ট ছত্রাকনাশক ১ লিটার পানিতে ৩ গ্রাম মিশিয়ে ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে বীজ শোধিত হয়। জমিতে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। রোগের প্রাথমিক অবস্থায় পটাশ সার ৫ কেজি/বিঘা জমিতে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

ii. রোগাক্রান্ত মাঠে করণীয়: মাঠে রোগ দেখামাত্র জমিতে পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণ করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে হিনোসান ৮০০ মিলি/হেক্টর অথবা বেনলেট ২.৫ কেজি/হেক্টর স্প্রে করতে হবে।

টুংরো রোগের দমন ব্যবস্থাপনা

i . রোগাক্রমণের পূর্বে করণীয়: টুংরো আক্রান্ত জমির আশেপাশে বীজতলা তৈরি করা যাবে না। রোগ সহনশীল জাত যেমন: বিআর ২২, ব্রি ধান ৩৯, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান ৪২ ইত্যাদি চাষ করতে হবে। পরিত্যক্ত টুংরো আক্রান্ত ধান গাছ, বাওয়া ধান, মুড়ি ধান ও আড়ালী ঘাস থাকলে তা তুলে ধ্বংস করতে হবে।

ii . রোগাক্রমণের পরে করণীয়: হাতের জালের প্রতি টানে বাহন পোকা দেখা দিলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি প্রয়োগ করে সবুজ পাতা ফড়িং দমন করতে হবে।

অতএব বলা যায়, উল্লিখিত উপায়ে ধানক্ষেত রোগমুক্ত রাখার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ফলন লাভ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
122
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের ও অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন অন্যান্য জলজ প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস, চাষ পদ্ধতি, প্রজনন, রোগতত্ত্ব, সংরক্ষণ, পরিবহণ ও বিপণন বিষয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মাৎস্য বিজ্ঞান বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
404
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস প্রায় প্রতি মাসে অথবা প্রয়োজন অনুসারে কৃষকদের নিয়ে কোনো একজন কৃষকের উঠোনে কৃষির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যে বৈঠক করে তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

মূলত উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকেরা কৃষি তথ্য ও সেবা পেয়ে থাকে। উঠোন বৈঠকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো- কৃষকদের মাঝে নতুন প্রযুক্তি হস্তান্তর করা, কৃষিবিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষকদের জ্ঞান, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। ফলে দুর্বল কৃষকরা কৃষি তথ্যে সমৃদ্ধ হয়ে কৃষিকাজে আরও উৎসাহী হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.9k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)। এ প্রতিষ্ঠানটি নিম্নলিখিত কার্যাবলীর মাধ্যমে দেশের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে-

i. ফসলের নতুন নতুন জাত নির্বাচন, উদ্ভাবন ও উন্নয়ন সাধন। 

ii. নির্বাচিত ও উদ্ভাবিত ফসলের জাতসমূহ চাষাবাদের জন্যে অনুমোদনের ব্যবস্থাকরণ এবং উন্নত চাষাবাদ কলাকৌশল উদ্ভাবন। 

iii. বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক গবেষণা প্রকল্প তদারকীকরণ ও পরামর্শ প্রদান। 

iv. উন্নত সেচ প্রযুক্তি উদ্ভাবন। 

V. সার ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন। 

vi. মাটির উর্বরতা রক্ষার উপায় উদ্ভাবন ও উন্নয়ন। 

vii. ফসলের প্রজাতি বা জিন সংরক্ষণ। 

viii. চাষাবাদ ও পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্র উদ্ভাবন। 

ix. কৃষিপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার কৌশল উদ্ভাবন। 

x. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা প্রভৃতির আয়োজনকরণ।

xi. শস্য বিন্যাস পদ্ধতির আধুনিকীকরণ ও উন্নয়ন। 

xii. কৃষি পরিবেশ ও অঞ্চলেভেদে দেশের চাহিদাভিত্তিক কৃষি গবেষণা পরিচালনা। 

xiii. কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান। 

xiv. কৃষিতে আইসিটি এর প্রয়োগকরণ।

পরিশেষে বলা যায়, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন, কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র দূরীকরণে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
361
উত্তরঃ

উদ্দীপকে চাষকৃত ফুলটি হলো ডালিয়া। ডালিয়া ফুল গাছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি আক্রমণ করলে নানাবিধ রোগ হয়। এসব প্রতিরোধে দরকার প্রয়োজনীয় রোগ দমন ব্যবস্থাপনা।

ডালিয়ার পাউডারি মিলডিউ রোগ দমনে গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলতে হবে। রোগের প্রকোপ কম হলে দ্রুত বেগে পানি স্প্রে করেও দমন করা যায়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ১ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩-৫ বার স্প্রে করতে হবে। রোগ দেখা মাত্রই সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- থিয়োভিট ৮০ ডব্লিউজি বা কুমুলাস ডিএফ) ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে অথবা প্রোপিকোনাজোল (যেমন- টিল্ট ২৫০ ইসি) ১ লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ঢলে পড়া রোগ দমনে রোগাক্রান্ত চারা/গাছ তুলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। মেটালেক্সিল + মেনকোজেব (যেমন- রিডোমিল গোল্ড) প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে কন্দ আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে ছায়ায় শুকিয়ে নিয়ে জমিতে বপন করতে হবে। আক্রান্ত গাছে অক্সিক্লোরাইড বা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার ড্যাম্পিং অফ রোগ হলে মেটালেক্সিল ও রিডোমিল গোল্ড প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় ৭ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। ডালিয়ার কান্ড পচা রোগ হলে রোগাক্রান্ত গাছ ধ্বংস করে ফেলতে হবে। ডালিয়ার অ্যানথ্রাকনোজ রোগ প্রতিরোধে কার্বেন্ডাজিম দ্বারা কন্দ শোধন করতে হবে। আর এ রোগে আক্রান্ত গাছে কপার অক্সিক্লোরাইড ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া ভাইরাসঘটিত রোগের কোনো ঔষধ নাই। সুতরাং রোগাক্রান্ত গাছগুলি সঙ্গে সঙ্গে তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। জাবপোকা, থ্রিপস, জ্যাসিড ইত্যাদি পোকা দ্বারা ভাইরাসের বিস্তার হয়। তাই সুস্থ গাছে নিয়মিত ডাইমেক্রন ১০০ ইসি (৫%) দ্রবণ প্রতি ১৫ দিন অন্তর স্প্রে করলে এইসব পোকা দমন করা যায়।

অতএব, উপরে উল্লিখিত বিবিধ রোগ দমন ব্যবস্থাপনা গ্রহণের মাধ্যমে ডালিয়া ফুলের লাভজনক চাষ করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
266
উত্তরঃ

ভূমিক্ষয় হলো বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক শক্তি যেমন- বৃষ্টিপাত, পানি, বায়ু, বরফ, তাপ, মধ্যাকর্ষণ শক্তি, ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া এবং পানি চলাচলের প্রভাবে মৃত্তিকা কণার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অপসারণ হওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
318
উত্তরঃ

মাটিতে হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদমকে মাটির অম্লমান বা মাটির pH বলে। এটি মাটির একটি রাসায়নিক ধর্ম। মাটির অম্লমান বা pH ১-১৪ সংখ্যা দ্বারা উল্লেখ করা হয়। কোনো মাটির pH ৭.০ হলে তাকে প্রশম মাটি ধরা হয় আবার মাটির pH ৭.০ এর নিচে গেলে উক্ত মাটিতে অম্লত্ব সৃষ্টি হয় এবং pH ৭.০ এর উপরে উঠে গেলে মাটির ক্ষারত্ব দেখা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
601
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews