বরাবর,
চেয়ারম্যান
ভালুকগাছি ইউনিয়ন পরিষদ
পুঠিয়া, রাজশাহী।
বিষয়: ফুলবাড়ী গ্রামে একটি পাঠাগার স্থাপনের জন্য আবেদন।
মহোদয়,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন ভালুকগাছি ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমাদের এই গ্রামটি বেশ বড় এবং এখানে বিপুল সংখ্যক স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিক বসবাস করেন।
দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের গ্রামে কোনো পাঠাগার নেই। ফলে আমাদের শিক্ষার্থী ও যুবসমাজ একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি সুস্থ মানসিক বিকাশ এবং জ্ঞানচর্চার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অবসরে অনেকেই অলস সময় কাটাচ্ছে, যা অনেক সময় তাদের বিপথগামী করে তুলছে। গ্রামে একটি পাঠাগার থাকলে সবাই বই পড়ে সময় কাটাতে পারত এবং একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হতো।
অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন, আমাদের গ্রামের তরুণ ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশের কথা বিবেচনা করে ফুলবাড়ী গ্রামে একটি সরকারি পাঠাগার স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।
বিনীত,
গ্রামবাসীর পক্ষে—
শফিক / শাফিনা
ফুলবাড়ী, ভালুকগাছি ইউনিয়ন।
Related Question
View Allবরাবর,
সম্পাদক
দৈনিক প্রথম আলো
প্রগতি সরণি, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
বিষয়: রাজশাহীর একটি স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বেহাল দশা সম্পর্কিত প্রতিবেদন।
জনাব,
আমি 'দৈনিক প্রথম আলো'র রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছি। সম্প্রতি আমি রাজশাহীর একটি স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করি। সেখানকার চিকিৎসাসেবার চরম দুর্দশা এবং অবকাঠামোগত সংকটের চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এই দুর্দশার চিত্রটি জাতির সামনে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি।
অতএব, প্রতিবেদনটি আপনার বহুল প্রচারিত 'দৈনিক প্রথম আলো' পত্রিকায় প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
প্রতিবেদনটি নিচে সংযুক্ত করা হলো:
চিকিৎসক নেই, ওষুধ নেই: রাজশাহীর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চরম দুর্ভোগ
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর একটি স্থানীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বর্তমানে নিজেই ধুঁকছে নানা রোগে। কাগজে-কলমে এটি এলাকার হাজার হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসাস্থল হলেও বাস্তবে এখানে মিলছে না ন্যূনতম চিকিৎসা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসকের কক্ষগুলো তালাবদ্ধ এবং পুরো ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিয়ে জেলা সদরের হাসপাতালে যেতে হয়। অনেক সময় পথেই প্রসূতি মা কিংবা গুরুতর অসুস্থ রোগীর অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির প্রধান সমস্যাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- চিকিৎসক সংকট: নির্ধারিত পদের বিপরীতে কোনো স্থায়ী ডাক্তার নেই।
- ঔষধের অভাব: বিনামূল্যে সাধারণ স্যালাইন ও প্যারাসিটামলও মিলছে না।
- ভেঙে পড়া অবকাঠামো: ছাদ থেকে পলেস্তারা খসছে, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
- পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ: এক্স-রে ও প্যাথলজি মেশিনগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিকল।
এখানে সেবা নিতে আসা ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধ আক্ষেপ করে বলেন, "ডাক্তার দেখাতে এসেছিলাম, কিন্তু এসে দেখি দরজায় তালা। আমাদের গরিবের দেখার কেউ নেই।"
এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া মানুষের মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। একই সাথে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ ও ঔষধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী।
বিনীত,
তামিম/তামিমা
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
দৈনিক প্রথম আলো।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!