তারিখ: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
বরাবর,
শাখা ব্যবস্থাপক,
সোনালী ব্যাংক পিএলসি,
[এখানে আপনার স্থানীয় শাখার নাম লিখুন] শাখা,
[এখানে আপনার এলাকার নাম লিখুন]।
বিষয়: বিশেষ প্রয়োজনে ঋণের জন্য আবেদন।
মহোদয়,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী আপনার ব্যাংকের একজন নিয়মিত গ্রাহক। এই শাখায় আমার একটি সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে, যার নম্বর: [এখানে আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখুন]।
বর্তমানে আমার একটি বিশেষ জরুরি ও পারিবারিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য জরুরিভাবে [টাকার পরিমাণ অঙ্কে ও কথায় লিখুন] টাকা ঋণের প্রয়োজন হচ্ছে। আমি সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছি এবং আমার মাসিক বেতন [এখানে বেতনের পরিমাণ লিখুন] টাকা। আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি যে, ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী ঋণের কিস্তি পরিশোধ করার মতো পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য আমার রয়েছে। ঋণ প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র এই আবেদনের সাথে সংযুক্ত করা হলো।
অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত প্রার্থনা, আমার আর্থিক প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে উল্লেখিত পরিমাণ ঋণ প্রদানে আপনার সদয় মর্জি হয়।
বিনীত,
[আপনার স্বাক্ষর]
নাম: শুভ্র / শুভ্রা
হিসাব নম্বর: [আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর]
বর্তমান ঠিকানা: [আপনার ঠিকানা]
মোবাইল নম্বর: [আপনার সচল নম্বর]
Related Question
View Allতারিখ: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
উপশহর, দিনাজপুর
প্রিয় রাকিব,
আমার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নিস। আশা করি বাড়ির সবাইকে নিয়ে ভালো আছিস। আমিও ভালো আছি। অনেক দিন তোর কোনো চিঠি পাই না, তাই তোকে লিখছি।
গত গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে আমি ঢাকায় গিয়েছিলাম। তখন ঢাকার একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য নিদর্শন 'লালবাগ কেল্লা' ঘুরে দেখার সুযোগ আমার হয়েছিল। তুই তো জানিস, ঐতিহাসিক স্থান দেখার প্রতি আমার দারুণ আগ্রহ। তাই এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তোকে জানানোর লোভ সামলাতে পারলাম না।
আমরা জানি, লালবাগ কেল্লা মুঘল আমলের এক অনন্য কীর্তি। এটি ১৬৭৮ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ মুহাম্মদ আজম শাহ নির্মাণ শুরু করেছিলেন। পরে সুবেদার শায়েস্তা খাঁ এর কাজ এগিয়ে নেন। কেল্লার ভেতরে প্রবেশ করতেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি আমাকে ছুঁয়ে গিয়েছিল। চারপাশের সবুজ ঘাসের গালিচা আর লাল ইটের তৈরি প্রাচীন দেয়ালগুলোর মাঝে ইতিহাসের এক গম্ভীর আবহ বিরাজ করছে।
কেল্লার ভেতরে আমি বিশেষ তিনটি স্থাপনা ঘুরে দেখেছি। প্রথমেই ছিল পরী বিবির মাজার। এটি অসম্ভব সুন্দর সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি। এরপর দেখলাম তিন গম্বুজবিশিষ্ট চমৎকার কেল্লা মসজিদ। সবশেষে বিশাল দরবার হল ও হাম্মামখানা দেখে আমি অভিভূত হয়েছি। দরবার হলের ভেতরের জাদুঘরে মুঘল আমলের বিভিন্ন অস্ত্র, পোশাক ও দুর্লভ তৈজসপত্র সাজিয়ে রাখা হয়েছে। সেগুলো দেখে মনে হচ্ছিল আমি যেন সশরীরে সেই মুঘল যুগে ফিরে গিয়েছি।
কেল্লার সুদৃশ্য ফোয়ারা ও বাগানগুলো এর সৌন্দর্য আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিকেলটা সেখানে কাটিয়ে আমি যেমন আনন্দ পেয়েছি, তেমনই আমাদের দেশের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি। তুই সাথে থাকলে আনন্দটা দ্বিগুণ হতো। তোর এলাকায় এমন কোনো দর্শনীয় স্থান থাকলে আমাকে চিঠিতে জানাস।
আজ আর নয়। তোর আব্বা-আম্মাকে আমার সালাম দিস এবং ছোটদের স্নেহ করিস। ভালো থাকিস।
তোর বন্ধু
মিঠুন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!