যৌথমূলধনী কোম্পানি যে বাজারে শেয়ার বিক্রির প্রথম প্রস্তাব করে তাকে প্রাথমিক বাজার বলে।
অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন এবং এর স্থানান্তরকে বা তা বৈধ করার বিভিন্ন পন্থাকে মানিলন্ডারিং বলে।
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংঘটিত দুর্নীতি বা অপরাধ থেকে উপার্জিত অর্থ মানিলন্ডারিং অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। মানিলন্ডারিং করলে এর জন্য বাংলাদেশে নানা ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত প্লেসমেন্ট, লেয়ারিং ও ইন্টিগ্রেশন এ তিনটি উপায়ে মানিলন্ডারিং সংঘটিত হয়ে থাকে।
উদ্দীপক অনুযায়ী মহসিনের বিনিয়োগকে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ বলা যায়।
পৌর্টফোলিও বলতে একাধিক সিকিউরিটির সমাহারকে বোঝায়। মূলধন একটি সম্পদে বিনিয়োগ না করে একাধিক সম্পদ বা সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করাকে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ বলা হয়।
উদ্দীপকের মহসিন তার মোট মূলধন নিয়ে ৪টি কোম্পানির সমপরিমাণ শেয়ার কেনে। অর্থাৎ তার নিকট বিনিয়োগের জন্য থাকা মূলধন তিনি একাধিক কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেন। যার ফলে তার বিনিয়োগ বণ্টিত হওয়ায় ঝুঁকিও বণ্টিত হবে এবং হ্রাস পাবে। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, উদ্দীপকের আলোকে মহসিনের বিনিয়োগকে পোর্টফোলিও বিনিয়োেগ বলা যায়।
উদ্দীপক অনুযায়ী সিরাজের বিনিয়োগ সিদ্ধান্তটি যথাযথ হয়নি বলে আমি মনে করি।
শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। বুঝে শুনে অভিজ্ঞতার আলোকে বিনিয়োগ-না করলে এ বাজারে লাভের পরিবর্তে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। এ ক্ষতি কমিয়ে ঝুঁকি হ্রাসে পোর্টফোলিও বিনিয়োগ অধিক কার্যকর হয়।
উদ্দীপকের সিরাজ মূলধন বাজারে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু এ বাজার সম্পর্কে তার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। এছাড়া অতিরিক্ত মুনাফার আশায় তিনি মূলধন দিয়ে একটি কোম্পানির শেয়ার কিনেন। যার ফলে ঐ কোম্পানির শেয়ারমূল্য কমে গেলে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হবে না।
উদ্দীপকের সিরাজের উচিত ছিল অভিজ্ঞতা নিয়ে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা। এছাড়া সম্পূর্ণ মূলধন একটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ না করে একাধিক সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ করলে সেক্ষেত্রে শেয়ারমূল্য হ্রাসে মূলধনী ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হতো। কারণ অন্য সিকিউরিটির লাভ দ্বারা ক্ষতি সমন্বয় করা সম্ভব হতো। কিন্তু সম্পূর্ণ মূলধন একটি কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করায় তিনি সে সুযোগ পাবেন না। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপক অনুযায়ী সিরাজের বিনিয়োগ সিদ্ধান্তটি যথার্থ হয়নি।
Related Question
View Allঅবৈধভাবে সম্পদ বা অর্থ উপার্জন এবং অবৈধভাবে এর স্থানান্তরকে মানি লন্ডারিং বলে।
আর্থিক বাজার বলতে সে বাজারকে বোঝায় যেখানে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় করা হয়।
আর্থিক বাজারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মুদ্রাবাজার এবং মূলধন বাজার। মুদ্রাবাজারে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সম্পদ এবং মূলধন বাজারে দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় করা হয়ে থাকে।
প্রাথমিক শেয়ারবাজারে জনাব জনসন তার অর্থ বিনিয়োগ করেছেন।
যে বাজারে একটি কোম্পানির নতুন ইস্যুকৃত শেয়ার বিক্রয় হয় তাকে প্রাথমিক শেয়ারবাজার বলে। প্রাথমিক শেয়ার বাজারে একটি কোম্পানি ব্যক্তিগত উপস্থাপন কিংবা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করে থাকে।
উদ্দীপকের বর্ণনা অনুযায়ী, জনাব জনসন সোনালী ব্যাংক থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব গ্রহণ করে ৪০০টি শেয়ার ক্রয় করেন। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে মূলত প্রাথমিক শেয়ারবাজারেই শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় হয়। এ বাজারে কোনো নিবন্ধিত কোম্পানি সংবাদপত্রের মাধ্যমে বিবরণপত্র ছাপিয়ে কোম্পানিটি সম্পর্কে একটি ধারণা দিয়ে জনগণের নিকট শেয়ার ক্রয়ের আবেদন চাওয়া হয়। অনেক আবেদন পড়লে লটারির মাধ্যমে শেয়ার বণ্টন করা হয়। সুতরাং বলা যায়, প্রাথমিক শেয়ারবাজারে জনাব জনসন তার অর্থ বিনিয়োগ করেছেন।
১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কমিশনের নাম হলো সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।
যে বাজারে বিনিয়োগকারীরা নিজেদের মধ্যে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করে তাকে মাধ্যমিক শেয়ারবাজার বলে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ হলো দুটি মাধ্যমিক শেয়ারবাজার। এ ধরনের স্টক এক্সচেঞ্জসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৬৯ সালে রাষ্ট্রপতির একটি আদেশের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC) গঠিত হয়, যা বাংলাদেশের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইনের মাধ্যমে পুনঃগঠিত হয়।
উদ্দীপকের জ্যাকসন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে স্টক দালালের মাধ্যমে শেয়ার ক্রয় করেন। অর্থাৎ তিনি মাধ্যমিক শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন। এ ধরনের বাজারকে এবং স্টক এক্সচেঞ্জকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত হয়েছে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC)।
স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে জ্যাকসন মাধ্যমিক বাজারে লেনদেন করেন। এ বাজারের সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও যেকোনো ধরনের নিয়ম বহির্ভূত লেনদেন ও জালিয়াতি বন্ধে SEC ভূমিকা রাখে। শেয়ারবাজারে ব্রোকারের মাধ্যমে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করা হয় এবং কোনো ব্রোকার অবৈধ লেনদেনে জড়িত থাকলে SEC এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। এছাড়াও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বিধি বহির্ভূত বা অন্যায়ভাবে কোনো একটি কোম্পানি অন্য কোম্পানির সকল শেয়ার ক্রয়ের প্রক্রিয়াকে প্রতিহত করে।
সুতরাং বলা যায়, শেয়ারবাজার এবং স্টক এক্সচেঞ্জ সমূহকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জামানতযুক্ত দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্রকে বন্ড বলে।
কোনো প্রতিষ্ঠানের স্বল্পমেয়াদি দায় পরিশোধ করার ক্ষমতাকে তারল্য বলে।
যথাযথ তারল্য বজায় রাখা একটি প্রতিষ্ঠানের সফলতার অন্যতম শর্ত। কারণ তারল্য বেশি হলে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা হ্রাস পায়। আবার তারল্য কম থাকলে মুনাফা বৃদ্ধি পেলেও প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!