নিজ অক্ষের ওপর পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনকে সৌরদিন বলে।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এভাবে দেখা যায়, প্রতি ৪ বছর পর পর একটি বাড়তি দিন থাকছে। এই বাড়তি দিন প্রতি ৪র্থ বছরে যোগ হয়ে ৩৬৬ দিন হয়। সেই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে হয়। এরূপ বছরকে অধিবর্ষ বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মাইশা সুইডেনে থাকে এবং মালিহা অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় থাকে।
দেওয়া আছে, সুইডেনের দ্রাঘিমা রেখা = ১৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
এবং ক্যানবেরার দ্রাঘিমা রেখা = ১৫০° পূর্ব দ্রাঘিমা
দুটি স্থানের দ্রাঘিমার ব্যবধান = (১৫০° – ১৫০) = ১৩৫°
আমরা জানি,
১০ দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান = ৪ মিনিট
১৩৫০ “ ” “ ” = (১৩৫ × ৪) মিনিট
= ৫৪০ মিনিট বা ৯ ঘণ্টা
মাইশা সুইডেনের স্থানীয় সময় ভোর ৬টায় মালিহাকে ফোন করেছিল। সুইডেন ক্যানবেরার পশ্চিমে অবস্থিত। এ কারণে ক্যানবেরার স্থানীয় সময় সুইডেনের স্থানীয় সময় থেকে বেশি হবে।
অর্থাৎ ক্যানবেরার স্থানীয় সময়
= ৬ ঘণ্টা + ৯ ঘণ্টা
= ১৫ ঘণ্টা
= ১৫ – ১২
= ৩টা
∴ মাইশা ক্যানবেরার স্থানীয় সময় বিকাল ৩টায় ফোন করেছিল।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মালিহা ক্যানবেরা থেকে ২৮ ডিসেম্বর তারিখে সুইডেনে বেড়াতে যাবে। সুইডেন যেহেতু উত্তর গোলার্ধে এবং ক্যানবেরা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। সে কারণে দুটি, স্থানে একই ধরনের ঋতু বিরাজ করবে না।
২৮ ডিসেম্বর তারিখে উত্তর গোলার্ধে তথা সুইডেনে শীতকাল। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধ তথা ক্যানবেরায় গ্রীষ্মকাল বিরাজ করবে। ২২ ডিসেম্বর সূর্যের দক্ষিণায়নের শেষ দিন। এসময় সূর্য মকরক্রান্তির রেখায় লম্বভাবে (৯০° কোণে) কিরণ দেয় বলে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। দিন বড় হওয়ায় তাপ ও আলো বেশি পায়। ফলে ২২ ডিসেম্বরের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী দেড় মাস দক্ষিণ গোলার্ধ তথা ক্যানবেরায় গ্রীষ্মকাল বিরাজ করবে। কিন্তু উত্তর গোলার্ধ ঐ সময় সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করায় তির্যকভাবে আলো দেয়। ফলে দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হয়। এতে আলো ও তাপ কম পায়। যার ফলশ্রুতিতে উত্তর গোলার্ধ তথা সুইডেনে ২২ ডিসেম্বরের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী দেড় মাস শীতকাল অনুভূত হয়।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, স্থান দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থিত হওয়ায় দিন ও রাত্রি দুই গোলার্ধ বিপরীত হয়। ফলে উত্তর গোলার্ধে শীতকাল এবং দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ঋতু বিরাজ করে।
Related Question
View Allপৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে মেরুরেখা বলে।
সূর্য একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র যা সৌরজগতের সকল গ্রহ ও উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক। ৫৫% হাইড্রোজেন, ৪৪% হিলিয়াম এবং ১% অন্যান্য গ্যাসের সমন্বয়ে সূর্য গঠিত। আর এ সূর্যের মধ্যে মাঝে মাঝে যে কালো দাগ দেখা যায় তাকে সৌরকলঙ্ক বলে। সূর্যের অন্যান্য অংশের চেয়ে সৌরকলঙ্কের উত্তাপ কিছুটা কম থাকে।
দেওয়া আছে
A' চিহ্নিত স্থানটির স্থানীয় সময় সকাল ৭টা A' চিহ্নিত স্থানের পূর্বে B' স্থানটি অবস্থিত হওয়ায় 'B' স্থানের স্থানীয় সময় ' A' চিহ্নিত স্থানের স্থানীয় সময় থেকে বেশি হবে।
অর্থাৎ, ৭টা + ৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট = ১০টা ১৬ মিনিট
সুতরাং 'B' স্থানটির স্থানীয় সময় হবে ১০: ১৬ মিনিট
না, উক্ত তারিখে অর্থাৎ ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবারাত্রির দৈর্ঘ্য একইরূপ হবে না।
ছকে 'A' ও 'B' স্থান দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থিত। 'A' স্থানটি ৩০০ উত্তর অক্ষরেখা বরাবর এবং 'B' স্থানটি ৫০° দক্ষিণ অক্ষরেখায় অবস্থিত। দুটি স্থান দুই গোলার্ধে হওয়ায় ২২ জুন তারিখে দুটি স্থানে দিবা-রাত্রির দৈর্ঘ্য ভিন্ন রকম হবে। অর্থাৎ 'A' স্থানে দিন বড় এবং রাত ছোট হবে। পক্ষান্তরে, 'B' স্থানে দিন ছোট ও রাত বড় হবে। ২১ জুন সূর্যের উত্তরায়নের শেষ দিন। এদিন সূর্য উত্তর গোলার্ধের কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। লম্বরশ্মি অধিক তাপ দেয়। তাছাড়া সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক স্থান জুড়ে এবং অধিক সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে ঐ দিনের পূর্বেকার দেড় মাস এবং পরবর্তী দেড় মাস মোট তিন মাস সূর্য উত্তর গোলার্ধে অধিক তাপ ও আলো দেয় বলে ঐ সময়কালে উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়। এ কারণে ২২ জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে দিন বড় হয় এবং রাত ছোট হয়। পক্ষান্তরে, ২২ জুনে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অনেক দূরে অবস্থান করে। ফলে সূর্য তির্যকভাবে অল্প সময় এবং অল্প স্থানব্যাপী আলো দেয়। এর ফলে দক্ষিণ গোলার্ধে তাপ ও আলো কম পায়। এ কারণে ২২ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট এবং রাত বড় হয়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, 'A' ও 'B' দুটি দুই গোলার্ধে অবস্থানের কারণে দিবা-রাত্রির মধ্যে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে। উত্তর গোলার্ধে দিন বড় এবং রাত ছোট। পক্ষান্তরে, দক্ষিণ গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত বড় হয়।
নিজ অক্ষের ওপর পৃথিবীর একটি পূর্ণ আবর্তনকে সৌরদিন বলে।
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। এভাবে দেখা যায়, প্রতি ৪ বছর পর পর একটি বাড়তি দিন থাকছে। এই বাড়তি দিন প্রতি ৪র্থ বছরে যোগ হয়ে ৩৬৬ দিন হয়। সেই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিনের পরিবর্তে ২৯ দিনে হয়। এরূপ বছরকে অধিবর্ষ বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!