ডিম পোনার কুসুম থলি শেষ হয়ে যাওয়ার পরবর্তী অবস্থাকে রেণু পোনা বলে।
পানির গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য মাছ চাষের পুকুরে চুন প্রয়োগ একটি অত্যাবশ্যকীয় ধাপ। চুন প্রয়োগের ফলে পুকুরের পানির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়, পানির pH ঠিক থাকে, পানির ঘোলাত্ব কমে ও পানি পরিষ্কার হয়, মাছের রোগবালাই দূর হয় এবং সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। অর্থাৎ মাছ চাষের পুকুরে চুন প্রয়োগের উপরিকারিতা অপরিসীম।
রমজান মিয়া সরকারি খাস জমির একটি বিল থেকে অন্যায়ভাবে মৎস্য আহরণ করে।
রমজান মিয়া সরকার কর্তৃক বিধিবদ্ধ আইন অমান্য করেছে। সরকার প্রবর্তিত মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ অনুযায়ী এ আইন কেউ ভঙ্গ করলে সে শাস্তির জন্য বিবেচিত হবে। প্রথমবার আইন ভঙ্গ করে সে সাজা পেয়েছে। আবারও সে একই আইন ভঙ্গ করেছে। এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার আইন ভঙ্গ করায় তার কম পক্ষে ২ মাস হতে সর্বোচ্চ ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং তৎসহ ২,০০০/- টাকা জরিমানা হবে।
রমজান মিয়ার দ্বিতীয়বার আইন ভঙ্গের জন্য উল্লিখিত শাস্তি হতে পারে।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বর্ধিত চাহিদা পূরণের জন্য চাপ বাড়ছে ছোট বড় সব ধরনের মাছের ওপর।
বর্তমানে জেলেরা পোনা ও ডিমওয়ালা মাছ ধরছে নির্বিচারে। কিন্তু তাদের এ কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে মৎস্য সম্পদের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলবে সে সম্পর্কে তারা জানে না। এমন কী মৎস্য সংরক্ষণ আইন ও তার শাস্তি কী হতে পারে সাধারণ জনগণ তা জানে না। মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হলে তাদের জীববৈচিত্র্যেরও বিলুপ্তি ঘটবে, এটা সম্পর্কেও অনেকে অজ্ঞ।
যুবকদের কার্যক্রমের পাশাপাশি যদি সাধারণ জনগণকে মৎস্য সম্পদ 'ধ্বংসের কুফল ও আইন ভঙ্গকারীর শাস্তি সম্পর্কে সচেতন করা যায়, তবে ব্যাপারটি পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করবে বলে আমি মনে করি।
Related Question
View Allগবাদিপশু যে সকল উপাদান খাদ্যরূপে গ্রহণ করে এবং পরিপাক, শোষণ ও বিপাকের মাধ্যমে দেহে শক্তি উৎপাদন করে তাকে গো-খাদ্য বলে।
যে খাদ্যে কম পরিমাণ আঁশ এবং বেশি পরিমাণে শক্তি পাওয়া যায় তাকে দানাজাতীয় খাদ্য বলে।
দুধাল বা মাংস উৎপাদনকারী গবাদিপশুর ক্ষেত্রে শুধু আঁশ জাতীয় খাদ্য সরবরাহ করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। কারণ দানাজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ থাকে যা গবাদিপশুর দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়ায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত কনক বড়ুয়া কাঁচা ঘাস শুকিয়ে হে তৈরির মাধ্যমে যথোপযুক্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলেন।
তিনি হে তৈরির জন্য মে সঠিক পূর্ণতাপ্রাপ্ত গাছ (ফুল আসার আগে) কেটেছিলেন। কেননা সুগিত মানের হে তৈরির জন্য কম বয়সের গাছ বেশি উপযুক্ত। এরপর ঘাসগুলোকে সঠিকভাবে শুকিয়েছিলেন যাতে এটি মোল্ডমুক্ত ও অতিরিক্ত তাপমুক্ত অবস্থায় সংরক্ষণ করা যায়। অতিরিক্ত সূর্যের আলো পরিহার করে ঘাসগুলোকে দ্রুত শুকিয়েছিলেন। ঘাসগুলোকে কেটে রৌদ্রে এমনভাবে উল্টাপাল্টা করে দিয়েছিলেন যেন এগুলোর পাতা ঝরে পড়ে না যায়। এরপর এগুলো শুষ্ক অবস্থায় (১৫-২০% আর্দ্রতায়) সংরক্ষণ করেছিলেন।
উল্লিখিত উপায়ে কনক বড়ুয়া কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেছিলেন।
কনক বড়ুয়া তার গবাদিপশুর সারাবছরের খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেন।
খরা মৌসুমে মাটিতে রসের পরিমাণ কম থাকায় ঘাসের উৎপাদন কমে আসে। ফলে গবাদিপশুকে শুকনো খড় জাতীয় খাদ্যের উপর নির্ভর করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে খাদ্যের অভাবে কনক বড়ুয়ার গবাদিপশুর মাংস ও দুধের উৎপাদন কমে যায় এবং পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। কনক বড়ুয়া তার চারণ ভূমিতে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস হে তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণ করেছিলেন। এভাবে সবুজ ঘাস সংরক্ষণের মাধ্যমে সারাবছর গবাদিপশুর খাদ্য চাহিদা মেটানোর পাশাপাশির পশুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটানো যায়। এতে করে গবাদিপশু পুষ্টিহীনতায় ভোগে না। মাংস ও দুধের উৎপাদনও হ্রাস পায় না। ফলে কৃষক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। যারা পশু পালনের সাথে জড়িত তাদের সবার উচিত এভাবে বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ বা হে তৈরির মাধ্যমে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা। অর্থাৎ, কনক বড়ুয়ার কার্যক্রমটি সঠিক ও সুদূরপ্রসারি ছিল।
মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে প্রতি লিটারে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন।
পানির পিএইচ কমে গেলে পুকুরে চুন প্রয়োগ করে পানির পিএইচ ঠিক করা হয়।
চুন পানির ঘোলাত্ব দূর করে পানি পরিষ্কার করে। সার প্রয়োগের আগে চুন প্রয়োগের মাধ্যমে সারের কার্যকারিতা বাড়ানো যায়। এভাবে চুন পানির উর্বরতা বাড়িয়ে পানির গুণগত মান বৃদ্ধি করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!