জনাব মফিজুর গ্রামে থাকে। আর্থিক অবস্থা ভালই। পারিবারিকভাবে তাদের একটি ডিপ-টিউবওয়েল আছে, যার সাহায্যে সে নিজেদের ও অন্যান্য কৃষকের জমিতে সেচ দিয়ে বছরে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা মুনাফা করেন। ২০ বছর পর এখন সেচ মেশিনটি অকেজো হয়ে পড়েছে। তাই নতুন আরেকটি মেশিন প্রতিস্থাপন করা জরুরি। কিন্তু তার হাতে কোনো টাকা-পয়সা নেই। বিষয়টি তার এক শিক্ষিত। বন্ধুকে জানালে সে বলল, 'প্রতি বছর তোমার আসলে ৩ লক্ষ টাকা মুনাফা হয়নি, হয়েছে অনেক কম। কারণ মেশিনের ক্ষয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে তোমার নিট মুনাফা কম হলেও তুমি আজ এ আর্থিক সংকটে পড়তে না।' প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা করে অবচয় ধার্য করলেও আজ তোমার হাতে ১০ লক্ষ টাকা জমা থাকতো। [

মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা। কর। (অনুধাবন)

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

মোট জাতীয় আয়কে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মোট মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
মাথাপিছু আয় হলো মোট জাতীয় আয় এবং মোট জনসংখ্যার অনুপাত। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ব্যক্তির আয় নির্ণয় করা হয় এবং এটি মানুষের জীবনযাত্রার মানকে নির্দেশ করে। সাধারণত এক বছরের জন্য মাথাপিছু আয় নির্ণয় করা হয়। জাতীয় আয় ঠিক থাকলে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে মাথাপিছু আয় কমে এবং জনসংখ্যা কমলে মাথাপিছু আয় বাড়বে। মাথা পিছু আয় নির্ণয়ের সুত্র হলো-

মাথাপিছু আয় (PCI)=NlP

যেখানে, PCI = মাথাপিছু আয়, NI জাতীয় আয়, P= জনসংখ্যা

441

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনসামগ্রীর ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় বা অবচয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

268
উত্তরঃ

জনগণের আয় থেকে কর এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচ বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে ব্যয়যোগ্য আয় বলে।
জীবনযাত্রার মানের সাথে ব্যয়যোগ্য আয়ের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক বিদ্যমান।
কেননা জাতীয় আয় থেকে সকল প্রকার কর, ব্যবসায়ের অবণ্টিত মুনাফা এবং মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিয়ে তার সাথে
হস্তান্তরযোগ্য আয় (যেমন- বেকার ভাতা, বৃদ্ধ বয়সের পেনশন) যোগ করে ব্যয়যোগ্য আয় পাওয়া যায়। তাহলে এই ব্যয়যোগ্য আয় দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থা মজবুত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে এবং দেশে নতুন নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে। এতে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। তাই বলা যায়, ব্যয়যোগ্য আয়ের সাথে জীবনযাত্রার মান সম্পর্কিত।

374
উত্তরঃ

একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোনো দেশে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার বাজারমূল্যরে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা হলো।
এখানে

GNP = মোট জাতীয় উৎপাদন

C- মোট ভোগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

1= মোট বেসরকারি বিনিয়োগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

G = মোট সরকারি ব্যয় ২,০০০ কোটি ডলার

X = মোট রফতানি ৩,০০০ কোটি ডলার

M = মোট আমদানি ২,০০০ কোটি ডলার

আমরা জানি,

GNPC+1+G+(X-M)

= ৩,০০০ + ৩,০০০ + ২,০০০+ (৩,০০০-২,০০০)

= ৮,০০০ + ১,০০০ = ৯,০০০ কোটি ডলার

উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানের মোট জাতীয় উৎপাদন ৯,০০০ কোটি ডলার

250
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরের মোট আয়ের সমষ্টিকে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত ক ও খ দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করা হলো:
'ক' দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় :

এখানে,
GNP = মোট জাতীয় উৎপাদন
C = মোট ভোগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

1 = মোট বেসরকারি বিনিয়োগ ব্যয় ৩,০০০ কোটি ডলার

G = মোট সরকারি ব্যয় ২,০০০ কোটি ডলার
X = মোট রফতানি ৩,০০০ কোটি ডলার
M = মোট আমদানি ২,০০০ কোটি ডলার
D = অবচয় বা মূলধনজনিত ব্যয় ৪০০ কোটি ডলার
আমরা জানি,

GNPC+I+G+(X-M)

=৩.০০০+৩.০০০+২.০০০+(৩.০০০+২.০০০)

= ৮.০০০+১.০০০

= ৯.০০০ কোটি ডলার

এখন,
জাতীয় আয় (NI) = GNP - D

= ৯.০০০-৪০০

= ৮,৬০০ কোটি ডলার

সুতরাং,

মাথাপিছু আয় = জাতীয় আয় .=. ডলার

জনসংখ্যা

দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় :
এখানে

GNP = মোট জাতীয় উৎপাদন
C = মোট ভোগ ব্যয় ২,০০০ কোটি ডলার
1= মোট বেসরকারি বিনিয়োগ ব্যয় ২,৫০০ কোটি ডলার
G = মোট সরকারি ব্যয় ১,৫০০ কোটি ডলার
X = মোট রফতানি ২,৫০০ কোটি ডলার
M = মোট আমদানি ১,২০০ কোটি ডলার
D = অবচয় বা মূলধনজনিত ব্যয় ৩০০ কোটি ডলার
আমরা জানি,

GNPC+I+G+ (X - M)

= ২,০০০ + ২,৫০০ + ১,৫০০ + (২,৫০০ – ১,২০০)

= ৬,০০০ + ১,৩০০= ৭,৩০০ কোটি ডলার
এখন,

জাতীয় আয় (NI) = GNP-D

= ৭,৩০০ - ৩০০

= ৭,০০০ কোটি ডলার

সুতরাং

মাথাপিছু আয় = জাতীয় আয় =.= ৩,৫০০ ডলার

জনসংখ্যা

ক ও খ দেশের মাথাপিছু আয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, খ দেশের তুলনায় ক দেশের মাথাপিছু আয় (৪,৩০০ -৩,৫০০) = ৮০০ ডলার বেশি। এক্ষেত্রে খ দেশের তুলনায় ক দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো বলে প্রতীয়মান হয়।

246
উত্তরঃ

কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ, শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে যে পরিমাণ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম সৃষ্টি করে তার আর্থিক মূল্যকে জাতীয় আয় বলে।

434
উত্তরঃ

কোনো একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরের মোট আয়ের সমষ্টিকে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে।
মাথাপিছু আয় পরিমাপ করার জন্য প্রথমে দেশের মোট জাতীয় আয় পরিমাপ করতে হয়। অতঃপর মোট জাতীয় আয়কে দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি ব্যক্তির আয় নির্ণয় করা হয় এবং এটি মানুষের জীবনযাত্রার মানকে নির্দেশ করে। মাথাপিছু আয় পরিমাপের সূত্রটি নিম্নরূপ:
মাথাপিছু আয় = জাতীয় আয়

জনসংখ্যা

300
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews