মানচিত্রের 'ক' অঞ্চলটি হলো স্রোতজ বনভূমি যা দক্ষিণ পশ্চিম অংশে অবস্থিত। এবং 'খ' অঞ্চলটি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি যা
দক্ষিণ পূর্বাংশে অবস্থিত।
'ক' ও 'খ' অঞ্চলের বনভূমি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্নভাবে ভূমিকা রাখতে পারে। যথা-
১. জাতীয় আয়ে অবদানঃ বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের ৫% বনজ সম্পদ ২. থেকে আসে। সেখানে 'ক' এবং 'খ' অঞ্চলেরও অবদান আছে।
২. শিল্পোন্নতি: 'ক' ও 'খ' বনভূমি থেকে সংগৃহিত বিভিন্ন বনজ পণ্য শিল্পের উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার এসব বনভূমি থেকে নেয়া কাঁচামালের উপর ভিত্তি করে একক শিল্প গড়ে উঠেছে। যেমন- কাগজকল 'খ' বনভূমিতে পাওয়া বাঁশের উপর নির্ভরশীল এবং খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানা 'অ' বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গেওয়া কাঠের উপরে ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগ; সমৃদ্ধশালী অর্থনৈতিক উন্নয়নে স্থিতিশীল প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রয়োজন। 'ক' ও 'খ' বনভূমি প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে আমাদের রক্ষা করে।
৪. কর্মসংস্থানের সৃষ্টি: 'ক' এবং 'খ' বনভূমি থেকে সংগৃহিত কাঠ, বাঁশ, বেত, মধু, মোম ইত্যাদি বনজ সম্পদের উপরে নির্ভর করে অনেক লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
৫. বনজ সম্পদ সংগ্রহ: 'ক' বনভূমি থেকে পাওয়া যায় গোলপাতা য ঐ অঞ্চলের মড়ের ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 'খ' অঞ্চল থেকে সংগৃহিত কাঠ, আসবাবপত্র, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রেলের স্লিপার, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।
Related Question
View Allমৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা
এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে
বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়।
উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম
চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত
সাধারণত গম চাষের জন্য ১৬০ থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ৫০ থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন। বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানিসেচের মাধ্যমে গম চাষ ভালো হয়। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলা যেমন- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা ইত্যাদি গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!