মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি ঈশ্বর বা মোক্ষলাভ। এ মোক্ষলাভের জন্য যুগে যুগে ঋষিগণ ভিন্ন ভিন্ন পথের সন্ধান দিয়ে গেছেন। কর্ম, জ্ঞান ও ভক্তিযোগ এগুলোর যেকোনো একটি সাধন পথ অনুসরণ করলেই মোক্ষলাভ সম্ভব।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

অবতার তিন প্রকার/দশ প্রকার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ফলের আশা ত্যাগ করে যে কর্ম করা হয় তাকে নিষ্কাম কর্ম বলে।

আমাদের সমগ্র জীবনই কর্মময়। জীবনধারণের জন্য কর্ম করতে হয়। এ কর্ম দুরকম- সকাম ও নিষ্কাম কর্ম। ফল লাভের আশায় যে কর্ম সেটা সকাম কর্ম আর ফল লাভের আশা ত্যাগ করে যে কর্ম করা হয় সেটা নিষ্কাম কর্ম। নিষ্কাম কর্ম করলে ঈশ্বর লাভ বা মোক্ষপ্রাপ্তি সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ফলাসক্তবিহীন কর্মযোগ অনুসরণে ঈশ্বর প্রাপ্তি হয়।

কর্মই জীবন। জীবনধারণের জন্য কর্ম করতেই হয়। এ কর্ম দুরকম- সকাম ও নিষ্কাম কর্ম। লাভের আশায় যে কর্ম সেটা সকাম কর্ম আর ফল লাভের আশা ত্যাগ করে যে কর্ম করা হয় সেটা নিষ্কাম কর্ম। সকাম কর্মে বন্ধন হয় আর নিষ্কাম কর্ম করলে বন্ধন থাকে না বরং ঈশ্বর লাভ সম্ভব। এ ঈশ্বর প্রাপ্তিই হচ্ছে মোক্ষলাভ। যিনি কর্ম করেন তিনি মনে করেন কর্মের কর্তা আমি নই। কর্মফলও আমার নয়। নিষ্কাম কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না। ফলাকাঙ্ক্ষা বর্জিত এ কর্মই হচ্ছে কর্মযোগ। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্‌ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে কর্মে তব অধিকার, ফলে কভু নয়। - ফলাসক্তি ত্যাগ কর, কর্ম ত্যাজ্য নয়। কর্মকর্তাকে কর্মফল ঈশ্বরে সমর্পণ করতে হয়। আমি কর্ম করেছি, এরূপ অনুভূতি থাকবে না। এরূপ ফলাসক্তিবিহীন কর্মের মাধ্যমে ঈশ্বরানুগ্রহে মানুষের পরম মুক্তিলাভ হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ঈশ্বরলাভই মানুষের একমাত্র লক্ষ্য।

কর্মময় এ জগতে সমস্ত কর্মের পাশাপাশি ঈশ্বর লাভের কথাও ভাবতে হয়। আর সেজন্য মানুষকে নিষ্কাম কর্ম করতে হয়। কোনোকিছুর ফল লাভের আশা পরিত্যাগ করে কর্ম করলেই স্বয়ং ঈশ্বর কর্মকর্তাকে ন্যায্য ফল আপনা থেকেই প্রদান করে থাকেন। কর্মযোগ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন।
মা কর্মফলহেতুর্ভূমা তে সঙ্গোহত্ত্বকর্মাণি।

অর্থাৎ, কর্ম করা তোমার অধিকার কিন্তু ফলের চিন্তা করা তোমার অধিকার নয়। ফলের আশা ত্যাগ কর কিন্তু কর্ম ত্যাগ কর না। আমরা সবাই আসক্তিহীনভাবে কর্ম করে যাব।

শাস্ত্রমতে কর্মযোগে সকাম ও নিষ্কাম দুই প্রকার কর্মের উল্লেখ আছে। সকাম কর্মে মোহলাভ হয়ে বন্ধন সৃষ্টি হয় পক্ষান্তরে, নিষ্কামকর্মে কোনো বন্ধন থাকে না ফলে মোক্ষলাভ হয়। কর্মযোগের নির্দেশ মতে বলা যায়- কর্মফল যেন তোমার কর্মপ্রবৃত্তির হেতু না হয়, কর্মত্যাগেও যেন তোমার প্রবৃত্তি না হয়। এভাবে কর্ম করলেই ভগবানের প্রতি ভক্তির উদয় হয় এবং ঈশ্বরের কৃপায় মানুষের শ্রেষ্ঠপ্রাপ্তি ঈশ্বরলাভ হয়। এ ঈশ্বরলাভই মোক্ষলাভ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
158

Related Question

View All
উত্তরঃ

অবতার ও দেব-দেবী একই ঈশ্বরের বিভিন্ন প্রকাশ, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয় এ বিশ্বাসকে একেশ্বরবাদ বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
855
উত্তরঃ

যোগের সাধন প্রক্রিয়ায় মনকে শুদ্ধ ও শান্ত করার জন্য যোগ দর্শনে আট প্রকার সাধন ক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। তন্মধ্যে প্রত্যাহার অন্যতম। দেহের ইন্দ্রিয়গুলোকে নিজ নিজ বিষয় হতে তুলে এনে চিত্তের অনুগামী করার নাম প্রত্যাহার। দৃঢ় সংকল্প ও অভ্যাসের দ্বারা ইন্দ্রিয়গুলোকে অন্তর্মুখী করা হলে চিত্ত আরাধ্য বস্তুকে নিবিষ্ট হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.1k
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তাঁর বয়স ৭৫ বছর। এসময় তিনি বানপ্রস্থ আশ্রম শেষ করেছেন। বানপ্রস্থ আশ্রমের সময় তিনি সংসারে থেকেও অত্যন্ত সংযমী ছিলেন। তিনি সংসারের সমস্ত দায়িত্ব পুত্রের হাতে অর্পণ করে মন্দিরে মন্দিরে ঈশ্বর ধ্যানে মগ্ন থাকেন।

বানপ্রস্থে বনে নির্জন পরিবেশে অবসর জীবনযাপন করতে হয়। তবে সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষ বনবাসী না হয়ে গৃহত্যাগ করে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে বৈরাগ্যময় জীবনযাপন করতে পারেন। দ্বিজেন্দ্রনাথ এ পর্যায়ে ভজন, পূজন, কীর্তন, জপ, ধ্যান প্রভৃতি ধর্মীয় কর্মে থেকে বানপ্রস্থ জীবন অতিক্রান্ত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
672
উত্তরঃ

দ্বিজেন্দ্রনাথ একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। তিনি বানপ্রস্থ জীবন শেষ করেছেন। এতে তাঁর আত্মতৃপ্তি হয়নি। তাই জীবনের পরম প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে তিনি সংসার ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন। আলোচ্য অংশে সন্ন্যাস আশ্রমে যাওয়ার উল্লেখ রয়েছে। সন্ন্যাস শব্দের অর্থ সম্পূর্ণরূপে ত্যাগ। এ আশ্রমে এসে সন্ন্যাসী একাকী জীবনধারণ করবেন। সন্ন্যাস আশ্রমে অতীত জীবনের স্মৃতি সব পরিহার করে এক মনে এক ধ্যানে ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকতে হয়। শাস্ত্র বচনে জানা যায়-

"দন্ড গ্রহণমাত্রেণ নরো নারায়ণো ভবেৎ” অর্থাৎ সন্ন্যাস গ্রহণ করলেই মানুষ নারায়ণ বা দেবতা হয়ে যায়। তবে সন্ন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য হল কর্মফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ। এ সম্পর্কে শ্রীমদ্ভগবদ্গীতায় বলা হয়েছে-

"অনাশ্রিতঃ কর্মফলং কার্যং কর্ম করোতি যঃ।
স সন্ন্যাসী চ যোগী চ ন নিরগ্নির্ন চাক্রিয়ঃ ॥” (৬/১)

অর্থাৎ কর্মফলের বাসনা না করে যিনি কর্তব্যকর্ম করেন তিনিই সন্ন্যাসী, তিনিই যোগী। শুধুমাত্র গৃহাদি কর্ম বা শরীর ধারণের উপকরণ সংগ্রহে কর্মত্যাগই সন্ন্যাস নয়।

তাই সার্বিক আলোচনার বিষয়বস্তু অনুযায়ী আমি মনে করি, জীবনের পরম প্রাপ্তি লাভে দ্বিজেন্দ্রনাথের সিদ্ধান্তটিই ছিল যৌক্তিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
548
উত্তরঃ

কামনা-বাসনা মুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না কারণ এ ধরনের কর্মে ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না। কামনা-বাসনা মুক্ত বা নিষ্কার্ম কর্মে কর্তা কোনো রকম ফলের আশা না করেই কর্ম করে। তিনি মনে করেন কর্মের কর্তা আমি নই, কর্মফলও আমার নয়। এ নিষ্কাম কর্মই যোগসাধনার ক্ষেত্রে কর্মযোগ। নিষ্কাম কর্মে মোক্ষলাভ হয়। ফলাকাঙ্ক্ষা থাকে না বলেই কামনা-বাসনামুক্ত কর্মের ফল কর্মকর্তাকে স্পর্শ করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
310
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews