মানবসেবী ব্রিটিশ নাগরিক লুসিকে আরও ১৫ বছরের ভিসা-

পরিবার-পরিজন ছেড়ে দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে বাংলাদেশে জনসেবা দিয়ে আসা ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের ভিসা ফি মওকুফ করেছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী ১৫ বছরের জন্য তাকে মাল্টিপল ভিসা দেওয়া হয়েছে। ফি মওকুফ করে ১৫ বছরের জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়ানোয় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হল্ট। তিনি জানান, প্রতিবছর ভিসা নবায়নের জন্য তার ৩৮ হাজার টাকা খরচ হতো। এই অঙ্ক জোগান দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না।' বাংলাদেশ সরকার ফি মওকুফসহ ১৫ বছরের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ায় তিনি আনন্দিত। এই দেশে চিরস্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারবেন তিনি। উল্লেখ্য, ৫৭ বছর আগে অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলেন লুসি। তখন থেকেই সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মানুষের প্রতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধাহতদের সেবা করেছেন। দেশ স্বাধীনের পরও তিনি যাননি।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ সালে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'লরেটো সিস্টার্স' হলো খ্রিষ্টান মিশনারি দল, যেখানে মানবসেবা করার জন্য মাদার তেরেসা যোগদান করেন।

মাদার তেরেসার বয়স যখন আঠারো, তখন তিনি এই মিশনারি দলে যোগ দেন। এই দল ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতে কাজ করত। দার্জিলিংয়ে মাদার তেরেসা 'লরেটো সিস্টার্স'দের আশ্রমে নান হওয়ার জন্য তিন বছর প্রশিক্ষণ নেন। এ সময় তিনি বাংলা ভাষাও রপ্ত করেন। মূলত 'লরেটো সিস্টার্স' থেকে তেরেসা মানুষকে সেবা করার জন্য তাঁর যে প্রত্যয় তা আরও ভালোভাবে আয়ত্ত করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ব্রিটিশ নাগরিক লুসির মাঝে মাদার তেরেসার মানবসেবার দিকটি ফুটে উঠেছে।

পৃথিবীতে যারা নিজ স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যের জন্য কাজ করেন তারাই সমাদৃত হন। এমন অনেক মানুষ পৃথিবীতে আছেন যারা হিংসা, হানাহানি, বিদ্বেষ ভুলে অসহায় মানুষের সেবা করে সারা জীবন কাটিয়ে দেন। তাদের মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই পৃথিবী আজ এত সুন্দর।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্রিটিশ নাগরিক লুসি পরিবার-পরিজন ছেড়ে দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে বাংলাদেশে জনসেবা করেছেন। অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে বাংলাদেশে এসে মানুষের প্রতি বাড়িয়ে দেন সেবার হাত। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধাহতদের সেবা করেন। 'মাদার তেরেসা' প্রবন্ধে দেখা যায়, মাদার তেরেসাও নিজের জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের কথা চিন্তা না করে মানুষের সেবা করেছেন। নিজের জীবন বিপন্ন করে সারা জীবন মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ব্রিটিশ নাগরিক লুসির মাঝে মাদার তেরেসার মানবসেবার দিকটি ফুটে উঠেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকটিতে 'মাদার তেরেসা' প্রবন্ধের ভাবার্থ প্রতিফলিত হয়েছে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষের মানবতাবাদী মনোভাব আমাদের মানবসেবায় অনুপ্রাণিত করে। তাদের দেখানো পথ অনুসরণ করে হিংসা, বিদ্বেষ, ভেদাভেদ ভুলে আমরা এগিয়ে যাই। কারণ সেই জীবনই সার্থক, যেটি মানবকল্যাণের সুমহান ব্রতে নিয়োজিত।

উদ্দীপকের মানবসেবী ব্রিটিশ নাগরিক লুসি মানুষের প্রতি নিজের সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পরিবার-পরিজন ছেড়ে দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে তিনি বাংলাদেশে জনসেবা করে আসছেন। মানবতাবাদী মনোভাব থেকেই তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধাহতদের সেবা করেছেন। 'মাদার তেরেসা' প্রবন্ধের মাদার তেরেসাও মানুষের সেবায় নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে তিনি মানুষের ডাকে সাড়া দিয়ে পৃথিবীতে মানবতার বাণী প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। অসহায় মানুষকে সেবার মধ্য দিয়েই মাদার তেরেসা খুঁজে পেয়েছেন জীবনের সার্থকতা।

'মাদার তেরেসা' প্রবন্ধে মাদার তেরেসা দুঃখী ও অসহায় মানুষের অলোবাসার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মানবসেবার মাঝেই নিজ জীবনের সার্থকতা সন্ধান করেছেন। আলোচ্য প্রবন্ধের ভাবার্থে মানবতার বিষয়টিই বড় হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকেও ব্রিটিশ নাগরিক লুসির মাঝে মানবতাবাদী মনোভাবের প্রতিফলন ঘটেছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
183

মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সবসময় তেমন দেখা যায় না। আবার বিভিন্ন যুগে এমন মানুষও পৃথিবীতে আসেন যাঁরা মানুষের সেবাতেই প্রাণমন সব ঢেলে দেন। ভালোবাসা দিয়ে তাঁরা জয় করে নেন দুনিয়া। মাদার তেরেসা ছিলেন তেমনি একজন অসাধারণ মানবদরদি।

মাদার তেরেসা জন্মেছিলেন অনেক দূরের দেশ আলবেনিয়ার স্কপিয়েতে। ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের ছাব্বিশে আগস্ট তাঁর জন্ম। পিতা ছিলেন বাড়িঘর তৈরির কারবারি, নাম নিকোলাস বোজাঝিউ। মায়ের নাম দ্রানাফিল বার্নাই। পারিবারিক পদবি অনুসারে কন্যার নাম রাখা হয় অ্যাগনেস গোনজা বোজাঝিউ। তিন ভাইবোনের মধ্যে অ্যাগনেস ছিলেন ছোট। বড় হয়ে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণের সময় তাঁর নাম হলো মাদার তেরেসা।

তেরেসা যখন খুব ছোট, তখন ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকা জুড়ে ভয়াবহ যুদ্ধ হয়েছিল। ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত চলেছিল এই যুদ্ধ। ইতিহাসে এই যুদ্ধকে বলা হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এতে তেরেসার কোমল মনে খুব আঘাত লেগেছিল। এসময়ে বাবার মৃত্যু পরিবারেও বিপর্বয় ঘটিয়েছিল। দুঃখ-দুর্দশার মধ্যে বড় হচ্ছিলেন তেরেসা। অল্পবয়সে তাঁর ভেতরে ইচ্ছা জাগে মানুষের সেবা করবেন, তাদের কষ্ট লাঘব করবেন। তেরেসার বয়স যখন আঠারো, তখন তিনি 'লরেটো সিস্টার্স' নামে খ্রিষ্টান মিশনারি দলে যোগ দেন। ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতে এরা কাজ করতেন। দার্জিলিং-এ 'লরেটো সিস্টার্স'দের আশ্রমে তিন বছর তিনি নান হওয়ার প্রশিক্ষণ নেন। বাঙালিদের মধ্যে কাজ করার জন্য বাংলা ভাষাও রপ্ত করেন। এরপর কলকাতায় সেন্ট মেরি'জ স্কুলে শিক্ষকতার দায়িত্ব পান। ১৭ বছর সেখানে কাজ করেন তিনি। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সেবার আগ্রহ জাগাতে চেষ্টা করতেন তেরেসা। সপ্তাহে একদিনের টিফিনের পয়সা বস্তির দরিদ্র শিশুদের জন্য খরচ করতে তিনি উৎসাহ দিতেন তাদের।
বাংলার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা মাদার তেরেসাকে খুব বিচলিত করছিল। মানুষের সেবায় আরও কাজ করার জন্য মনে খুব তাগিদ অনুভব করছিলেন। অবশেষে ১৯৪৮ সালে লরেটো থেকে বিদায় নিয়ে তিনি শুরু করলেন একেবারে গরিবদের সেবার কাজ। গাউন ছেড়ে পরলেন শাড়ি-বাঙালি নারীর পোশাক। সেই থেকে তিনটির বেশি শাড়ি তার কখনো ছিল না। একটি পরার, একটি ধোয়ার, আরেকটি হঠাৎ দরকার কিংবা কোনো উপলক্ষের জন্য রেখে দেওয়া। তাঁর হাতে টাকা-পয়সাও বিশেষ ছিল না। তবে মনে ছিল গরিব-দুখি মানুষের জন্য ভালোবাসা আর প্রবল এক আত্মবিশ্বাস।

কলকাতার এক অতি নোংরা বস্তিতে তিনি প্রথম স্কুল খুললেন। বেঞ্চ-টেবিল কিছু নেই, মাটিতে দাগ কেটে শিশুদের শেখাতে লাগলেন বর্ণমালা। অসুস্থদের সেবার জন্য খুললেন চিকিৎসাকেন্দ্র। ধীরে ধীরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন অনেক মানুষ। মাদার তেরেসার কাজের পরিধি ক্রমাগত বেড়ে চলল। তাঁর সঙ্গে যোগ দিলেন আরও অনেক নান। তাদের নিয়ে তিনি গড়লেন মানবসেবার সংঘ- 'মিশনারিজ অব চ্যারিটি'।

সবচেয়ে যারা গরিব, সবচেয়ে করুণ যাদের জীবন, তাদের সেবা করার ব্রত ছিল মাদার তেরেসার। মৃত্যুমুখী অসহায় মানুষের সেবার জন্য তিনি ১৯৫২ সালে কলকাতার কালিঘাটে 'নির্মল হৃদয়' নামে এক ভবন প্রতিষ্ঠা করেন। কলকাতায় ফুটপাতে সহায়-সম্বলহীন বহু মানুষের বাস। অসুখে ধুঁকে ধুঁকে তাঁদের অনেকের প্রায় মৃত্যুদশা। মরণাপন্ন এইসব মানুষকে বুকে তুলে নেন মাদার তেরেসা। নির্মল হৃদয়ে এনে মমতাময়ী মা কিংবা বোনের মতো তাদের সেবাযত্ন করেন।

রাস্তা থেকে তুলে আনা অনাথ শিশুদের আশ্রয় দিতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'শিশুভবন'। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য স্থাপন করেন 'নবজীবন আবাস'।

মাদার তেরেসার আরেকটি বড় কাজ কুষ্ঠরোগীদের আবাসন-'প্রেমনিবাস' প্রতিষ্ঠা। ভারতের টিটাগড়ে তিনি প্রথম এই কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। পরে এর আরো অনেক শাখা গড়ে তোলা হয়। কুষ্ঠরোগীদের শরীরে দুর্গন্ধময় দগদগে ঘা হয় বলে সমাজের অনেকে রোগীকে পরিত্যাগ করে। অসুখটা ছোঁয়াচে ভেবে রোগীর কাছ থেকে সবাই দূরে থাকে। ফলে কুষ্ঠরোগীদের জীবন হয়ে ওঠে খুব কষ্টের। মাদার তেরেসা নিজের হাতে কুষ্ঠরোগীদের সেবা করতেন। তাঁদের ঘা ধুইয়ে স্নান করিয়ে দিতেন। তাঁর সেবাকর্ম অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করত।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে প্রায় এক কোটি লোক ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল। পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসরদের অত্যাচারে তারা দেশ ত্যাগ করেছিল। শরণার্থী শিবিরে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ রাখা খুব সহজ কাজ ছিল না। সেই সময়ে শিবিরের দুর্গত মানুষের সেবার কাজ করেন মাদার তেরেসা। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তিনি প্রথম ঢাকায় আসেন। বাংলাদেশে শুরু করেন তাঁর 'মিশনারিজ অব চ্যারিটি'-র সেবাকাজ। ঢাকার ইসলামপুরে প্রথম শাখা গড়ে তোলা হয়। এরপর খুলনা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, সিলেট আর কুলাউড়াতে 'নির্মল হৃদয়' ও 'শিশুভবন' প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৯১ সালের প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের পর একাশি বছর বয়সী মাদার তেরেসা বাংলাদেশে ছুটে আসেন। তিনি চেয়েছিলেন নিজহাতে দুর্গত মানুষের ত্রাণের কাজ করবেন। ভালোবাসা দিয়ে মানুষের জীবনকে শান্তিময় করার জন্য কাজ করে গেছেন মাদার তেরেসা। সেবাকাজে মানুষকেই সবচেয়ে বড় করে দেখেছিলেন তিনি। ধর্মের ফারাক, দেশের ভিন্নতা, জাতির পার্থক্য তিনি কখনো বিবেচনায় নেন নি। তাই সব দেশের সব ধর্মের মানুষের ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন। সেবাকাজের জন্য বহু সম্মাননা তিনি লাভ করেছেন, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নোবেল পুরস্কার। সে পুরস্কার শান্তির কাজের জন্য। জীবনে কোনো পুরস্কারের অর্থই নিজের জন্য ব্যয় করেন নি মাদার তেরেসা, নোবেল পুরস্কারের অর্থও দান করেছেন দুঃখীজনের জন্য। সেই সাথে আরেকটি কাজ করেছিলেন। নোবেল পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে সুইডেনের নোবেল কমিটি এক ভোজসভার আয়োজন করে। মাদার তেরেসা অনুরোধ করেছিলেন ভোজসভা বাতিল করে সেই অর্থ ক্ষুধার্ত মানুষদের দেওয়ার জন্যে। এই সংবাদ জানতে পেরে সুইডেন ও অন্যান্য দেশের মানুষ এগিয়ে আসেন। এঁদের মধ্যে স্কুলের অনেক ছাত্রছাত্রীও ছিল। তারা মাদার তেরেসাকে যে সাহায্য করেছিলেন সেটা ছিল নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের অর্ধেক।
১৯৯৭ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর কলকাতায় এই সেবাব্রতীর মৃত্যু হয়।
সারা জীবন মাদার তেরেসা মানুষের সেবা করেছেন, সেই সাথে মানুষের সেবায় এগিয়ে আসতে অন্যদের অনুপ্রাণিত করেছেন। নীলপাড় সাদা শাড়িপরা ছোটখাটো এই মানুষটিকে তাই দুনিয়ার সবাই এক ডাকে চেনে। মানুষের মনে তিনি বেঁচে থাকবেন চিরকাল।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সেবা কাজের জন্য মাদার তেরেসার প্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ সম্মাননা হলো নোবেল পুরষ্কার।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
886
উত্তরঃ

বাংলার মানুষের প্রতি মাদার তেরেসার বিশেষ দরদ ছিল বলেই তিনি গাউন ছেড়ে বাঙালি নারীর পোশাক শাড়ি পরেছিলেন।

বাংলার মানুষের জন্য মাদার তেরেসার বিশেষ দরদ ছিল। বাংলার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা মোচন ও তাদের সেবায় কাজ করার জন্য তিনি মনে মনে তাগিদ অনুভব করছিলেন। তাই বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তিনি বাঙালির জীবনকে শান্তিতে ভরিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছেন। বাংলার মানুষের জন্য তাঁর এ বিশেষ দরদ থেকেই তিনি গাউন ছেড়ে বাঙালি নারীর পোশাক শাড়ি পরেছিলেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানোর কাজটিতে মাদার তেরেসা নোবেল পুরষ্কারের অর্থ ক্ষুধার্ত মানুষকে দেওয়ার ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে।

মানুষের মহত্ত্ব আমাদের অনুপ্রাণিত করে। তাঁদের অনুসরণে আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অগ্রসর হই। সমাজে নিগৃহীত মানুষের প্রতি সবাই সাহায্যের হাত বাড়াই।

'মাদার তেরেসা' প্রবন্ধে মাদার তেরেসার মহত্ত্বের কথা বলা হয়েছে। সেবা কাজের সম্মাননাস্বরূপ প্রাপ্ত পুরষ্কারের অর্থ তিনি দান করেছেন গরিব-দুঃখীদের সেবার জন্য। আর নোবেল পুরস্কার প্রদান উপলক্ষে যে ভোজসভার আয়োজন করা হয়েছিল সেটা বাতিল করে ক্ষুধার্ত মানুষকে সেই অর্থ দেওয়া হয়। উদ্দীপকের রহিমা খাতুন তার নিজের ঈদের কেনাকাটা থেকে টাকা বাঁচিয়ে সবচেয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী মহিলাকে পুরষ্কার দেন। উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের টাকা বাঁচানো তাই মাদার তেরেসার ঘটনার প্রতিফলন মনে হয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
388
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদার তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ছিল ব্যাপক কিন্তু তাদের লক্ষ্য অভিন্ন।"- কথাটি যথার্থ হয়েছে।

ছোট ছোট উদ্যোগ থেকেই মানুষের কাজের পরিধি আরও ব্যাপক ও 'বিস্তৃত হয়। মহৎ মানুষেরা কালে কালে দেশে দেশে এর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

উদ্দীপকের রহিমা খাতুন প্রতিবেশী নিরক্ষর মহিলাদের অক্ষরজ্ঞান দিতে শুরু করেন। বেতন ছাড়াই তিনি এ কাজ করেন। এছাড়া ঈদের কেনাকাটা থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে গরিব ও লেখাপড়ায় আগ্রহী মহিলাদের পুরষ্কার দেন। 'মাদার তেরেসা' প্রবন্ধের মাদার তেরেসা সেবার ব্রত নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। তাঁর সেবা কোনো দেশ বা সমাজে সীমাবদ্ধ ছিল না। বাংলাদেশ থেকে শুরু করে পৃথিবীজুড়েই তাঁর সেবা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
উদ্দীপকের রহিমা খাতুনের চেয়ে মাদার তেরেসার সেবামূলক কাজের পরিধি ব্যাপক হলেও উভয়ের লক্ষ্য ছিল অভিন্ন। অতএব রলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
445
উত্তরঃ

শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য মাদার তেরেসা কর্তৃক স্থাপিত প্রতিষ্ঠানটির নাম 'নবজীবন আবাস'।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
365
উত্তরঃ

“ধর্মের ফারাক, দেশের ভিন্নতা, জাতির পার্থক্য মাদার তেরেসা কখনও বিবেচনায় নেননি।"- কারণ তিনি মানুষকেই সবচেয়ে বড় করে দেখেছিলেন।

মাদার তেরেসা ছিলেন একজন অসাধারণ মানবসেবী। যেখানে রোগ, শোক, দুঃখ-দারিদ্র্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগের নির্মমতা সেখানে মাদার তেরেসা তাঁর সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গা, দেশ ও মানুষের মাঝে ছুটে গিয়েছেন তাদের বিপদ। তিনি দেশ, ধর্ম, জাতির পার্থক্য না করে সেবাকাজে মানুষকেই বড় করে দেখেছেন। মানুষকে ভালোবেসে তিনি মানুষের হৃদয় জয় করেছেন। তার কাছে জাত-ভেদ পার্থক্য ছিল না। তার কাছে মানুষের একমাত্র পরিচয় ছিল মানুষ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
483
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews