মানব ভূগোল হচ্ছে ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেখানে মানুষের কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন উপাদান যেমন- জনসংখ্যা, বসতি, নগর, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি প্রভৃতি যা ভূগোলের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মানব ভূগোলের বিষয়বস্তু খুব বিস্তৃত। একটি অঞ্চলের জনসংখ্যা বয়স অনুপাতে জনসংখ্যার হার, জন্মহার, মৃত্যুহার ও জনসংখ্যার ঘনত্ব।
এবং কর্মক্ষম জনসংখ্যার পরিমাণ প্রভৃতির পরিসংখ্যানিক হিসাব মানব ভূগোলের মাধ্যমে জানা যায়। আবার, কোনো একটি অঞ্চলে কী ধরনের পরিবেশ রয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে ঐ অঞ্চলে কোন ধরনের বসতি গড়ে উঠেছে সে সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে মানব ভূগোল। পরিবেশের বিশদ বর্ণনা এবং মানুষের জীবনধারণের ওপর পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান কীভাবে প্রভাববিস্তার করে, পরিবেশ দ্বারা কীভাবে প্রভাবিত হয় তা মানব ভূগোলের বিষয়বস্তু। এছাড়া একটি অঞ্চলের রাজনীতি, অর্থনৈতিক ও আর্থসামাজিক অবস্থার সম্পূর্ণ চিত্র মানব ভূগোল পাঠের মাধ্যমে জানা যায়। প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগের ভূগোলবিদগণ রাজনীতি, সমাজ, জাতি, স্থান, জনসংখ্যা, শহর, জনপদ ও সামাজিক বিবর্তন, উৎপাদন, পরিবহন ও বাণিজ্য ইত্যাদি পার্থিব বস্তু সম্পর্কে বর্ণনা করতে মানব ভূগোলের সংযুক্তি ঘটিয়েছেন যা মানব ভূগোলের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭.৫৭০ বর্গ কি.মি.।
যেসব অঞ্চল দিয়ে ক্রান্তীয় রেখা অতিক্রম করেছে তাকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ বলে।
বাংলাদেশের উপর দিয়ে ২৩.৫° কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। তাই বাংলাদেশকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের দেশ বলে।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশটি হলো-যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ও সর্ববৃহৎ অংশ উত্তরে কানাডার সীমানা হতে দক্ষিণে মেক্সিকো এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগরের তীর হতে পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগরের তীর পর্যন্ত বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ অংশটি ২৫° উত্তর হতে ৪৫° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
আবার আলাস্কার অংশটি বেরিং সাগর ( পশ্চিম দ্রাঘিমা) হতেপশ্চিম দ্রাঘিমা পর্যন্ত এবং উত্তর অক্ষাংশ হতে দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। অন্যদিকে হাওয়াই পূর্ব-পশ্চিমে পশ্চিম দ্রাঘিমা এবং উত্তর-দক্ষিণে হতে উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত। দেশটির মোট আয়তন ৯৮,২৬,৬৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দেশ দুটি হলো যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। উভয় দেশের শাসনব্যবস্থার মধ্যে কিছু পার্থক্য বিরাজ করে। নিচে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের শাসন-ব্যবস্থার তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা 'হলো :
যুক্তরাষ্ট্রে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। রাষ্ট্রীয় নাম ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। আইনসভা দ্বিকক্ষিক। নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং এর সদস্যসংখ্যা ৪৩৫। উচ্চকক্ষ হচ্ছে সিনেট এবং এর সদস্যসংখ্যা ১০০। ভোট প্রদানের যোগ্যতা অর্জনের বয়স ১৮ বছর। ১৭৮৭সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং ১৭৮৯ সালের ৪ মার্চ থেকে এটি কার্যকর করা হয়। সুপ্রিমকোর্ট দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয়। এর কেন্দ্রীয় আইনসভার নাম কংগ্রেস।অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য প্রকৃত বিচারে সংসদীয় গণতন্ত্রব্যবস্থা বিদ্যমান। এর আইনসভার নাম পার্লামেন্ট। আইনসভা দুই স্তরবিশিষ্ট। নিম্নকক্ষ হাউজ অব কমন্স যার সদস্যসংখ্যা ৬৫০, সকলেই নির্বাচিত। উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডস। যুক্তরাজ্যে সংবিধান সময়ের ব্যবধানে কিছু কিছু লিখিত হলেও অধিকাংশই প্রচলিত নীতি ও প্রথানির্ভর।
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশের নাম হলো অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ।
যে সমস্ত রাজনৈতিক অঞ্চলের কেবল নামীয় পরিচিতি রয়েছে সেগুলোকে নামীয় অঞ্চল বলে।
মহাদেশ ও মহাদেশের অংশবিশেষ নামীয় অঞ্চলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
যেমন- এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, ইউরেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি এলাকাও নামীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। নামীয় অঞ্চলের সীমানা সুনির্দিষ্ট নয় এবং এসব অঞ্চলের একক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রও থাকে না; যেমন- এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকার কোনো রাজধানী নেই। তাই বলা যায় নামীয় অঞ্চলের সীমানা সুনির্দিষ্ট নয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!