মানিকহার গ্রামের দুজন চাষি রহিম ও করিম। রহিম তার জমিতে আলু বীজ উৎপাদন করতে চান। কৃষি কর্মকর্তার নিকট পরামর্শ চাইলে তিনি তাকে এক ক্ষেত থেকে অন্য ক্ষেতের নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে বললেন। অপরদিকে করিম গতবছর পাট চাষ করে ভালো ফলন পেলেও বৃষ্টি না হওয়ায় পানির অভাবে ডোবায় পাট পচালেন। কিন্তু আঁশ ভালো না পাওয়ায় বাজার দর কম পেলেন। হতাশ হয়ে তিনি পাট চাষ বন্ধ করে দেওয়ার চিন্তা করলেন। কৃষি কর্মকর্তা তাকে একটি আধুনিক বিশেষ পদ্ধতিতে পাট পচানোর পরামর্শ দেন, যাতে পানি কম লাগে আঁশও ভালো পাওয়া যায়। এতে তিনি আঁশ বিক্রি করে লাভবান হলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ট্রাইকোডার্মা এক প্রকার উপকারী মৃতজীবী ছত্রাক যা রোগজীবাণু খেয়ে ফেলে গাছকে সুরক্ষা দেয় এবং জৈব পদার্থকে পচিয়ে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বীজ বপনের পূর্বে ছত্রাকনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করাকে বীজ শোধন বলে। বপনকৃত বীজ ও উৎপন্ন চারাকে রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বীজ শোধন করা প্রয়োজন। তাছাড়া যেসব ফসলের বীজত্বক শক্ত, সেসব ফসলের বীজের সুপ্তাবস্থা (Dormancy) ভাঙার জন্য বীজ শোধন করে নিলে নির্ধারিত সময়ে অঙ্কুরোদগম ঘটে। অর্থাৎ, সুস্থ সবল চারা উৎপাদন, বীজবাহিত রোগ প্রতিরোধ, অঙ্কুরোদগম হার বৃদ্ধি ও ভালো ফলন পাওয়ার জন্য বীজ শোধন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রহিমকে কৃষি কর্মকর্তা এক ক্ষেত থেকে অন্য ক্ষেতের নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে বললেন। যেকোনো শস্যের বীজ উৎপাদন করতে গেলে নির্বাচিত জমিখণ্ড পার্শ্ববর্তী অন্য জমি (যাতে একই ধরনের ফসল উৎপাদন করা হতে পারে) থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হয়। এই দূরত্বকে বলা হয় পৃথকীকরণ বা স্বতন্ত্রীকরণ দূরত্ব। বীজ ফসলের জমি থেকে একই জাতের ফসলের জমি নির্দিষ্ট দূরত্বে চাষ করতে হয়। এটা সম্ভব না হলে জমির চারদিকে পাহারা হিসেবে একই ফসলের চাষ করা যায়। এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার উদ্দেশ্য হলো- উৎপাদিত শস্য বীজের সঙ্গে অবাঞ্ছিত অন্য বীজের সংমিশ্রণ ঘটা থেকে বিরত রাখা, বহিঃপরাগ- সংযোগের মাধ্যমে যাতে বীজের গুণাগুণ নষ্ট না হয় সে জন্য সাবধানতা অবলম্বন করা। এই স্বতন্ত্রীকরণ দূরত্ব বিভিন্ন শস্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। তবে দূরত্বের ব্যবধান এমনভাবে রাখতে হবে যাতে শস্য কাটার সময় পার্শ্ববর্তী জমির শস্য একসঙ্গে না পড়ে। উপরোক্ত আলোচনা হতে বীজ ফসলের জমিতে পৃথিকীকরণ দূরত্ব সম্পর্কে জানা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মানিকহাকে দেওয়া কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শকৃত পদ্ধতিটি ছিল পাটের রিবন রেটিং। রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচনের কৌশলগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো 

i. পাট গাছের বয়স ১০৫-১১০ দিন হলে পাট কাটা উচিত। কারণ এ সময় পাট কাটলে আঁশের মান ভালো হয়, গোড়ায় তেমন কাটিং থাকে না। 

ii. পাট কাটার পর পাতা ঝরানোর জন্য পাতার অংশগুলো খড়কুটা দিয়ে ৭২ ঘন্টা (৩ দিন) ঢেকে রাখলে পাতা ঝরে যায় অথবা পাট গাছের আগা থেকে ৬-৯ ইঞ্চি (১৫-২২.৫ সেমি) পরিমাণ মাথা কেটে দিলে পাতা ঝরানোর প্রয়োজন হয় না। এরপর পাট গাছের গোড়ার ৩-৪ ইঞ্চি পরিমাণ অংশ বাঁশের মুগুর বা হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলাতে হবে। 

iii. পাতা ঝরানো ও গোড়া থেঁতলানোর পর ইংরেজি 'U' আকৃতি রিবনারের সাহায্যে ছাল ছাড়াতে হয়। তিনটি পাটকাঠি 'U'- এর মধ্যে রেখে ছাল দু'দিকে টান দিলেই কাঠি থেকে ছাল সহজে পৃথক হয়ে আসে। পরে কয়েকটি গাছের ছাল একত্রে নিয়ে আঁটি বাঁধা হয়। 

iv. প্রতি বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে উৎপাদিত পাটের ছাল পচানোর জন্য ১টি গর্ত (১২ হাত লম্বা, ৪ হাত পাশ এরং ২ হাত গভীর) করতে হবে এবং পলিথিন দিয়ে গর্তের তলা ও কিনারা ভালোভাবে ঢেকে দিতে হবে। এরপর গর্তে প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে গর্তের ভেতরে মুড়ি/আঁটি/বান্ডিল বাঁধা ছালগুলোকে ফেলতে হবে। প্রতি কেজি ছাল পচার জন্য ৩-৪ লিটার পানির প্রয়োজন হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, মুড়ি/বান্ডিল বাঁধা ছালগুলো পুকুর, ডোবা, মাটি বা সিমেন্টের চাড়িতে বা মাটির গর্তে পলিথিন ব্যবহার করে জাগ দেওয়া যায়। সাধারণত ১২-১৫ দিনের মধ্যে পচন সম্পন্ন হয়। ছালে পচন ক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য গর্তের পানিতে কিছু পাট পচা পানি দিতে হবে অথবা প্রতি ১০০০ কেজি ছালের জন্য ১০০ গ্রাম ইউরিয়া সার দিতে হবে। গুণগতমানের আঁশ উৎপাদনে এ পদ্ধতি অত্যন্ত উপযোগী।

V. ছাল পানিতে ডুবানোর ৭-৮ দিন পর দু'একটা ছাল তুলে ও ধুয়ে দেখতে হয় আঁশ পৃথক হয়েছে কিনা। সাধারণত ১২-১৫ দিনের মধ্যে পচন সম্পন্ন হয়। ছাল ধুয়ে আঁশ সংগ্রহ করতে হয়।

উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে পাটের রিবন রেটিং পদ্ধতিতে অল্প পানিতে পাটের ছাল পচানোর পদ্ধতি জানা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
131
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অভিজ্ঞ কৃষক হলো একজন স্থানীয় নেতা ও কৃষকদের পরামর্শদাতা যিনি নিজ উৎসাহে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন ও নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
374
উত্তরঃ

কৃষি তথ্য সার্ভিস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান, যা গণমাধ্যমের সাহায্যে কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তিসমূহ গ্রামীণ পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে।

বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত আধুনিক লাগসই কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি সহজ, সরল, সাবলীল এবং বোধগম্যভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করাই কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রধান লক্ষ্য। আধুনিক তথ্যবহুল ওয়েবসাইট, কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র, মোবাইলভিত্তিক কৃষি তথ্য সেবা, কমিউনিটি রেডিও, কৃষক টেলিভিশন, ই-বুক এসবের মাধ্যমে ডিজিটাল কৃষি বা ই-কৃষির সফল বাস্তবায়ন ঘটিয়ে চলেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া পোস্টার, লিফলেট, বুকলেট ও ভিডিওচিত্র তৈরি এবং কৃষি ডায়েরি, কৃষি কথা প্রভৃতি প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
827
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শাওনের অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয়টি হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ৬টি অনুষদের ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব-স্ব বিষয়ের ওপর ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি প্রদান করা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা কার্যক্রম। অনুষদগুলো হলো-

i. কৃষি অনুষদ: কৃষিজ ফসল উৎপাদন, মাটির গঠন এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হয়। 

ii. পশুপালন অনুষদ: পশুপালন পদ্ধতি, পশুর পুষ্টি ও প্রজনন নিয়ে বিস্তৃত শিক্ষা দেওয়া হয়। 

iii. পশু চিকিৎসা অনুষদ: পশুর বিভিন্ন ধরনের রোগ ও এর প্রতিকার বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হয়। 

iv. মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদ: মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিশদ শিক্ষা দেওয়া হয়। 

v. কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদ: বিভিন্ন ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি ও এর কার্যক্রম নিয়ে পাঠ্যক্রম পরিচালনা করা হয়। 

vi. কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ: গ্রামীণ অর্থনৈতিক অবস্থা ও সমবায়-বিপণন নিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়।

তাছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম হলো-

i. স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষাক্রম পরিচালনা করা। 

ii. শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে বিভিন্ন বিষয়ের গবেষণার ফলাফল শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা। 

iii. শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ গ্রন্থাগারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের পুস্তক, জার্নাল, থিসিস, লিফলেট, পত্রপত্রিকা ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা।

তাই বলা যায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উল্লিখিত শিক্ষা কার্যক্রমসমূহ পরিচালনা করে কৃষি শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
282
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শাওন উদ্যোক্তা হিসেবে মৌমাছি চাষ করে। মৌমাছি চাষের মাধ্যমে মধু উৎপাদন করে বাড়তি আয় দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। এ চাষে কম পুঁজি নিয়ে কাজ শুরু করে বেশি লাভবান হওয়া যায়।

মৌমাছি চাষের জন্য ব্যাপক জমির প্রয়োজন হয় না। শুধু জমির আইল বা বাগানের নিচে মৌবাক্স বসিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। শীত মৌসুমে একটি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে এক কেজি মধু পাওয়া যায়। ১০টি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে ১০ কেজি অর্থাৎ, মাসে ৪০ কেজি মধু পাওয়া যায়। এভাবে মধুর মৌসুমে ব্যাপক টাকা আয় করা সম্ভব। মৌচাক দিয়ে মোম তৈরি করা যায়। মৌমাছি প্রধানত মধু উৎপাদনের জন্য পালন করা হয়। রোগব্যাধি নিরাময়ে মধুর ব্যবহার অতি সুপ্রাচীন। আয়ুর্বেদীয় এবং ইউনানী পদ্ধতিতে তৈরি বহু ওষুধেই মধু ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মৌমাছির চাকের মধু, মোম ও পরাগরেণু মিশিয়ে যে মৌ- রুটি তৈরি করা হয় তা ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় উপকারী বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া মৌমাছি ফুলে ফুলে ঘুরে পরাগায়ন ঘটায় যার ফলে দানা-বীজ তৈরি হয়। সরিষা ফসলে মৌমাছির চাক বসালে ফসলের ফলন ২০-৩০% বৃদ্ধি পায়। আবার, সরিষা থেকে মধু সংগ্রহ করে একই সাথে দ্বিগুণ লাভ হয়। মাত্র একবার ১৫-১৬ হাজার টাকা ব্যয় করে প্রথমে প্রকল্প স্থাপন করলে মৌ- বাক্স এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি ১০-১৫ বছর ব্যবহার করা যায়। এতে বাড়তি কোনো খরচও হয় না। এই উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণের সাথে বহুলোক জড়িত থাকে বিধায় বেকারত্ব সমস্যা কমে। এমনকি মধু ও মোম বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।

অতএব বলা যায়, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে শাওনের নেওয়া মৌমাছি চাষের উদ্যোগটি অত্যন্ত লাভজনক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
289
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস কৃষকদের সমস্যা সমাধানে প্রতি মাসে অথবা জরুরি প্রয়োজনে কৃষকদের নিয়ে যে বৈঠক করেন তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
600
উত্তরঃ

উদ্যান জাতীয় ফসল বাড়ির আশেপাশে বন্যামুক্ত উর্বর জমিতে বিশেষ যত্ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ করা হয়। স্বল্প পরিসরে বাড়ির আশেপাশে চাষ করা গেলেও বাণিজ্যিক ভিত্তিতেও মাঠে আলু চাষ করা হয়।

উদ্যান ফসল তাজা ও রসালো অবস্থায় ব্যবহার করা হয়। আলু সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। আলু চাষের সময় ও পরিপক্কের পর উত্তোলনের সময় বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়, যা উদ্যান ফসলের বৈশিষ্ট্য। এসব কারণে আলুকে উদ্যান ফসল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews