মানিক ও রতনের ক্রয়কৃত শেয়ার একই ধরনের নয়। মানিকের ক্রয়কৃত শেয়ারটি হলো প্রাথমিক শেয়ার এবং রতনের ক্রয়কৃত শেয়ারটি হলো মাধ্যমিক শেয়ার। এ শেয়ারদ্বয় বিভিন্ন দিক থেকে পৃথক। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-
⇨কোনো কোম্পানি বাজারে নতুন শেয়ার ছাড়লে তাকে প্রাথমিক শেয়ার বলে। পক্ষান্তরে প্রাথমিক শেয়ারগুলো যখন পুনরায় স্টক এক্সচেঞ্জে ক্রয়-বিক্রয় করা হয় তাকে মাধ্যমিক শেয়ার বলে।
⇨প্রাথমিক শেয়ার নির্দিষ্ট দামে, অর্থাৎ Face value-তে ক্রয় করা যায়। কিন্তু মাধ্যমিক শেয়ার নির্দিষ্ট দামে, অর্থাৎ Face value-তে ক্রয় করা যায় না।
⇨প্রাথমিক শেয়ার কোনো ব্যক্তি আবেদনের মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় করতে পারেন। অপরপক্ষে মাধ্যমিক শেয়ার ক্রয় করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদিত সদস্যদের মাধ্যমে করতে হয়।
⇨ প্রাথমিক শেয়ার একটি নির্দিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে ক্রয় করতে হয়। অপরদিকে মাধ্যমিক শেয়ার সুসংগঠিত আর্থিক বাজার থেকে ক্রয় করতে হয়।
⇨প্রাথমিক শেয়ার ক্রয়ের সময় কোনো প্রকার দরকষাকষি চলে না। শেয়ারে লিখিত মূল্যে তা ক্রয় করতে হয়। কিন্তু মাধ্যমিক শেয়ার ক্রয়ের সময় দরকষাকষি করে কম-বেশি মূল্যে ক্রয় করা যায়।
সর্বোপরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় যে, উল্লিখিত পার্থক্যের কারণেই প্রাথমিক শেয়ার এবং মাধ্যমিক শেয়ার একটি অন্যটি থেকে পৃথক।
Related Question
View Allপ্রয়োগগত দিক থেকে অর্থায়নকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়; যথা- (১) সরকারি অর্থায়ন, (২) বেসরকারি অর্থায়ন।
ব্যাংক জনগণের অর্থ গ্রহণ করে ব্যবসায় করে। আমানত গ্রহণ করার সময় ব্যাংক তেমন কোনো বিচার-বিবেচনা করে না, কিন্তু ঋণ প্রদানের সময় নানা রকম বিচার-বিবেচনা করে ঋণ প্রদান করে। ঋণ প্রদানের সময় যে বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয় তাকে Five C's দ্বারা বোঝানো যেতে পারে; যথা-Character (চরিত্র), Capacity (ক্ষমতা), Collatoral (জামানত) Contract (চুক্তি), Capital (মূলধন)।
উদ্দীপকের অনুপম বাবু রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ
করেছেন। নিচে উক্ত ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রমের বর্ণনা করা হলো-অর্থসংস্থানে বাণিজ্যিক ব্যাংক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক ব্যাংক স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি ঋণ প্রদান করে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে। বাংলাদেশে তিন ধরনের বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। যথা: রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক। বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিশেষত রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক বিভিন্ন শিল্পের কার্যকরী ঋণ প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন শিল্প স্বল্প মেয়াদে চলতি সম্পদ সংগ্রহের জন্য ব্যাংক থেকে এরূপ ঋণ সংগ্রহ করে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে।
কোনো কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এককভাবে এরূপ ঋণ দীর্ঘ মেয়াদের জন্য প্রদান করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংকটি সোনালী ব্যাংক, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। অর্থসংস্থানে এই ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের ব্যাংক স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি ঋণ
প্রদান করে। ক্ষেত্রবিশেষে এই ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণও প্রদান করে থাকে। আবার অনেক সময় কনসোর্টিয়াম ব্যবস্থার অধীনে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠার জন্য বড় অঙ্কের ঋণ সরবরাহ করে। পক্ষান্তরে, বিনিয়োগ ব্যাংক দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বিনিয়োগ ব্যাংক অবলেখকের কাজও করে থাকে। বাংলাদেশে Investment Corporation of Bangladesh (ICB) একটি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ ব্যাংক। এই ব্যাংক পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহায়তাদান, পরামর্শ প্রদান, মূলধনের স্বল্পতা পূরণে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া জনগণের সঞ্চয়কে একীভূতকরণ ও তার সঠিক বিনিয়োগ নিশ্চিত করে। এই ব্যাংক সাবসিডিয়ারি কোম্পানি গঠন ও উন্নয়নও করে থাকে।
সময়গত দিক থেকে অর্থায়ন তিন প্রকার, যথা : স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি।
স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় অথবা দীর্ঘদিনের জন্য বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে যে অর্থায়ন করা হয়, তাকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন বলে। এ ধরনের অর্থায়ন সাধারণত ৭ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত উঠানামা করতে পারে। সাধারণত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!