মানুষ সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন জীব। বুদ্ধিবৃত্তির কারণেই মানুষকে 'সৃষ্টির সেরা জীব' বলে আখ্যায়িত করা হয়। সর্বশীর্ষে মানুষের স্থান দেওয়া হয়েছে। এ গুণটির জন্য মানুষ অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা, পৃথক ও স্বতন্ত্র। ক্ষুধা, তৃষ্ণা যেমন মানুষের সহজাত, তেমনি বুদ্ধিবৃত্তি গুণও অপরিহার্য ও অনিবার্য। হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ তার বাস্তব জীবনের চিরসাথি এবং মৃত্যুও তার জন্য অনিবার্য। কোনো মানুষই হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ ও মৃত্যুকে এড়াতে পারে না।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

 বিধেয়ক পাঁচটি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে গুণ বা গুণাবলি একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটা উপজাতিকে অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করে দেখায় সে গুণ বা গুণাবলিকে ঐ উপজাতির লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ বলে। মানুষের জ্যত্যর্থ হলো 'জীববৃত্তি' ও 'বুদ্ধিবৃত্তি' এবং মানুষের সমজাতীয় বা সহযোগী অন্যান্য উপজাতি হলো 'গরু', 'ছাগল', 'ভেড়া', 'ঘোড়া' প্রভৃতি। এ বুদ্ধিবৃত্তি গুণের কারণেই 'মানুষ' অন্যান্য প্রাণী গরু, ছাগল, ভেড়া থেকে পৃথক ও বুদ্ধিবৃত্তি গুণকে 'মানুষ' পদের লক্ষণ বা বিভেদক লক্ষণ বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে 'উপলক্ষণ' বলে। যেমন- 'সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল প্রাণী'। এ চিন্তাশীলতা গুণটি হলো 'মানুষ' পদের উপলক্ষণ। মানুষ পদের জাত্যর্থ হলো বুদ্ধিবৃত্তি ও জীববৃত্তি। এই চিন্তাশীলতা গুণটি মানুষের জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয়। তাই চিন্তাশীলতা গুণটি হলো মানুষ পদের উপলক্ষণ। উপলক্ষণ দুই প্রকার। যথা: জাতিগত উপলক্ষণ এবং উপজাতিগত উপলক্ষণ। যে উপলক্ষণ কোনো শ্রেণির আসন্নতম জাতিগত বৈশিষ্ট্য থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে 'জাতিগত উপলক্ষণ' বলে। যেমন- ক্ষুধা, তৃষ্ণা হলো মানুষের জাতিগত উপলক্ষণ। কারণ মানুষ শ্রেণির নিকটতম জাতি হচ্ছে জীব। জীবের জাত্যর্থ হলো জীববৃত্তি। ক্ষুধা, তৃষ্ণা এগুলো জীববৃত্তি থেকে অনুমিত হয়। এগুলো জাত্যর্থের অংশ নয় বরং উপলক্ষণ হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বর্ণিত অনুচ্ছেদের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রকার বিধেয়কের উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করা হলো-

১. জাতি: দুটি শ্রেণিবাচক পদ যদি এমনভাবে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, ব্যক্ত্যর্থের দিক থেকে একটি পদ 'বড় বা বৃহত্তর এবং অন্যটি ছোট বা ক্ষুদ্রতম এবং বৃহত্তর পদটি ক্ষুদ্রতম পদটিকে অন্তর্ভুক্ত করে। সেক্ষেত্রে বৃহত্তর পদটিকে ক্ষুদ্রতর পদটির 'জাতি' বলে। 

২. উপজাতি: দুটি শ্রেণিবাচক পদের মধ্যে যে পদটির ব্যক্ত্যর্থের পরিমাণ অন্যটির চেয়ে ক্ষুদ্রতর সেই পদটিকে বৃহত্তর পদের উপজাতি বলে। 

৩. লক্ষণ : যে গুণের কারণে একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয় তাকে লক্ষণ বলে। যেমন- মানুষের 'বুদ্ধিবৃত্তি' গুণকে মানুষ পদের লক্ষণ বলে। 

৪. উপলক্ষণ : যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাকে উপলক্ষণ বলে। যেমন- সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল প্রাণী। এই চিন্তাশীলতা গুণটি মানুষ পদের উপলক্ষণ। 

৫. অবান্তর লক্ষণ: যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, আবার জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃতও হয় না তাকে অবান্তর লক্ষণ বলে। যেমন- সকল মানুষ হয় হাস্যপ্রিয় এখানে হাস্যপ্রিয়। গুণটি হলো অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
323
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যে গুণের কারণে একই জাতির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতিকে তার সমজাতীয় অন্যান্য উপজাতি থেকে পৃথক করা হয় তাই হলো 'বিভেদক লক্ষণ'।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
269
উত্তরঃ

জাতির মধ্যে উপজাতি অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং উপজাতিকে জাতি নিজের মধ্যে ধারণা করে। এরা যদিও আলাদা তথাপি জাতির আলোচনা করতে গেলে উপজাতির চলে আসবে এবং উপজাতি আলোচনা করতে গেলে জাতি আবশ্যিকভাবে চলে আসে। কারণ জাতিকে যদি ব্যাখ্যা করতে চাই তবে উপজাতির সাহায্য নিই এবং উপজাতিকে বিশ্লেষণ করতে জাতির সাহায্য নিই। সুতরাং জাতি এবং উপজাতি সম্পর্কের ক্ষেত্রে অবিচ্ছেদ্য ও অনিবার্যভাবে পরস্পরের সাথে জড়িত ও সম্পর্কিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
299
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি উপলক্ষণ বিধেয়ককে নির্দেশ করে।

উপলক্ষণ বিধেয়কের পাঁচটি শ্রেণির একটি। যে গুণ জাত্যর্থের অংশ নয়, কিন্তু জাত্যর্থ থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় তাই হলো উপলক্ষণ। যেমন- সকল মানুষ হয় চিন্তাশীল প্রাণী। এই 'চিন্তাশীলতা' গুণটি মানুষ পদের উপলক্ষণ। ঠিক তেমনি উদ্দীপকের বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি হলো মানুষ পদের উপলক্ষণ। মানুষ পদের জাত্যর্থ হলো বুদ্ধিবৃত্তি ও জীববৃত্তি। বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি জাত্যর্থের অংশ নয়। কিন্তু জাত্যর্থ বুদ্ধিবৃত্তি গুণটি থেকে অনিবার্যভাবে নিঃসৃত। তাই বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটিকে মানুষ পদের উপলক্ষণ বলা হয়। অর্থাৎ বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদ সম্পর্কে এমন গুণ উল্লেখ করবে বা উদ্দেশ্য পদের জাত্যর্থ নয় কিন্তু গুণটি জাত্যর্থ থেকে উদ্ভূত।

বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি জাত্যর্থের অংশ না হয়েও জাত্যর্থ থেকে অপরিহার্যভাবে আসে। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, উদ্দীপকে বর্ণিত বিচক্ষণ ও যুক্তিবাদী গুণ দুটি উপলক্ষণ বিধেয়কের অন্তর্ভুক্ত। যা কোনো জাত্যর্থের অংশ নয় কিন্তু তা অপরিহার্যভাবে জাত্যর্থ থেকে এসেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
444
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত যে বিষয়গুলো দেওয়া আছে, তথা ২৫ মার্চ, ভোজনরসিক এবং অন্যকে খাওয়ানো এগুলো বিধেয়কের অবান্তর লক্ষণ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

অবান্তর লক্ষণ হলো যে গুণ বা গুণাবলি কোনো পদের জাত্যর্থের অংশ নয় এবং জাত্যর্থ থেকে আবশ্যিকভাবে অনুমিত নয়। যেমন- ভোজন রসিক বা খাওয়ানো মানুষের একটা অবান্তর লক্ষণ। এই গুণাবলি মানুষের মধ্যে বিদ্যমান কিন্তু তা জাত্যর্থের অংশ নয় বা জাত্যর্থ থেকে আবশ্যিকভাবে নিঃসৃত হয় না।

অবান্তর লক্ষণ কোনো শ্রেণির মধ্যে থাকতে পারে আবার ব্যক্তির মধ্যে থাকতে পারে। অবান্তর লক্ষণ চার ধরনের হতে পারে। (ক) শ্রেণিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (খ) শ্রেণিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (গ) ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ (ঘ) ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।

উদ্দীপকে যেসব অবান্তর লক্ষণ দেওয়া আছে তা মূলত ব্যক্তিগত অবান্তর লক্ষণের সাথে সম্পর্কিত। ২৫ মার্চ অবান্তর লক্ষণটি ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ। কারণ- ব্যক্তিগত অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হলো তাই যা ব্যক্তির মধ্যে সব সময় বর্তমান এবং তা কোনোক্রমে পরিবর্তন করা যায় না। শিক্ষক নোমান ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। এটি অবিচ্ছেদ্যভাবে তার সাথে সম্পৃক্ত। কারণ তার জন্ম সাল বা তারিখ বদলে দেওয়া যাবে না। আবার, নোমান ভোজনরসিক ও খাওয়ানো যে গুণ তা হলো ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হলো যা ব্যক্তির মধ্যে কখনো বর্তমান আবার কখনো অবর্তমান থাকে। ভোজনরসিক এবং খাওয়ানো নোমান সাহেবের মধ্যে আছে। কিন্তু এমন হতে পারে যে কিছুদিন পর তা তাঁর মধ্যে নেই। সুতরাং এটি ব্যক্তিগত বিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
198
উত্তরঃ

যুক্তিবিদ অ্যারিস্টেটল সর্বপ্রথম যুক্তিবিদ্যায় বিধেয়কের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন এবং একে চার ভাগে ভাগ করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
246
উত্তরঃ

সদর্থক যুক্তিবাক্যে শ্রেণিবাচক বিধেয় পদের সাথে উদ্দেশ্য পদের যেসব সম্পর্ক হতে পারে সেগুলোকে বলা হয় বিধেয়ক। আর এই বিধেয়ক বিষয়টি যুক্তিবিদ্যায় সর্বপথম অন্তর্ভুক্ত করেন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টেটল। তিনি বিধেয়ক-এর চারটি শ্রেণিবিভাগ করেছেন। এগুলো হলো- ১. সংজ্ঞা, ২. জাতি, ৩. উপলক্ষণ, ৪. অবান্তর লক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
466
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews