চর্যাপদ হলো আদি বাংলা সাহিত্যের নমুনা।
পরিবেশ-পরিস্থিতি ও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। সংস্কৃতির 'ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত বা ইতিবাচক পরিবর্তনকে সাংস্কৃতিক উন্নয়ন বলা হয়। আমরা আমাদের সংস্কৃতি সম্বন্ধে সচেতন না হলে সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তন না ঘটে সংস্কৃতির নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটতে পারে। কাজেই সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য আমরা আমাদের সংস্কৃতি সম্বন্ধে সচেতন হব।
কানাডায় মামুনের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির পরিবর্তনের সাংস্কৃতিক আত্তীকরণের উপাদানটি প্রতিফলিত হয়েছে। উদ্দীপকে মামুন উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য কানাডা যায়। সেখানে সে কানাডার মানুষের জীবনধারা ও আচার-আচরণ শিখে ও সেগুলো চর্চা করতে চেষ্টা করে। উদ্দীপকেও অনুরূপ ঘটনা লক্ষ করা যায়, সাংস্কৃতিক আত্তীকরণ এমন একটি প্রক্রিয়া যে প্রক্রিয়ার মাধ্যয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং গোষ্ঠী অন্যের সংস্কৃতি আয়ত্ত করে। যেমন- মানুষ যখন কোনো নতুন সংস্কৃতি বা সাংস্কৃতিক পরিবেশে বসবাস করতে আসে তখন সেখানকার মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, আচরণ, চিন্তাচেতনা, মূল্যবোধ এক কথায় সমগ্র জীবনধারার সাথে আত্তীকৃত হতে চেষ্টা করে। এভাবে একসময় তা আত্তীকরণ হয়ে যায়। উদ্দীপকে মামুনের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে।
তাই বলা যায়, কানাডায় মামুনের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির পরিবর্তনের আত্তীকরণ উপাদানটি প্রতিফলিত হয়েছে।
হ্যাঁ, আমি মনে করি আমার পাঠ্যবইয়ের প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের ধারণাটি বাংলাদেশে মামুনের পর্যবেক্ষণে প্রতিফলিত হয়েছে তা সংস্কৃতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকে মামুন দশ বছর পর দেশে ফিরে এদেশের সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করেছে। এখানকার মানুষ মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করছে। উদ্দীপকে তথ্যগুলোর আলোকে বলা যায়, আধুনিক প্রযুক্তি বা বস্তুগত সংস্কৃতির দ্রুত পরিবর্তন ও উন্নয়ন সমাজে সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ঘটাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়নে গোটা বিশ্ব এখন একটি বিশ্বপল্লিতে রূপান্তরিত হয়েছে। যার ফলে যোগাযোগ প্রক্রিয়া অনেক উন্নত হয়েছে। এখন ঘরে বসে পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তের খবর জানা যায়। এক সংস্কৃতি অন্য সংস্কৃতির সংস্পর্শে আসছে। অনুন্নত সংস্কৃতি দ্রুত উন্নত 'সংস্কৃতির উপাদান গ্রহণ করছে। এভাবে প্রযুক্তি সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক উন্নয়ন ঘটাচ্ছে।
তাই বলা যায়, আমার পাঠ্যবইয়ের প্রযুক্তির প্রভাবে সংস্কৃতির পরিবর্তনের ধারণাটি বাংলাদেশে মামুনের পর্যবেক্ষণে প্রতিফলিত হয়েছে তা সংস্কৃতির উন্নয়নে ব্যাপকভাবে ভূমিকা রাখে।
Related Question
View Allসাংস্কৃতিক পরিবর্তন পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে ঘটে। এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে হস্তান্তরের সময় সংস্কৃতিতে কিছু পরিবর্তন আসে। ভিন্ন সংস্কৃতির সংস্পর্শেও সংস্কৃতির রূপ বদলায়। এটি মানুষের জীবনধারার পরিবর্তনকে প্রতিফলিত করে।
উন্নয়ন বলতে ক্রমান্বয়ে কোনো কিছু উন্নত বা পরিপূর্ণ রূপলাভকরাকে বোঝায়। এটি কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং সামাজিক উন্নয়নকেও নির্দেশ করে। মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নই প্রকৃত উন্নয়ন। উন্নয়ন সমাজের পরিবর্তনের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।
সংস্কৃতির পরিবর্তন ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক। উন্নয়ন যেমন সংস্কৃতিকে প্রভাবিত করে, তেমনি সাংস্কৃতির পরিবর্তনও উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। উদাহরণস্বরূপ, প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষিতে উৎপাদন বাড়িয়ে উন্নয়ন ঘটায়।
বাংলাদেশের কৃষিতে লাঙলের পরিবর্তে ট্রাক্টর ব্যবহার সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের উদাহরণ। এটি বস্তুগত সংস্কৃতির পরিবর্তন হিসেবে পরিচিত। এর ফলে কৃষি উৎপাদন বেড়েছে এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।
সামাজিক উন্নয়ন মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে সম্ভব। এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সচেতনতার প্রসারের মাধ্যমে ঘটে। উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক পরিবর্তনের ফল।
সংস্কৃতির পরিবর্তনকে নেতিবাচকভাবে দেখা উচিত নয় কারণ এটি সমাজের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে। নদীর প্রবাহের মতো সংস্কৃতি পরিবেশের সাথে খাপ খেয়ে পরিবর্তিত হয়। এই পরিবর্তন মানুষকে নতুন ধারণা ও সুযোগ দেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!