মামুন তার এলাকার ফসলের জমিতে সেচের পানির অপচয় দেখে চিন্তিত হলো। স্থানীয় কৃষি অফিস, পত্রিকা, কৃষি সম্পর্কিত বই পড়ে সে বিভিন্ন প্রকার সেচ পদ্ধতি সম্পর্কে জানল এবং এলাকার কৃষকদের সাশ্রয়ী পদ্ধতিতে সেচ প্রদানের পরামর্শ দিল। 

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

খনিজ পদার্থ, জৈব পদার্থ এবং জীবকোষের সমন্বয়ে গঠিত উদ্ভিদ জন্মানোর উপযোগী মাধ্যম যা বহু বছরের শিলা পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে তাকে মাটি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাটির দু'প্রকারের রন্ধ্র হলো- ক্ষুদ্র রন্দ্র ও স্থূল রন্ধ্র। ক্ষুদ্র রন্দ্রের মধ্যে যে পানি অবস্থান করে, সে পানিই গাছের পরিশোষণের জন্য উপযোগী হয়। স্থূল রন্দ্রের পানি মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে মাটির নিচে চলে যায়। ফলে গাছ তা গ্রহণ করতে পারে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মামুন বিভিন্ন প্রকার সেচ পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছিল। ফসল উৎপাদনের জন্য কৃত্রিম উপায়ে জমিতে পানি সরবরাহ করাকে সেচ বলে। জমিতে সেচ প্রয়োগের পদ্ধতিগুলোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ভূ-পৃষ্ঠ সেচ পদ্ধতি, ভূ-নিম্নস্থ সে থালা বা রিং বেসিন এবং করোগেশন পদ্ধতিতে ভাগ করা হয়। মুক্ত প্লাবন পদ্ধতিতে জমির ভিতরে পানি চলাচলের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ না রেখে পানি দিয়ে সমস্ত জমি প্লাবিত করা হয়। আইল পদ্ধতিতে জমিকে আইল দ্বারা কতগুলো খণ্ডে বিভক্ত করা হয় এবং সেচের পানি নিয়ন্ত্রিতভাবে একটির পর একটি খণ্ডে পর্যায়ক্রমে সরবরাহ করা হয়। নালা পদ্ধতিতে সারিতে বপন বা রোপণ করা ফসলের সারি বরাবর অগভীর নালা করে সেচ দেওয়া হয়। থালা বা রিং পদ্ধতিতে ফলের বাগান বা কুমড়া, লাউ ইত্যাদি সবজির বাগানে সেচ দেওয়া হয়। করোগেশন পদ্ধতিতে মাঠ ফসলে অগভীর নালায় সেচ দেওয়া হয়। ভূ-নিম্নস্থ পদ্ধতিতে মাটির নিচে পাইপ বসিয়ে উদ্ভিদের শিকড় অঞ্চলে পানি সরবরাহ করা হয়। ফোয়ারা সেচ পদ্ধতিতে সেচের পানি পাম্প করে পাইপ বা নজেলের ভিতর দিয়ে বৃষ্টির ফোঁটার মতো জমিতে ছিটিয়ে দেওয়া হয়। ড্রিপ বা ফোঁটা পদ্ধতিতে প্লাস্টিকের নলের সাহায্যে গাছের গোড়ায় ফোঁটা ফোঁটা পানি দেওয়া হয়।চ পদ্ধতি, ফোয়ারা সেচ পদ্ধতি এবং ড্রিপ বা ফোঁটা সেচ পদ্ধতি। এগুলোর মধ্যে ভূ-পৃষ্ঠ সেচ পদ্ধতিকে মুক্ত প্লাবন, আইল, নালা,

পরিশেষে বলা যায়, সেচের পানির অপচয় রোধে উল্লিখিত সেচ পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করে যথাযথভাবে ব্যবহার করায় মামুন লাভবান হয়েছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সারি ফসল চাষের জন্য নালা পদ্ধতিটি বিশেষ উপযোগী।

যে সকল ফসল সারিবদ্ধভাবে চাষ করা হয় সেগুলো সারি ফসল। যেমন-আখ, তুলা, গোল আলু, চিনাবাদাম, কলা, পেঁপে, আনারস, তামাক, সবজি ফসল ইত্যাদি। সারিতে বপন বা রোপণ করা ফসলের সারি বরাবর অগভীর নালা করে সেচ দেওয়া হয়।

নালা পদ্ধতিতে প্রধান নালা হতে পানি শাখা নালায় সরবরাহ করা হয়। এই পদ্ধতিতে দুই সারির মধ্যবর্তী স্থানে প্রায় সমোন্নত ভূমি অথবা জমির ঢালের আড়াআড়িভাবে নালা তৈরি করা হয়, যাতে উভয় পাশের ফসল পানি নিতে পারে। নালা পদ্ধতিতে সমস্ত জমিতে সমভাবে সেচ দেওয়া যায়, পানির অপচয় কম হয়, পানি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় না এবং মাটির ক্ষয় রোধ হয়। তাই নালা পদ্ধতি সারি করে লাগানো ফসলের জন্য বিশেষ উপযোগী। তবে এ পদ্ধতিতে কিছু অসুবিধাও পরিলক্ষিত হয়। এ পদ্ধতিতে খরচ ও সময় বেশি লাগে। নালা তৈরির জন্য অধিক জমি নষ্ট হয়। আবার ঢালু জমিতে সেচ দেওয়া যায় না।

পরিশেষে বলা যায়, সারি ফসলে কার্যকরভাবে সেচ প্রদানের জন্য নালা পদ্ধতিটি বিশেষভাবে উপযোগী।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
359

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব ফসল সাধারণত বিস্তীর্ণ মাঠে বেড়াবিহীন অবস্থায় সমষ্টিগতভাবে পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ এবং প্রক্রিয়াজাত করে খাওয়া হয় সেগুলোকে মাঠ ফসল বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও তথ্য নিয়ে মতবিনিময় হয়।

কৃষি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের ফলে কৃষকদের জ্ঞান ও তথ্য আরো সমৃদ্ধ হয়। মতবিনিময়ের ফলে কৃষকদের জ্ঞান এবং কাজের স্পৃহা বাড়ে। এ ছাড়া হঠাৎ সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যার প্রতিকার ব্যবস্থা জানা যায়। তাই কৃষিতে উঠোন বৈঠকের প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
821
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত আফসার আলীর জমির মাটি কাদাযুক্ত এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এজন্য বলা যায়, জমির মাটি এঁটেল প্রকৃতির।

নিচে এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো-

i. এঁটেল মাটি ভারী মাটি নামে অভিহিত। 

ii. এ মাটিতে কমপক্ষে ৩৫% বা তার বেশি কর্দম বা এঁটেল কণা থাকে। 

iii. এ মাটিতে সূক্ষ্ম রন্দ্রের সংখ্যা খুব বেশি, তাই এর পানি ধারণ ক্ষমতা খুব বেশি, কিন্তু নিষ্কাশন ক্ষমতা কম। 

iv. এ মাটির বায়ু ও পানি চলাচল ক্ষমতা কম। 

V. এঁটেল মাটি আঙুলে ঘষলে ট্যালকম পাউডারের মতো পিচ্ছিল মনে হয়। 

vi. এ মাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সংযুক্তি (cohesion) খুব বেশি। 

vii. আর্দ্র এঁটেল মাটি আঠালো ও চটচটে হয়, কিন্তু শুষ্ক অবস্থায় খুব শক্ত হয়। ফলে সহজে কর্ষণ করা যায় না। 

viii. এ প্রকার মাটির ধনাত্মক আয়ন বিনিময় ক্ষমতা খুব বেশি। উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যাবলী থেকে এঁটেল মাটির প্রকৃতি জানা যায়।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
363
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যা গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উচ্চ ফলনশীল এবং হাইব্রিড জাতের ধান উদ্ভাবন করে। এছাড়াও মৃত্তিকা, সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা, চাষাবাদ পদ্ধতি, পোকা-মাকড় ও রোগ দমন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মূল্যবান প্রযুক্তি ও কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করে। এদের উদ্ভাবিত জাতগুলো তুলনামূলকভাবে রোগ ও পোকামাকড় প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন। আবার এসকল জাতের ফলন স্থানীয় জাতের ফলনের তুলনায় অনেক বেশি। উদ্ভাবিত জাতের মধ্যে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল, সুগন্ধি ও বিদেশে রপ্তানি উপযোগী জাতও রয়েছে। এসকল জাতসমূহ কৃষকদের কাছে সহজলভ্য করে তোলার জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে, রয়েছে প্রদর্শনী প্লট ও মডেল কৃষক। এছাড়াও কৃষি তথ্য সেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পুস্তিকা, ম্যানুয়াল, প্রতিবেদন, জার্নাল প্রভৃতি প্রকাশ করে। এ প্রতিষ্ঠানটি কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য মাঠ দিবসের আয়োজন এবং কৃষি উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। এসকল কার্যক্রমের ফলে কৃষকগণ সহজেই কৃষি সংশ্লিষ্ট তথ্য ও জ্ঞান লাভ করতে পারে। ফলে কৃষক মাঠ পর্যায়ে এসব জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অল্প খরচে ফসল উৎপাদন করে লাভবান হয়। সর্বোপরি ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উল্লিখিত কার্যক্রমসমূহ পরিচালনা করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
476
উত্তরঃ

অভিজ্ঞ 'কৃষক হলো একজন স্থানীয় নেতা ও কৃষকদের পরামর্শদাতা যিনি নিজ উৎসাহে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন ও নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
উত্তরঃ

কোনো মাটিতে হাইড্রোজেন আয়ন (H') ও হাইড্রোক্সিল আয়নের (OH) পরিমাণ সমান থাকলে তাকে নিরপেক্ষ মাটি বলে। নিরপেক্ষ বা প্রশম মাটির অম্লমান ৭। এই ধরনের মাটিতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান সহজলভ্য থাকে বিধায় ফসল চাষে সর্বাধিক উপযোগী। নিরপেক্ষ মাটিতে জৈব পদার্থ সহজে বিয়োজিত হয়। নিরপেক্ষ মাটিতে বীজের অঙ্কুরোদগম ভালো হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
717
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews