মার্গারেট ম্যাথিউ প্যারিসের অধিবাসী। খ্রিস্টান হওয়া সত্ত্বেও সব ধর্মের মানুষের সাথেই তিনি প্রাণ খুলে মেশেন। দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোকেই তিনি মানুষের ধর্ম বলে জানেন। তাঁর কাছে সাদা-কালো, ধনী-দরিদ্রের কোনো পার্থক্য নেই। মানুষের সেবা করতে পারলে তিনি নিজেকে খুব সুখী মনে করেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

কবি লালন শাহ্ ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

চরণটিতে জাত নিয়ে গর্ব করার বিষয়ে বলা হয়েছে।

পৃথিবীতে সব মানুষই মানুষ পরিচয়ে জন্মায়। পরবর্তীতে একেকজন একেক জাতের অন্তর্ভুক্ত হয়। মানুষ নিজের জাত নিয়ে গর্ব করে। জাতের গর্বের কথা যেখানে-সেখানে বলেও বেড়ায়। আসলে জাত নিয়ে এত গর্বের কিছুই নেই। সব মানুষের রক্ত এক এবং সবাইকে এক সময় মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তাই জাত নিয়ে এত গর্ব করা কিংবা যেখানে-সেখানে বলে বেড়ানোর কিছুই নেই। আলোচ্য চরণটিতে একথাই বলা হয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

সাম্য-চেতনা তথা মানবতাবোধের দিক দিয়ে 'মানবধর্ম' কবিতা ও উদ্দীপকের মধ্যে সাদৃশ্য রয়েছে।

পৃথিবীতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বাস করে। তাদের সবার পরিচয় তারা মানুষ। কারণ জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র ভেদাভেদ কখনই কাম্য হতে পারে না। মনুষ্যধর্মই মানুষের প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত।

উদ্দীপকের মার্গরেট ম্যাথিউ খ্রিস্টান হওয়া সত্ত্বেও সব ধর্মের মানুষের সাথে তিনি প্রাণখুলে মিশতে পারেন। কারণ তার কাছে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ নেই। তিনি দুর্দিনে সবার পাশে গিয়ে দাঁড়ান। সাদা-কালো, ধনী-গরিব তার কাছে সমান। মানবসেবাই তার কাছে মূলকথা। 'মানবধর্ম' কবিতায়ও কবি লালন শাহ্ মানবধর্মের কথা বলেছেন। কবি জাত-পাতের ভেদাভেদ মানেন না। মনুষ্যধর্মই তাঁর কাছে মূল কথা। মালা কিংবা তসবি জপলেই মানুষ আলাদা হয়ে যায় না। সকলেই এক ও অভিন্ন। কবিতায় প্রকাশিত এই মানবতাবোধ ও সাম্য-চেতনার সাথে উদ্দীপকের মানবতাবোধ ও সাম্য-চেতনার সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

হ্যাঁ, 'মানবধর্ম' কবিতার সামগ্রিক ভাব উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে।

এ পৃথিবীতে নানা জাতি ও ধর্মের লোক বাস করে। কিন্তু এসবের ভিত্তিতে মানুষের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণ করা উচিত নয়। মনুষ্যধর্মের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হওয়া উচিত মানুষের আসল পরিচয়।

উদ্দীপকে মানবতাবাদী মার্গারেট ম্যাথিউর কথা বলা হয়েছে। তাঁর কাছে ধর্ম-বর্ণের কোনো ভেদাভেদ নেই। তিনি দুঃসময়ে সব ধর্মের মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। নিজে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী হলেও সব ধর্মের মানুষের সাথে প্রাণখুলে মেশেন। 'মানবধর্ম' কবিতায়ও একই চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। কবি এখানে মনুষ্যধর্মকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।

'মানবধর্ম' কবিতায় লালন ফকির মানুষের জাত-পাত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কবির মতে জল গর্তে গেল কূপজল এবং গঙ্গায় গেলে গঙ্গা জল হলেও জলের প্রকৃত ধর্ম থেকে কখনো বিচ্ছিন্ন হয় না। মানুষও তেমনি বিভিন্ন মতের অনুসারী হলেও মনুষ্যধর্মে সবাই সমান। সেখানে জাত-পাত, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র কোনোকিছুরই পার্থক্য করা উচিত নয়। মনুষ্যধর্মই সবার মূল কথা হওয়া উচিত। কবিতার এই সামগ্রিক ভাবই উদ্দীপকের মূল কথা। তাই বলা যায় 'মানবধর্ম' কবিতার সমগ্র ভাব উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
99

সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে। 

লালন কয়, জেতের কী রূপ, দেখলাম না এ নজরে ॥

 

কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়,

তাইতে কি জাত ভিন্ন বলায়, 

যাওয়া কিংবা আসার বেলায় 

        জেতের চিহ্ন রয় কার রে ॥

 

গর্তে গেলে কূপজল কয়, 

গঙ্গায় গেলে গঙ্গাজল হয়, 

মূলে এক ভাল, সে যে ভিন্ন নয়,

       ভিন্ন জানায় পাত্র-অনুসারে ॥

 

জগৎ বেড়ে জেতের কথা, 

লোকে গৌরব করে যথা তথা, 

লালন সে জেতের ফাতা 

       বিকিয়েছে সাধ বাজারে।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতিগত পরিচয় মানুষের আসল পরিচয় নয়। তাই জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।

এই পৃথিবীতে নানা জাতি ধর্ম ও বর্ণের মানুষ বাস করে। কিন্তু এসবের ভিত্তিতে মানুষের প্রকৃত পরিচয় নির্ধারণ করা উচিত নয়।

মনুষ্যধর্মের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হওয়া উচিত মানুষের পরিচয়। এই পৃথিবীতে সবাই একই রক্ত-মাংসে গড়া। তাই জাতপাত নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
838
উত্তরঃ

উদ্দীপক ও 'মানবধর্ম' কবিতায় পৃথিবীর সব মানুষকে এক জাতি হিসেবে নির্দেশ করা হয়েছে, এখানেই উদ্দীপক ও 'মানবধর্ম' কবিতার মিল পাওয়া যায়।

পৃথিবীতে মানুষের জাতিগত বা ধর্মীয় পরিচয় কোনো আসল পরিচয় নয়; তারা সবাই এক ও অভিন্ন মানবজাতি। সব মানুষ রক্ত-মাংসের তৈরি।

উদ্দীপকে পৃথিবীর সব মানুষকে এক জাতি হিসেবে দেখা হয়েছে। মানুষকে 'মানুষ জাতি' বলে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। কারণ পৃথিবীর সব মানুষ একই চন্দ্র-সূর্যের তাপ গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। বাইরে আলাদা হলেও ভেতরে সবার এক। সবার শরীরেই লাল রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। 'মানবধর্ম' কবিতায় সাধক লালন শাহ্ও পৃথিবীতে মানুষের মধ্যে কোনো ভিন্ন ভিন্ন জাত খুঁজে পান না। তিনি সব মানুষকে 'অভিন্ন এক জাতি' হিসেবে বিবেচনা করেছেন। এভাবে উদ্দীপক ও 'মানবধর্ম' কবিতা পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
406
উত্তরঃ

উদ্দীপক ও 'মানবধর্ম' কবিতায় যে-ধর্মচর্চার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে তা হলো মনুষ্যধর্ম।

মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ নেই। পৃথিবীর সব মানুষ অভিন্ন এক জাত। ধর্ম, বর্ণ, জাতি ভেদে মানুষের মধ্যে যে বিভাজন সৃষ্টি করা হয়, তা মিথ্যা। জগতে মানবধর্মই শ্রেষ্ঠ।

উদ্দীপকের চরণগুলোতে মানুষ জাতির স্বরূপ প্রকাশিত হয়েছে। কারণ পৃথিবীর সব মানুষ এক ও অভিন্ন, বাহ্যিক চেহারায় কিছু পার্থক্য থাকলেও শরীরে প্রবাহিত রক্তের রং সবারই এক, তা হলো লাল। এ বক্তব্যে অভিন্ন এক ধর্মের কথাই উঠে এসেছে। আর এ ধর্ম হলো মনুষ্যধর্ম। 'মানবধর্ম' কবিতায় কবি সব ধর্মকে পরিহার করে সেই মনুষ্যধর্ম চর্চার কথাই বলেছেন। কারণ মনুষ্যধর্মই মানুষের প্রকৃত পরিচয়।

'মানবধর্ম' কবিতায় লালন ফকির মানুষের জাত-পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। নিজে কোন ধর্মের বা জাতের এমন প্রশ্ন লালন সম্পর্কে আগেও ছিল, এখনও আছে। কিন্তু লালন বলেছেন জাতকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। মনুষ্যধর্মই মূলকথা। উদ্দীপকেও সেই ধর্মের কথা উঠে এসেছে। কারণ এই ধর্মই মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
150
উত্তরঃ

মানুষের জাত সম্পর্কে অভিমত ব্যক্ত করতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

মরমি সাধক লালন শাহ্'র মানবধর্মের প্রতি কর্মকাণ্ডে জগতের লোকের মনে প্রশ্ন জাগে। লালন শাহ্'র জাত কী? তিনি কোন ধর্মের, কোন বর্ণের, কোন জাতের, কোন গোত্রের লোক তা তারা জানতে চায়। কারণ লালন কোনো বিশেষ ধর্মের প্রতি গুরুত্ব না দিয়ে কেবল মানবসত্তার ওপর গুরুত্ব দেন। লালনসাধনার গভীরে যেতে পারে না বলেই মানুষ লালন শাহ্'র কাছে জাত সম্পর্কে জানতে চায়। লালন বলেন, জগতে জাতের কোনো রূপ তার চোখে পড়েনি। তিনি কেবল মানুষ চেনেন, মানুষের তৈরি জাত-ধর্ম তাঁর কাছে অর্থহীন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
180
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews