কৃষিজ উৎপাদন বলতে ফসল, গৃহপালিত পশু-পাখি এবং মাছ উৎপাদনকে বোঝায়।
পুকুর হতে জলজ আগাছা পরিষ্কার করতে হয় যেন পুকুরে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পড়ে। এছাড়া জলজ আগাছামুক্ত পুকুর মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরিতে সহায়তা করে। তাই পুকুরে জলজ আগাছা দমন করতে হয়।
ভুট্টার ভালো ফলন পাওয়ার জন্য সুমনকে জমি তৈরি ও জমিতে সার প্রয়োগের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে।
রবি মৌসুমে ভুট্টা চাষ করার জন্য ৪-৫টি গভীর চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। ভুট্টা চাষে বিভিন্ন প্রকার সারের প্রয়োজন। প্রতি হেক্টরে ইউরিয়া ১৭২-৩১২ কেজি, টিএসপি ১৬৮-২১৬ কেজি, এমওপি ৯৬-১৪৪ কেজি এবং জিপসাম ১৪৪-১৬৮ কেজি প্রয়োগ করতে হবে।
জমি তৈরির শেষ পর্যায়ে মোট ইউরিয়ার এক-তৃতীয়াংশ এবং অন্যান্য সারের সবটুকু ছিটিয়ে জমি চাষ দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া সমান দুই কিস্তিতে ভাগ করে ১ম কিস্তি বীজ গজানোর ২৫-৩০ দিন পর এবং ২য় কিস্তি বীজ গজানোর ৪০-৫০ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে।
উপরিউক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করলেই সুমন ভুট্টার ভালো ফলন পাবেন।
মাসুদ সাহেব ভুট্টা চাষে লাভবান হওয়ায় তার ভাই সুমনকে ভুট্টা চাষ করার পরামর্শ দিলেন। তিনি বললেন সঠিকভাবে জমি তৈরি ও সার প্রয়োগের প্রতি যত্নবান হতে। এছাড়াও তিনি ভুট্টা গাছের নানা ধরনের ব্যবহার সম্পর্কে বললেন।
ভুট্টা একটি দানা জাতীয় ফসল। এটি অধিক ফলনশীল ও বহুমুখী ব্যবহার সম্পন্ন। এটি রবি ও খরিপ উভয় মৌসুমে চাষ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে ভুট্টার চাষ বাড়ছে। ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টা দানার পুষ্টিমান বেশি। ভুট্টার দানা মানুষের খাদ্য হিসেবে এবং এর রসাল গাছ ও সবুজ পাতা উন্নত মানের গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্য হিসেবেও আমাদের দেশে ভুট্টা দানার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে এর যথেষ্ট ব্যবহার রয়েছে। সুতরাং বলা যায় যে, সুমনের ভুট্টা চাষের সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল।
Related Question
View Allজীবের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের বিচ্যুতিকে রোগ বলা হয়।
মুরগির ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ খুবই মারাত্মক। টিকা দেওয়া হলে ঐসব রোগের বিরুদ্ধে মুরগির শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠে। অর্থাৎ, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ থেকে রক্ষার জন্য মুরগিকে নিয়মিত টিকা দেওয়া হয়।
আবিদার সফলতার কারণ হলো সে মুক্ত পদ্ধতিতে দেশি ডিমপাড়া মুরগি পালন করেছিল।
আবিদার মুরগির সংখ্যা ছিল ১০টি। মুরগি ১০টি সে বাড়িতে মুক্ত পরিবেশে পালন করে। অল্প সংখ্যক মুরগি খুব সহজেই বাড়ির আশপাশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে খেতে পারে। দেশি মুরগি বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবারও খায়। এ জাতের মুরগি সঠিক সময়ে ডিম দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাছাড়া মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালনে অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহের এবং শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। তাই মুরগি পালনে খরচ কম হয়।
আবিদা দেশি জাতের মুরগি যে পদ্ধতিতে পালন করা উচিত ঠিক সে পদ্ধতিতেই পালন করেছিল। আর এটাই তার সফলতার কারণ।
শিউলি আবিদার দেখাদেখি মুরগি পালন শুরু করলেও সঠিক পালন পদ্ধতি অবলম্বন না করায় লাভবান হতে ব্যর্থ হয়।
আবিদার মতো শিউলিও মুক্ত পদ্ধতিতে মুরগি পালন করে। কিন্তু তার মুরগির সংখ্যা ছিল ২০টি এবং জাত ছিল ফাইওমি। ফাইওমি উন্নত জাতের মুরগি হওয়ায় এদের আরও বেশি যত্নের প্রয়োজন ছিল। মুরগির সংখ্যা বেশি হওয়ায় মুরগিগুলো তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য পর্যাপ্ত পরিমানে পায়নি বলে সহজে রোগাক্রান্ত হয়। শিউলি যদি তার মুরগিগুলোকে অর্ধ-আবদ্ধ পদ্ধতিতে পালন করত, তবে ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নেওয়ার জায়গা পেত। তাছাড়া খাবার ও পানি সঠিকভাবে সরবরাহ করতে পারত। এতে আবিদার চেয়ে খরচ বেশি হলেও সে বেশি লাভ পেত। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবই শিউলির ব্যর্থতার মূল কারণ বলে আমি মনে করি।
বস্তুগত উপকরণ ব্যয় বলতে ফসল উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ ইত্যাদির জন্য যে ব্যয় হয় তাকে বোঝায়।
রজনীগন্ধার জমিতে পর্যাপ্ত রস থাকার দরকার হলেও অতিবৃষ্টি ফলে জমে থাকা অতিরিক্ত পানি গাছ সহ্য করতে পারে না। গাছগুলে পচে যায়। তাই অতিবৃষ্টি রজনীগন্ধা চাষে ঝুঁকি বাড়ায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
