মাহফুজ সাহেব একজন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। তিনি ৭ দিনের একটি কর্মশালার বিশেষ কর্মসূচির প্রধান হয়ে বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশুর খামার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি দেখলেন খামারিরা সনাতন পদ্ধতিতে দুধ সংরক্ষণ করছেন। এছাড়াও তিনি বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে খামারগুলোতে নানা ত্রুটি দেখতে পেলেন। তার দলের প্রতিনিধিরা খামারিদেরকে দুধ সংরক্ষণের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য ও প্রশিক্ষণ দেয়।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

অপ্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ছাগলকে বাকলিং বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

গবাদিপশুর জন্য বিশেষ প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণ ইউরিয়া, ঝোলাগুড়, গমের ভুসি ইত্যাদি একত্রে মিশিয়ে ব্লক আকারে যে খাদ্য তৈরি করা হয় তাকে ইউরিয়া মোলাসেস ব্লক বলে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন ও ঝোলাগুড়ে শর্করাসহ বিভিন্ন খনিজ উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকে। এ সকল উপাদান পশুর শারীরিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউরিয়া মোলাসেস ব্লক খাওয়ালে পশু দ্রুত মোটাতাজা হয় এবং তার কর্মদক্ষতা, মাংস ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। উপরিউক্ত কারণে ইউরিয়া মোলাসেস ব্লক গবাদিপশুর জন্য উত্তম খাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মাহফুজ হোসেন দুগ্ধ খামারিদেরকে দুধ সংরক্ষণের আধুনিক কৌশল শিখালেন। নিচের দুধ সংরক্ষণের আধুনিক কৌশলগুলো ব্যাখ্যা করা হলো-

১ . রিফ্রিজারেটর পদ্ধতি: রিফ্রিজারেটরে অল্প সময়ের জন্য ৪° সে রেখে ১০-১২ ঘণ্টার জন্য দুধ সংরক্ষণ করা যায়। ডিপ ফ্রিজে দুধ বেশি সময় সংরক্ষণ করা যায়। এখানে দুধে জীবাণুর বংশবৃদ্ধি হয় না। তবে দুধের রাসায়নিক বন্ধন ভেঙে দুধের গুণগত মান কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

২. এলপিএস (Lactoperonidase) পদ্ধতি: দুধ দোহনের পরপর স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ৮ পিপিএম হাইড্রোজেন পার অক্সাইড প্রয়োগ করা হয়। এতে করে দুধ ১৫-২০° সে তাপে রাখলে ৭-৮ ঘণ্টা ভালো থাকে। সন্ধ্যায় গাভি দোহন করে এই পদ্ধতি অবলম্বন করে পরদিন সকালে বিশুদ্ধ অবস্থায় দুধ বাজারজাত করা যায়। এলপিএস পদ্ধতিতে ল্যাক্টোপিরিডেজ নামক এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয় যা থায়োসায়ানেটকে কার্যশীল করে দুধে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে।

৩. দুধ পাস্তুরিকরণ: দুধ পাস্তুরিকরণের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ধ্বংস করা। দুধ বেশি সময় সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজন অবাঞ্চিত রোগজীবাণু ধ্বংস করা।

মাহফুজ হোসেন দুধ সংরক্ষনের উপরোক্ত আধুনিক কৌশলগুলো দুগ্ধ খামারিদেরকে প্রশিক্ষণ দিলেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাহফুজ সাহেব বিভিন্ন এলাকায় খামার পরিদর্শনকালে খামারিদের সনাতন পদ্ধতিতে দুধ সংরক্ষণ করতে দেখেন এবং বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কিছু অসংগতি লক্ষ করেন।

সনাতন পদ্ধতিতে দুধ সংরক্ষণের ফলে দুধের গুণগতমান নষ্ট হয়ে যায়। এ সমস্যা সমাধানের জন্য দুগ্ধ খামারিদের আধুনিক পদ্ধতিতে দুধ সংরক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। অপরদিকে দুধের গুণগতমান ঠিক রাখার জন্য বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনে বিবেচ্য কিছু বিষয় সম্পর্কে সচেতন করা যেতে পারে।

খামারিদের প্রথমে গাভির স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। দুগ্ধবতী গাভিকে দুধ দোহনের এক ঘন্টা আগ পর্যন্ত খাওয়াতে হবে। তবে খাদ্য অবশ্যই সুষম হতে হবে। পশুর খাবারে বর্জ্য, কীটনাশক, রোগজীবাণু ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ যেন না থাকে সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে। পশুকে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করতে হবে। পশু ছাউনি থেকে গোবর সরানোর জন্যে তৈরি নালা এবং গলিপথগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। দোহন ঘরের মেঝে ১ শতাংশ ব্লিচিং পাউডারের মিশ্রণ দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে, কারণ ময়লা মেঝেতে বসবাসের কারণে দুগ্ধবতী গাভির স্তনে মারাত্মক ধরনের রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে। গাভির স্তনে কোনো অসুখ থাকলে সেখান থেকেও দুধ দূষিত হতে পারে। তাই নিয়মিতভাবে রোগ প্রতিরোধে পশুকে টিকা দিতে হবে। দোহন পদ্ধতি সঠিক এবং দোহনকারীকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। দুধ পরিমাপ, পরিবহন ও সংরক্ষণের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করতে হবে।

অতএব, উল্লিখিত বিষয়গুলো সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান থাকলে দুধ উৎপাদন ব্যবস্থাপনার ত্রুটিসমূহ কাটিয়ে উঠা এবং দুধের পরিমাণ ও গুণগতমান বৃদ্ধি করা সম্ভব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
82

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাইলেজ (Silage) হলো রসালো অবস্থায় ফুল আসার পূর্বে সবুজ ও সতেজ ঘাসকে (ভুট্টা, নেপিয়ার, গিনি ইত্যাদি) কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণকৃত খাদ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
405
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন তথা গরু, মহিষ ও ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। এদেশের কৃষিখাতের আয়ের একটি বিরাট অংশ নির্ভর করে পশুসম্পদের উপর। গরু, মহিষ ও ছাগলের মাংস, দুধ, চামড়াসহ বিভিন্ন উপজাত দ্রব্যাদি যেমন- হাড়, শিং, নাড়িভুঁড়ি, গোবর ইত্যাদি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া কৃষিকাজ, গাড়িটানা, সেচকাজ, ঘানিটানা, ভারবহন, বিনোদন প্রভৃতি কাজে গবাদিপশুর বহুল ব্যবহার হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে পশুসম্পদের অবদান প্রায় ১৬.৫২%। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণেও গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.4k
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের দুগ্ধ খামারের গাভিগুলো হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরু। নিচে এদের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- 

i. দুধাল জাতের মধ্যে এরা সবচেয়ে বড় আকারের গরু। এদের গায়ের রং সাধারণত সাদা-কালো ছোপ ছোপ হয়। 

ii. মাথা লম্বাটে, সরু ও সোজা হয়। এদের কুঁজ উঁচু হয় না। 

iii. দিনে ৩০ লিটারের বেশি দুধ দেয়। দুধে চর্বির পরিমাণ ৩.৫- ৪%। 

iv. বড় আকারের গাভির ওজন ৫০০-৬০০ কেজি এবং ষাঁড়ের ওজন ৮০০-১০০০ কেজি হয়। 

V. বকনা ১৮ মাস বয়সে প্রজননক্ষম হয় এবং ৩০ মাসে বাচ্চা দেয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
512
উত্তরঃ

রুহুল আমিনের খামারের গরুগুলো ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত।

ক্ষুরা রোগ প্রতিরোধে ৬ মাস বয়সে পশুকে টিকা দিতে হবে। পরে প্রতি বছরে একবার করে টিকা দিতে হবে। এছাড়া সুস্থ পশুকে আক্রান্ত পশু হতে পৃথক রাখতে হবে এবং আক্রান্ত পশুর মল, রক্ত ও মৃতদেহ মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। সর্বোপরি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত শুকনো স্থানে পশু লালন-পালনের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু হতে আলাদা করে পরিষ্কার ও শুকনা জায়গায় রাখতে হবে। আক্রান্ত পশুকে কচি ঘাস ও তরল খাবার যেমন ভাতের মাড় বা জাউভাত খেতে দিতে হবে। আক্রান্ত পশুর মুখের বা পায়ের ঘা-এর চিকিৎসা করাতে হবে। মুখের ক্ষত ও জিহ্বা প্রত্যহ ২/৩ বার পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) অথবা ফিটকিরি বা এলম (২%) দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। ৩% আইওসান সলিউসান দ্বারা ক্ষতস্থান দৈনিক ৩ বার করে ৩ ৫ দিন ধুয়ে দিতে হবে। অথবা মুখের ঘা-এ সোহাগার খৈ গুঁড়া করে মধু বা ঝোলাগুড়ের -সাথে মিশিয়ে লাগাতে হবে। আইওসান দ্বারা ধোয়ার পরপরই ক্ষতস্থানে এন্টিবায়োটিক পাউডার লাগিয়ে অথবা পায়ের ক্ষত স্থানে তুঁতে (১%) অথবা সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (২%) অথবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (০.০১%) সলিউশন দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। এরপর | গন্ধকের গুঁড়া বা সালফানিলামাইড পাউডার দিনে ২-৩ বার লাগাতে হবে। নারিকেল তেল ও তারপিন তেল ৪:১ অনুপাতে মিশিয়ে ঘা-এ লাগাতে হবে যাতে ক্ষতস্থানে মাছি না পড়ে। প্রাণিচিকিৎসকের পরামর্শে উপরোক্ত ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করে রুহুল আমিন তার খামারে ক্ষুরারোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
437
উত্তরঃ

সুষম খাদ্য বলতে যে খাদ্যে সকল খাদ্য উপাদান সুনির্দিষ্ট পরিমাণে বা অনুপাতে থাকে সে খাদ্যকে বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
391
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews