মাহমুদ সাহেব আরবি একটি মাসে দীর্ঘ একমাসব্যাপী নির্দিষ্ট সময় পানাহারসহ সকল ইন্দ্রিয় তৃপ্তি হতে নিজেকে মুক্ত রাখেন। এসময় তিনি কুরআন তিলাওয়াত ও দান-সদকা বেশি করেন। মাসউদ সাহেব আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে জিলহজ মাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন মক্কা ও তার পার্শ্ববর্তী নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে শরিয়তের হুকুম অনুযায়ী তাওয়াফ, সাঈ ও নির্দিষ্ট কিছু অনুষ্ঠানাদি পালন করে দেশে ফিরে আসলেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

 সাওমকে ঢালের সাথে তুলনা করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসলিমগণ হজ করতে মক্কায় সমেবত হয় তাই এটা বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মেলন। হজ মূলত আন্তর্জাতিক ইবাদত। বিশ্ব মুসলিমের একীভূত হওয়ার, একই চিন্তা ও পথে পথপরিক্রমার এক মহান প্লাটফরম। পৃথিবীর সব অঞ্চলের, সব জাতি ও বর্ণের মুসলিম হজ উপলক্ষে মক্কায় সমবেত হয়। প্রতিবছর একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত স্থানে মুমিনদের এ সমাবেশ তাদের বার্ষিক কার্যক্রম মূল্যায়ন ও পরিবর্তী বছরের কর্মসূচি প্রণয়নে ভূমিকা রাখে। এ কারণেই একে বিশ্ব মুসলিমের মহাসম্মেলন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাহমুদ সাহেব সাওম পালন করেন, আর সাওমের আধ্যাত্মিক শিক্ষা অপরিসীম। সাওম শব্দের অর্থ বিরত থাকা বা আত্মসংযম করা। সাওম এর প্রচলিত নাম রোজা যা ফারসি ভাষার শব্দ। পরিভাষায়, রমজান মাসে সাওমের নিয়তে সুবহি সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনক্রিয়া থেকে বিরত থাকাকে সাওম বলে। যা মাহমুদের কর্মকাণ্ডে ফুটে ওঠেছে।

উদ্দীপকের মাহমুদ সাহেব একমাসব্যাপী নির্দিষ্ট সময় পানাহারসহ সকল ইন্দ্রিয় তৃপ্তি হতে নিজেকে মুক্ত রাখেন। সুতরাং বলা যায় তিনি সাওম পালন করেন। সাওম ব্যক্তির আত্মাকে পরিশোধিত করে তার উৎকর্ষ সাধন করে। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মানুষের আত্মা মানবিক স্তরের সীমাবদ্ধতা ও চাহিদা অতিক্রম করে। সে ভোগ থেকে বিরত থাকে। তার মধ্যে আল্লাহর জিকির ও তাকওয়ার পূর্ণ রূপ ফুটে ওঠে। আত্মার মধ্যে যে কলুষতার কালিমা জমা হয়, সাওম তা দূর করে। ফলে আত্মা পবিত্র ও পরিশুদ্ধ হয়ে ওঠে। এছাড়া বিভিন্ন বদঅভ্যাস ত্যাগ করে সাওম উন্নত নৈতিক চরিত্র গড়ে তোলার শিক্ষা দেয়। এসময়ে শক্তি ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি পানাহার বা যৌনাচারে লিপ্ত না হয়ে সুন্দরতম সংযমের অনুশীলন করে। তার মধ্যে সবর বা ধৈর্যশীলতার দুর্লভ গুণ স্থান করে নেয়। সাওমলব্ধ তাকওয়া তাকে হিংসা, পরনিন্দা ও পাপাচারের বিপরীতে কুরআন তিলাওয়াত, দানশীলতা ও ইবাদতে অভ্যস্ত করে তোলে। ফলে ব্যক্তি সুদৃঢ় ও উন্নত নৈতিক চরিত্রের অধিকারী হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মাসউদ সাহেবের ইবাদত হজের অন্তর্ভুক্ত, যার সামাজিক শিক্ষা ও গুরুত্ব অপরিসীম। হজ শব্দের অর্থ ইচ্ছা করা, সংকল্প করা ইত্যাদি। পরিভাষায় আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে জিলহজ মাসের নির্ধারিত দিনসমূহে নির্ধারিত নিয়মে পবিত্র কাবাঘর প্রদক্ষিণ ও সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহে নির্ধারিত কাজ করাকে হজ বলে। মাসউদ সাহেব এটিই পালন করেছেন।

উদ্দীপকের মাসউদ সাহেব নির্দিষ্ট কয়েকটি দিন মক্কা ও পার্শ্ববর্তী নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে তাওয়াফ, সাঈ করে দেশে ফিরেছেন। সুতরাং বলা যায় তিনি হজ আদায় করেছেন। হজের মাধ্যমে মানুষ দায়িত্ববোধ ও অধিকার সচেতন হয়। এর মাধ্যমে ব্যক্তি ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। সে পশু কুরবানি করে। তার সহচর- সহহাজিদের জন্য নিজের সুবিধা ত্যাগ করে। এভাবে ক্ষুদ্রতর ত্যাগ থেকে সে বৃহৎ ত্যাগের প্রশিক্ষণ পায়। অপরদিকে হজ বিশ্ব মুসলিমের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি প্রতিষ্ঠা করে, সাম্যবাদী চেতনা, সুদৃঢ় ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক তৈরি এবং শৃঙ্খলার প্রশিক্ষণ দেয়। পরিশেষে বলা যায়, বিশ্ব মুসলিম ভ্রাতৃত্ব সৃষ্টির পাশাপাশি হজ মানুষকে দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
129
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব ইবাদতের ওপর ইসলামের মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে তাই মৌলিক ইবাদত।

মহানবি (স) ইসলামের মৌলিক ইবাদত হিসেবে চার রকমের ইবাদতের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স) তাঁর বান্দা ও রাসুল, সালাত কায়েম করা, জাকাত আদায় করা, হজ করা ও রমজানের রোজা পালন করা। এ পাঁচটি ইবাদতের মধ্যে প্রথমটি আকিদাগত বিষয়। বাকি চারটি হলো আনুষ্ঠানিক ইবাদত। আর মৌলিক ইবাদত বলতে সাধারণত এ চারটি ইবাদতকেই বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
427
উত্তরঃ

জনাব মিরাজের এরূপ অস্বীকৃতি ইসলামের দৃষ্টিতে কুফর। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম সাওম। প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ, স্থায়ী অধিবাসী বা মুকিম এবং সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলিম নারী, পুরুষের ওপর রমজান মাসের রোজা রাখা ফরজ। জনাব মিরাজের মধ্যে এই ফরজ ইবাদতটি অস্বীকারের দৃষ্টান্ত লক্ষ করা যায়। জনাব মিরাজ নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করেন। কিন্তু ক্ষুধা সহ্য করতে না পারার কারণে তিনি রোজা পালন করতে রাজি নন। অথচ শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণ ছাড়া সাওম পালন না করা কবিরা গুনাহ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন- হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর সাওম পালন ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর (আল বাকারা-১৮৩)।

কুরআনের এ আয়াতের আলোকে বোঝা যায়, এটি অবশ্যপালনীয়। শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণে এটা পালন সম্ভব না হলেও পরে কাযা করতে হবে বা ফিদইয়া দিতে হবে। কেউ যদি ইসলামের এই ফরজ বিধানকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফির হয়ে যাবে। জনাব মিরাজ ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত এবং বুনিয়াদি স্তম্ভ সাওম পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাই তার মনোভাব কুফরির শামিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
287
উত্তরঃ

'আমি ক্ষুধা সহ্য করতে পারি না'- সাওম সম্পর্কে জনাব মিরাজের এরূপ মন্তব্য সম্পূর্ণরূপে শরিয়তসম্মত নয়। মানুষের অনন্ত ও স্থায়ী জীবন হলো পরকালীন জীবন। এই জীবনের সফলতাই প্রকৃত সফলতা। আর পরকালীন জীবনে সফলতার অন্যতম মাধ্যম হলো সাওম পালন করা। এ বিষয়টিই ইমাম সাহেবের মন্তব্যে পরিলক্ষিত হয়।

ইমাম সাহেব জনাব মিরাজের সাওম পালনে অস্বীকৃতির জবাবে বলেছেন, "হাশরের ময়দানে সাফল্য লাভ করতে হলে অন্যান্য মৌলিক ইবাদতের পাশাপাশি তোমাকে অবশ্যই সাওম পালন করতে হবে।” কথাটি অবশ্যই শরিয়তসম্মত এবং যৌক্তিক। এ পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবার পর সব মানুষ কিয়ামতের ময়দানে একত্রিত হবে। সূর্য অত্যন্ত নিকটবর্তী হওয়ায় এর প্রচণ্ড তাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কোনো ছায়া থাকবে না। এমতাবস্থায় সাওম পালনকারীরা পাবে আরশের ছায়া। সেখানে তারা অত্যন্ত নিরাপদে থেকে বিচারের অপেক্ষায় থাকবে আর বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রেও তারা বিশেষ সুবিধা পাবে। কারণ সাওম সেদিন মহান আল্লাহর কাছে তাদের মুক্তির জন্য সুপারিশ করবে এবং আল্লাহ সেই সুপারিশ কবুল করবেন। অবশ্যই এজন্য সাওম পালনের পাশাপাশি অন্যান্য ফরজ ইবাদতগুলোও পালন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে মহানবি (স) ইরশাদ করেন, সাওম ও কুরআন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। সাওম বলবে, হে প্রভু! আমি তাকে দিনের বেলায় পানাহার ও যৌন কামনা থেকে বিরত রেখেছি। কাজেই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। আর কুরআন বলবে, হে প্রভু! আমি তাকে রাতের বেলায় ঘুম থেকে বিরত রেখেছি। কাজেই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। তখন তাদের উভয়ের সুপারিশ কবুল করা হবে।

উপরের আলোচনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, ইসলামের দৃষ্টিতে জনাব মিরাজ সাহেবের এরূপ মন্তব্য যথার্থ নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
322
উত্তরঃ

ইবাদত প্রধানত দুই প্রকার। যথা: হাক্কুল্লাহ এবং হাক্কুল ইবাদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
529
উত্তরঃ

হাক্কুল ইবাদ বলতে মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যকে বোঝায়। মানুষ সামাজিক জীব। তাই সমাজবদ্ধ হয়েই তাদেরকে বসবাস করতে হয়। আমরা পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া- প্রতিবেশীদের নিয়ে সামাজিকভাবে এক সাথে বসবাস করি। একজনের দুঃখে অন্যজন সাড়া দিই। আপদে-বিপদে একে অপরকে সাহায্য-সহযোগিতা করি। পরস্পরের প্রতি এ সহানুভূতি ও দায়িত্বই হাক্কুল ইবাদ তথা বান্দার হক বা অধিকার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
470
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews