আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী'।
"লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা- এই তিন নিয়ে মিয়ানমার।"ー উক্তিটি দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন যে, মিয়ানমারের সর্বত্রই লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা দেখা যায়।
মিয়ানমারের নারী-পুরুষ সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েরা লুঙ্গির সাথে ব্লাউজ পরে, আর পুরুষরা লুঙ্গির সাথে জামা পরে। ফুঙ্গিরা হলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাদের পেশা হলো ভিক্ষা করা এবং ধর্ম প্রচার করা। আর প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের প্রার্থনার স্থান। মিয়ানমারে এগুলো বেশি রয়েছে এবং বেশি দেখা যায়। তাই আলোচ্য কথাটি লেখক বলেছেন।
উদ্দীপকের ভুটানিদের খাদ্যাভ্যাসের সাথে মংডুর অধিবাসীদের খাদ্যাভ্যাসের বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।
জ্ঞান অর্জনের জন্য অন্যতম উপায় ভ্রমণ করা। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে পারে। ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ একটি দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করে। সেই দেশের মানুষের আচার-ব্যবহার, খাদ্যাভাস প্রভৃতি সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জন করে।
উদ্দীপকে ভুটান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। এখানে মাহিনের ভুটান ভালো লাগার কথা বলা হয়েছে। ভুটানিদের পোশাক, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে মাহিন ধারণা অর্জন করে। ভুটানিরা আটা, সবুজ সবজি এবং আলু দিয়ে তৈরি 'আলুটমা' খায়। ভুটানিদের এ খাদ্যাভ্যাস 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে বর্ণিত মংডুর অধিবাসীদের খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ। মংডুবাসী যে ধরনের খাবার খায় তা ভুটানিদের খাদ্য তালিকায় দেখা যায় না। তারা ধানি লঙ্কা পুড়িয়ে নুন ও পেয়াজ দিয়ে ভর্তা করে খায়। তারা পোড়া বা সেদ্ধ ধানি লঙ্কা মাটির হামানদিস্তায় পিষে নেয়। তারা ভাত খায়। মংডুর অধিবাসীদের খাদ্যাভ্যাসের সাথে ভুটানিদের খাদ্যাভাসের এখানেই বৈসাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।
"মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির মূলভাব ধারণ করে না।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ বিচিত্র অভিজ্ঞতা অর্জন করে। এর মাধ্যমে একটি দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, লোকজন, লোকজনের আচার-ব্যবহার, খাদ্যাভ্যাস প্রভৃতি সম্পর্কে জানা যায়।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে লেখক মিয়ানমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। মিয়ানমারের পশ্চিম সীমান্তের শহর মংডু দিয়ে লেখকের ওই দেশ সফর শুরু হয়েছিল। তিনি এখানে মংডুর মানুষের পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, ব্যাবসা-বাণিজ্য প্রভৃতি সম্পর্কে তাঁর ধারণা ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়গুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও একটি দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের দিকটি উদ্দীপকের বর্ণনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এছাড়া এ ভ্রমণকাহিনিতে মংডুর রাস্তাঘাট রেস্তোরাঁ নারীদের পোশাক-পরিচ্ছদ এবং তাদের স্বাধীন ব্যাবসা পরিচালনার যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলো উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়নি।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে রাখাইন সম্প্রদায়ের স্বাধীন জীবনযাপন, মুসলমান মহিলাদের বোরকা পরে চলাচল, ব্রিটিশ আমলের গাছপালা, বৃষ্টি শিরীষ, তেঁতুল গাছ প্রভৃতির কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়গুলো উদ্দীপকে অনুপস্থিত। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allসেলাইবিহীন লুঙ্গির মতো বস্তুটির নাম চীবর।
"ব্যান্ডেল রোড তাদের স্মৃতি বহন করছে" বলতে পাদরি ও পর্তুগিজদের বসবাসের স্মৃতির কথা বোঝানো হয়েছে।
মংডু টেকনাফের ওপারে, মাঝখানে নাফ নদী। এটি পার হয়ে ব্রিটিশ যুগের বহু আগে থেকেই চট্টগ্রামে অনেকে এসেছেন। পাদরি মেস্ট্রো সেবাস্টিন মানরিক সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে এ পথে আসেন। তারও একশ বছর আগে পর্তুগিজরা চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করে। তারা নিজেদের বসতির জায়গাকে ব্যান্ডেল বলত। মংডু ও চট্টগ্রামের যোগাযোগের মাধ্যম রাস্তাটি অর্থাৎ ব্যান্ডেল রোডটি সেই পাদরি ও পর্তুগিজদের স্মৃতি বহন করছে।
উদ্দীপক-১-এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম নারকেল গাছ এবং মংডুদের খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
প্রতিটি দেশে সংস্কৃতির ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়। তবে ভ্রমণের মাধ্যমে মানুষ নিজের দেশের সাথে ভ্রমণরত দেশের সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য বুঝতে পারে।
'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনিতে দেখা যায়, মংডুর অধিবাসীদের বাড়ির সামনে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে নারকেল গাছ। বাড়ির সামনের নারকেল গাছটির গোড়ার দিকে মাথা সমান উঁচুতে রয়েছে অর্কিড। তাতে রঙিন ও সাদা ফুল ফোটে। উদ্দীপক-১ এ শ্রীলংকার অস্তিত্বের সঙ্গে নারকেলের জড়িয়ে থাকার বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে। উদ্দীপক-১-এ নারকেলতেল ছাড়া শ্রীলংকানরা রান্না করে না এবং রান্নায় প্রচুর মসলা এবং লাল মরিচ ব্যবহার করে। এই বিষয়টি চাকমা-মারমারা যে ধানিলঙ্কা পুড়িয়ে নুন ও পেয়াজ দিয়ে ভর্তা করে, ভ্রমণকাহিনির সেই বিষয়ে বর্ণনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপক-১ এ 'মংডুর পথে' ভ্রমণকাহিনির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিষয়টি এবং খাবারের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।
আলাওলের শ্রেষ্ঠ রচনা 'পদ্মাবতী'।
"লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা- এই তিন নিয়ে মিয়ানমার।"ー উক্তিটি দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন যে, মিয়ানমারের সর্বত্রই লুঙ্গি, ফুঙ্গি ও প্যাগোডা দেখা যায়।
মিয়ানমারের নারী-পুরুষ সবাই লুঙ্গি পরে। মেয়েরা লুঙ্গির সাথে ব্লাউজ পরে, আর পুরুষরা লুঙ্গির সাথে জামা পরে। ফুঙ্গিরা হলেন বৌদ্ধ ভিক্ষু। তাদের পেশা হলো ভিক্ষা করা এবং ধর্ম প্রচার করা। আর প্যাগোডা হলো বৌদ্ধদের প্রার্থনার স্থান। মিয়ানমারে এগুলো বেশি রয়েছে এবং বেশি দেখা যায়। তাই আলোচ্য কথাটি লেখক বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!