আলো একটি স্বচ্ছ মাধ্যম হতে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে আপতিত হলে, মাধ্যম দুটির বিভেদতলে এর দিক পরিবর্তন করার ঘটনাই হলো আলোর প্রতিসরণ।
চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটের যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে চোখে স্পষ্ট দেখা যায় তাই স্পষ্ট দর্শনের নিকট বিন্দু এবং চোখ হতে ঐ বিন্দুর দূরত্ব হলো স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব। একজন স্বাভাবিক বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই দূরত্ব হলো ২৫ সেন্টিমিটার।
চোখের সাপেক্ষে সবচেয়ে নিকটের যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে বিনা শ্রান্তিতে চোখে স্পষ্ট দেখা যায় তাই স্পষ্ট দর্শনের নিকট বিন্দু এবং চোখ হতে ঐ বিন্দুর দূরত্ব হলো স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব। একজন স্বাভাবিক বয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই দূরত্ব হলো ২৫ সেন্টিমিটার।
উদ্দীপকের বিশেষ ধরণের আয়নাটি হলো একটি উত্তল দর্পণ। নিচে এর ক্রিয়াকৌশল ব্যাখ্যা করা হলো-
উত্তল দর্পণে অসীম দূরত্ব থেকে আগত আলোকরশ্মি দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে অপসারী আলোকগুচ্ছে পরিণত হয়। এই রশ্মিগুচ্ছকে বিপরীত দিকে বাড়ালে আয়নার উল্টো দিক থেকে আসছে বলে মনে হয়। গাড়ীর পিছন থেকে আগত চিত্রের একটি প্রকৃত চিত্র থেকে ছোট প্রতিবিম্ব গাড়ী চালকের দৃষ্টিগোচর হয়। এতে পিছনের অনেকটুকু রাস্তার চিত্র ছোট একটি উত্তল দর্পণে দেখা সম্ভব হয়। এর ফলে অনেক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত গাড়ীতে বিশেষ ধরনের ব্যবহৃত আয়নাটি হলো উত্তল দর্পণ। নিচে উত্তল দর্পণ ব্যবহারের কারণ আলোচনা করা হলো-
গাড়ী নিরাপদ ড্রাইভিং করার অন্যতম শর্ত হলো নিজ গাড়ীর আশেপাশে সর্বদা কী ঘটছে তা খেয়াল করা। সাধারণত গাড়ীর সামনের দরজার সম্মুখ দিকে দু'পাশে দুটি দর্পণ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া গাড়ীর ভিতরে সামনের দিকে মাঝখানে আরেকটি দর্পণ থাকে। এগুলো সবই উত্তল দর্পণ। এসব দর্পণ গাড়ীর দুপাশে এবং পিছনের দিকে দেখার কাজে সহায়তা করে। ফলে ড্রাইভারকে শরীরে কোনো রকম মোচড় দিতে বা নাড়াতে হয় না। এর ফলে কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য ড্রাইভারকে তার হাত সর্বদা হুইলে রেখে সামনে বা পিছনের দিকে নজর রাখতে সহজ হয়।
উপরিউক্ত কারণে গাড়ীতে বিশেষ ধরণের আয়না তথা উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়।
Related Question
View Allআলোর প্রতিসরণ (Reflection of light) হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে আলোর রশ্মি একটি বিপরীত পৃষ্ঠ থেকে ফিরে আসে। এটি ঘটে যখন আলোর রশ্মি কোনো প্রতিবন্ধক বা পৃষ্ঠে আঘাত করে এবং সেই পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত হয়।
প্রতিসরণের দুইটি মূল ধরণ রয়েছে:
- সমতল প্রতিসরণ: যখন আলো একটি সমতল পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন আয়না।
- বক্র প্রতিসরণ: যখন আলো বক্র পৃষ্ঠে প্রতিফলিত হয়, যেমন জলাধার বা কোনো গোলাকার পৃষ্ঠ।
প্রতিসরণের মূল নিয়ম:
- প্রতিরূপ নিয়ম: প্রতিসরণের সময়, প্রতিসরণের কোণ (অর্থাৎ আলোর আসার কোণ) এবং প্রতিফলনের কোণ (অর্থাৎ ফিরে আসার কোণ) একে অপরের সমান হয়।
- আইনার নিয়ম: আলো যে কোন পৃষ্ঠের দিকে প্রবাহিত হয়, সেই পৃষ্ঠের সাথে প্রান্তিক অবস্থায় প্রতিসরণ ঘটে।
উদাহরণস্বরূপ, একটি আয়না দেখতে পাওয়া যা আমাদের নিজস্ব প্রতিবিম্ব দেখায়, এটি আলোর প্রতিসরণের একটি বাস্তব উদাহরণ।
পদার্থবিজ্ঞানে প্রতিসরণ বলতে একটি তরঙ্গের পথ পরিবর্তনকে বোঝায়; যখন এটি একটি মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যায়। তরঙ্গের গতির পরিবর্তন বা মাধ্যমের পরিবর্তনের কারণে পথ পরিবর্তন হতে পারে। আলোর প্রতিসরণ হতে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য তরঙ্গ যেমন শব্দ তরঙ্গ এবং জলতরঙ্গেও প্রতিসরণ হতে দেখা যায়।
আলো যখন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে লম্বভাবে বাকাভাবে আপতিত হয় তখন বিবেদতলে এর গতিপথের দিক পাল্টে যায়। আলোকরশ্মির দিক পরিবর্তন করার এই ঘটনাই হলো আলোর প্রতিসরণ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!