যা কিছু নির্দিষ্ট প্রযুক্তি, অর্থনীতি এবং সামাজিক অবস্থায় ব্যবহার করা যায় তাকেই সম্পদ বলে।
সূর্যকিরণ ও বাতাসের বিনিময় মূল্য না থাকার কারণে এগুলো সম্পদ নয়।
অবাধলভ্য দ্রব্য সম্পদ হিসেবে গণ্য নয়। অর্থাৎ যেসব দ্রব্য সহজে লাভ করা যায় এবং যার যোগান অসীম তা সম্পদ হিসেবে গণ্য নয়।
সূর্যকিরণ ও বাতাসের উপযোগ আছে কিন্তু এর যোগান অসীম। ফলে সূর্যকিরণ ও বাতাসকে সম্পদ হিসেবে গণ্য করা হয় না।
বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ বিভিন্নভাবে সম্পদ ব্যবহার করে। মাহিমের মতো তাদের ব্যবহৃত সম্পদ বিভিন্নভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
নিম্নে সম্পদ সংরক্ষণের উপায় বর্ণনা করা হল:
১. সম্পদ ব্যবহারের উত্তম ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। উত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নবায়নযোগ্য সম্পদের বৃদ্ধি করা সম্ভব।
২. নবায়নযোগ্য সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ এবং পানিশক্তিকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করলে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না।
৩. বিভিন্ন ব্যবহৃত বস্তুকে রিসাইক্লিং করে পুনরায় সম্পদরূপে ব্যবহার করা যায়, এতে সম্পদের অপচয় কম হয়।
৪. সম্পদের বাছাইকরণের মাধ্যমে সম্পদের উপযোগিতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।
৫. জৈবিক সম্পদের বৃদ্ধি সাধনের ব্যাপারটি চিন্তা করা যায়।
৬. কৃষি মৃত্তিকা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন রকমের মৃত্তিকা সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন সোপান চাষ, শস্য আবর্তন।
৭. অকৃষি অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে মৃত্তিকাকে সংরক্ষণ করা যায়।
সম্পদ সংরক্ষণের অর্থ প্রাকৃতিক সম্পদের এমনভাবে ব্যবহার, যাতে ঐ সম্পদ যথাসম্ভব অধিক সংখ্যক লোকের দীর্ঘসময়ব্যাপী সর্বাধিক মঙ্গল নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়। অর্থনীতিবিদদের মতে সম্পদ অসীম নয় সসীম। তাই সম্পদ ব্যবহারের উত্তম ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।
উত্তম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নবায়নযোগ্য সম্পদের বৃদ্ধি সম্ভবপর।
অনবায়নযোগ্য সম্পদ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হতে পারে। যেমন- তেল পোড়ানো। কিন্তু নবায়নযোগ্য সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৌরবিদ্যুৎ এবং পানি শক্তিকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করলে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবহৃত বস্তুকে রিসাইক্লিং করে পুনরায় সম্পদরূপে ব্যবহার করা যায়। এতে সম্পদের অপচয় কম হয়।
সম্পদের বাছাইকরণের মাধ্যমে অর্থাৎ একের পরিবর্তে অন্যটির গুরুত্ব অনুধাবনে সম্পদের উপযোগিতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। অনবায়নযোগ্য সারের প্রয়োগে প্রাথমিকভাবে ফলন বাড়লেও পরবর্তীতে অধিক সারের প্রয়োগে জমির ক্ষতি সাধিত হয়। এক্ষেত্রে নবায়নযোগ্য জৈবিক সম্পদের বৃদ্ধি সাধনের চেষ্টা করতে হবে। কৃষি মৃত্তিকা রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন রকমের মৃত্তিকা সংরক্ষণ পদ্ধতির ব্যবহার লক্ষণীয়। যেমন- সোপান চাষ। এছাড়া অকৃষি অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে মৃত্তিকাকে সংরক্ষণ করা যায়। সর্বোপরি ভূমি, পানি, বিভিন্ন খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
এভাবে সম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে স্বাভাবিকভাবেই তা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!