কআদিম সমাজের প্রধান কাজ ছিল শিকার ও খাদ্য সংগ্রহ।
বিশ্বায়ন বলতে সারাবিশ্বের মানুষ ও সংস্থাগুলো এবং সবগুলোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া ও সংহতকরণ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। বর্তমানে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র, কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও যোগাযোগের নানা মাধ্যম যেমন ফেসবুক পৃথিবীর মানুষকে অনেক কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। বলা হচ্ছে সমস্ত পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। আর এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় বিশ্বায়ন।
উদ্দীপকের মাহিমের দেখা মানুষগুলো উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ ও পশুপালনকারী সমাজের ইঙ্গিত বহন করছে।
উদ্যান কৃষি ও পশুপালনকারী সমাজেই প্রথম খাদ্য উৎপাদন শুরু হয়। এ সময় সমাজের মেয়েরা ফলমূল সংগ্রহ করত আর পুরুষরা শিকার করত। আদিম মেয়েরা লক্ষ করে, তাদের থাকার জায়গার পাশে শস্যদানা পড়ে চারা গাছ গজিয়ে উঠেছে। এ থেকে তাদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা জন্মে। তারা পাথরের হাতিয়ার দিয়ে গর্ত করে বীজ বুনে চাষা বাদ শুরু করে। আবার পশুপালনকারী সমাজের মানুষদের হাতে বুনো ষাঁড়, গরু, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, গাধা প্রভৃতি পশু ধরা পড়ত। সেগুলোকে তারা বেঁধে রাখত। শিকার না মিললে তারা এগুলোকে বধ করে আহার করত। মানুষ ক্রমে বুঝতে পারল, এগুলোকে বাঁচিয়ে রাখলে বেশি লাভজনক হবে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দালকের মাহিমের ঢাভতে দেখা মানুষগুলো আদিকালের উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ এবং পশুপালনকারী সমাজের মানুষের প্রতি ইঙ্গিত করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রথম সমাজ হলো উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ। কৃষির উন্নতিতে এ সমাজ যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে।
উদ্যান কৃষি ও পশুপালনকারী সমাজই প্রথম খাদ্য উৎপাদন শুরু করে। পাথরের হাতিয়ার দিয়ে মাটি খুঁড়ে মানুষ বীজ বুনে শুরু করে চাষাবাদ। সমাজবিজ্ঞানিগণ বলেন, মেয়েরাই কৃষিকাজ উদ্ভাবন করেছে। খাবার সুংগ্রহ করতে গিয়ে তারা বিভিন্ন রকম ফলমূল নিয়ে আসত। তাদের থাকার জায়গার পাশে এসব ফলমূলের বীজ পড়ে চারা গাছ বেড়ে উঠত। তাছাড়াও মেয়েরা জমিতে পাথরের হাতিয়ার দিয়ে গর্ত করে বীজ বুনত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মাহিমের টেলিভিশনে দেখা প্রথম সমাজের মানুষও পাথরের হাতিয়ার দিয়ে মাটি খুঁড়ে বীজ বপন করছে, যা উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের বৈশিষ্ট্য বহন করে। সুতরাং বলা যায়, খাদ্য উৎপাদনের ধারণা সর্বপ্রথম শুরু হয় উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজে। তাই, কৃষির উন্নতিতে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের অবদান যথেষ্ট তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।
Related Question
View Allপোড়াবাড়ি চমচমের জন্য বিখ্যাত।
আদিমকালে জীবজন্তুর আক্রমণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা বিপদের সামনে মানুষ ছিল অসহায়। অস্তিত্ব রক্ষা আর জীবনযাপনের চাহিদা পূরণের জন্য তারা একে অন্যকে সহযোগিতা করার প্রয়োজন অনুভব করে। তাই খাদ্য সংগ্রহ ও হিংস্র প্রাণীর আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে ইঙ্গিত করছে।
শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজ হচ্ছে মানব সমাজের আদিমতম রূপ। তখন স্থায়ী কোনো ঘরবাড়ি ছিল না। মানুষ গুহায় ও বনজঙ্গলে বাস করত। প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল প্রচুর। কিন্তু এ সম্পদকে ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন করতে শেখেনি। বনজঙ্গল থেকে তারা খাবার খুঁজে নিত আর শিকার করত। খাবারের খোঁজে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াত। এ সময় মানুষ শীত ও রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মানুষ গাছের ছাল ও লতাপাতা এবং পশুর চামড়া ব্যবহার করত।
উদ্দীপকে ১নং চিত্রে দেখা যায়, একজন মানুষ অস্ত্র (বর্শা) হাতে শিকার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। লোকটির পরনে রয়েছে পশুর চামড়ার তৈরি বস্ত্র। এসব বৈশিষ্ট্য শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজকে নির্দেশ করে।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজটি হচ্ছে উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজ।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলেন, মেয়েরাই প্রথম কৃষিকাজের উদ্ভাবন করেছে। আদিম সমাজে পুরুষেরা যেত শিকারের সন্ধানে। আর ফলমূল সংগ্রহের ভার ছিল মেয়েদের ওপর। খাবার সংগ্রহ করতে গিয়ে মেয়েরা নিয়ে আসত বুনো গম, বার্লির মেটে আলু, কচুর মূল ও কন্দ।. তাদের থাকার জায়গার পাশে গম ও বার্লি দানা পড়ে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে দেখা দিত শিষ ও দানা। এ ঘটনা দেখেই মেয়েদের মনে বীজ ছিটিয়ে শস্য পাওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়। কৃষিকাজের এ পর্যায়কে বলা হয় উদ্যান চাষ।
উদ্দীপকের ২নং চিত্রে দেখা যায়, মেয়েরা কৃষিকাজ করছে। সুতরাং বলা যায়, ২নং চিত্রে মূলত উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের কথা বলা হয়েছে। আর এ সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই। সুতরাং প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি যথার্থ।
সমাজ গঠনের প্রথম ধাপ হলো পরিবার।.
সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য হলো- ১. বহু লোকের সংঘবদ্ধভাবে রসবাস করা; ২. সংঘবদ্ধতার পিছনে কোনো উদ্দেশ্য থাকা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!