মাহি তার দাদার কাছে মুসলমানদের এক যুদ্ধের ইতিহাস শুনছিল। এই যুদ্ধে মহানবি (স), তার দুটি দাঁত হারান। যুদ্ধে জয় যখন সুনিশ্চিত তখন মুসলিম বাহিনী নেতার আদেশ অমান্য করে গণিমতের মাল সংগ্রহে লিপ্ত হয়। ফলে শত্রুবাহিনীর পাল্টা আক্রমণে মুসলিম বাহিনী পরাজিত হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

ইসলামের ইতিহাসে মুসলমানদের সর্বপ্রথম যুদ্ধ ছিল বদর যুদ্ধ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হুদায়বিয়া সন্ধির মধ্যে মুসলমানদের প্রকৃত বিজয় নিহিত ছিল বলে এ সন্ধি 'ফাতহুম মুবিন' নামে পরিচিত।
ইসলাম ও বিশ্বের ইতিহাসে হুদায়বিয়ার সন্ধি এক যুগান্তকারী ঘটনা, কারণ এটি সর্বোতভাবে মুসলিম স্বার্থের অনুকূলে হয়েছিল। এ সন্ধির দ্বারা কুরাইশরা মহানবি (স) কে একজন মহান নেতা এবং মদিনা রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে মেনে নেয়। মুসলমানরা যে একটি স্বতন্ত্র শক্তি তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে এ সন্ধির মাধ্যমে। মোটকথা এ সন্ধি মুসলমানদের একটি স্থায়ী রাজনৈতিক মর্যাদা দান করে। এ কারণে হুদায়বিয়া সন্ধিকে ফাতহুম মুবিন বা শ্রেষ্ঠ বিজয় বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের ঘটনা আমার পাঠ্যপুস্তকের উহুদ যুদ্ধের ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে।

মহানবি (স) মহান আল্লাহর নিকট ধৈর্যের যতগুলো পরীক্ষা দিয়েছিলেন তার মধ্যে উহুদ যুদ্ধ একটি। এটি মুসলমানদের জন্যও এক কঠোর অগ্নিপরীক্ষা ছিল। এ যুদ্ধে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে মুসলমানরা পরবর্তীতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা অর্জন করেছিল। ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দে বদরের যুদ্ধে মুসলমানদের নিকট কুরাইশদের পরাজয় ঘটে। এ প্রেক্ষাপটে ৬২৫ খ্রিষ্টাব্দে উহুদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি এ যুদ্ধের ঘটনারই দৃষ্টান্ত বহন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, কমলাপুর গ্রামের মানুষ পার্শ্ববর্তী ইসলামপুর গ্রামের উন্নতিতে ঈর্ষান্বিত হয় এবং তাদেরকে আক্রমণ করে যুদ্ধে পরাজিত হয় এবং তাদের নেতাকে হারায়। তাই প্রতিশোধ নিতে তারা আবারও ইসলামপুর গ্রাম আক্রমণ করে। এ সংঘর্ষে নেতার নির্দেশ অবমাননার কারণে ইসলামপুরের পরাজয় ঘটে। উহুদ যুদ্ধের ক্ষেত্রেও এমনটি লক্ষণীয়। মহানবি (স) মদিনায় হিজরতের মাত্র দুই বছরের মধ্যে ইসলাম ধর্ম প্রসার লাভ করে। সেখানে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে কুরাইশগণ ভীষণভাবে ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠে। ফলে কুরাইশগণ মুসলমানদের সাথে বদরের যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এতে আবু জেহেলসহ বহু কুরাইশ নিহত হয়। এবং তারা পরাজয় বরণ করে। ফলশ্রুতিতে কুরাইশরা প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য আবারও উহুদের যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। এ যুদ্ধে মহানবি (স)-এর নির্দেশ অমান্যের কারণে মুসলমানদের সাময়িক পরাজয় ঘটে। সুতরাং এটি প্রমাণিত যে, উদ্দীপকের ঘটনা উদ্বুদের যুদ্ধের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

নেতার আদেশ অমান্য করাই উত্ত যুদ্ধে অর্থাৎ উদ্বুদ যুদ্ধে মুসলমানদের পরাজয়ের অন্যতম কারণ।

যেকোনো যুদ্ধে বা কাজে নেতা হলেন অনুসরণীয় আদর্শ। তিনি হলেন পরিচালক। তার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক নির্দেশ যে কোনো কাজে সফলতা বা যুদ্ধে জয়লাভে সহায়তা করে। নেতার আদেশ অমান্য করে কোনো কালেই কোনো শক্তি জয়লাভ করতে পারেনি। এমন পরাজয়ের দৃষ্টান্তই উদ্দীপকে বর্ণিত ইসলামপুর এবং উহুদ যুদ্ধের ক্ষেত্রে লক্ষণীয়। উদ্দীপকে বলা হয়েছে পরাজয়ের গ্লানি মুছে ফেলা এবং নেতার হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য কমলাপুর গ্রামের মানুষ ইসলামপুর গ্রাম আক্রমণ করে। এ আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য ইসলামপুর গ্রামের চেয়ারম্যান ইবনে আবদুল্লাহ ৫০ জন তীরন্দাজকে নির্দিষ্ট স্থান ত্যাগ না করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ নির্দেশ অমান্য করার কারণে ইসলামপুরের পরাজয় ঘটে। উহুদ যুদ্ধেও একই কারণে। মুসলমানরা পরাজিত হয়েছিল। এ যুদ্ধে হযরত মুহাম্মদ (স) আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়েরের নেতৃত্বে ৫০ জন তীরন্দাজ সৈন্যকে উদ্বুদ ও আইনাইন পর্বতের মাঝামাঝি সংকীর্ণ গিরিপথে নিয়োজিত করেন। যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি এ সৈন্যদের এখানে অবস্থান করতে বলেন। কিন্তু সৈন্যরা মহানবি (স)-এর আদেশ অমান্য করে গনিমতের (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ; যেমন- অশ্ব, উট, অস্ত্রশস্ত্র প্রভৃতি) মাল সংগ্রহের জন্য গিরিপথ থেকে সরে গেলে কুরাইশরা খালিদ বিন ওয়ালিদের নেতৃত্বে এ পথ দিয়ে আক্রমণ করে মুসলমানদের পরাজিত করে।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, উহুদ যুদ্ধের নেতা মুহাম্মদ (স) দূরদৃষ্টির অধিকারী ছিলেন। তিনি যুদ্ধের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গিরিপথ থেকে সৈন্যদের না সরার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ নির্দেশ না মানার কারণেই মুসলমানরা পরাজয়ের গ্লানি বরণ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
23

Related Question

View All
উত্তরঃ

সততা ও বিশ্বস্ততার ধারক হওয়ায় মহানবি (স)-কে আল-আমিন বলা হয়।

আল আমিন' শব্দের অর্থ বিশ্বাসী। মহানবি (স) ছোটবেলা থেকেই এ গুণটির অধিকারী ছিলেন। তিনি কখনো মিথ্যা কথা বলতেন না। তাই সবাই তাঁকে প্রচণ্ড বিশ্বাস করত এবং তাঁর ওপর আস্থা রাখত। এ মহান গুণের জন্য তাঁকে সবাই 'আল-আমিন' বলে ডাকত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
132
উত্তরঃ

মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণে দেওয়া দাস-দাসীদের প্রতি সদয় আচরণের উপদেশটি মেনে চললে আশরাফ সাহেব অধীনদের সাথে বিরূপ আচরণ করতে পারতেন না।

১০ম হিজরির ৯ জিলহজ (৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) মহানবি (স) বিশ্বমানবতার জীবন পরিচালনার সার্বিক নির্দেশনাস্বরূপ মক্কার আরাফাতের ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন, যা বিদায় হজের ভাষণ নামে খ্যাত। এ ভাষণে তিনি মানবজাতির সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার সার্বিক উপদেশ প্রদান করেন। অধীন বা দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহারও ছিল এ ভাষণের একটি উপদেশ। কিন্তু আশরাফ সাহেব এ নির্দেশ লঙ্ঘন করেছেন।
আশরাফ সাহেব তার অধীন ড্রাইভার, পরিচারিকা, বাবুর্চির সাথে সমতাভিত্তিক আচরণ করেন না। তিনি তাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করেন। তাদের চিকিৎসা, পোশাক, বাসস্থানের ব্যাপারেও তিনি উদাসীন। অথচ বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) বলেছেন, 'দাস-দাসীদের সাথে সদয় ব্যবহার করো। তাদের ওপর কোনোরূপ অত্যাচার করো না। তোমরা যা খাবে, তাদেরও তাই খাওয়াবে, তোমরা যা পরবে, তাদেরও তাই পরাবে- ভুলে যেও না তারাও তোমাদের মতো মানুষ।'
রাসুল (স)-এর এ নির্দেশ মেনে চললে আশরাফ সাহেব তার অধীন কর্মচারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ করতে পারতেন না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
74
উত্তরঃ

উদ্দীপকে নারীর প্রতি যে অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে তা মহানবি (স)-এর বিদায় হজের ভাষণের নারীর প্রতি সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনার পরিপন্থি

মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর বিদায় হজের ভাষণ ছিল মানবজাতির জীবন পরিচালনার সার্বিক দিকনির্দেশনা। এ ভাষণে মানবজাতির মুক্তির নির্দেশনা দিতে গিয়ে রাসুল (স) বলেন 'তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সদয় ব্যবহার করবে, তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবে না। তাদের ওপর তোমাদের যেমন অধিকার রয়েছে তেমনি তোমাদের ওপরও তাদের অধিকার রয়েছে।' কিন্তু জনাব আশরাফ এ নির্দেশ অমান্য করেছেন।
উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ সাহেব তার স্ত্রীর সাথে দুর্ব্যবহার করেন। পারিবারিক কোনো সিদ্ধান্তে তিনি স্ত্রীর মতামত গ্রহণ করেন না। তার এ কর্মকাণ্ড ইসলাম তথা রাসুল (স)-এর নির্দেশের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। কারণ ইসলাম নারীর সবধরনের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। মহান আল্লাহ স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। রাসুল (স)ও বিদায় হজের ভাষণে স্ত্রীদের প্রতি সদয় আচরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে তাদের সকল প্রকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। তাই প্রত্যেকের কর্তব্য হলো ইসলামের এ নির্দেশ মেনে চলে নারীর মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
81
উত্তরঃ

হিলফুল ফুজুল বলতে কিশোর বয়সে মহানবি (স) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি শান্তিসংঘকে বোঝায়।

মহানবি (স) ছিলেন শান্তির দূত। তাই বালক বয়সে যখন তিনি পাঁচ বছর স্থায়ী 'হারবুল ফুজ্জার' যুদ্ধের (৫৮৪-৫৮৮ খ্রি.) ভয়াবহতা দেখলেন তখন তাঁর অন্তর মানবতার জন্য কেঁদে উঠল। এ প্রেক্ষিতেই তিনি সমমনা কয়েকজন উৎসাহী যুবক ও পিতৃব্য যুবাইরকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন 'হিলফুল ফুজুল' নামের শান্তিসংঘটি। সংগঠনটি গোত্রীয় যুদ্ধের অবসানসহ সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করত। এটি প্রায় ৫০ বছর স্থায়ী ছিল।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
344
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews