মায়িশা তার নানির সাথে বসে গল্প করছে। মায়িশা শহরে থাকে। তাই সে কখনো নদী দেখেনি। সে তার নানির কাছে নদী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তার নানি বলেন, "নদী হলো এমন জলরাশি, যা প্রবাহিত হয়।”

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মনের মৌলিক গুণাবলিকে সংজ্ঞায়িত করা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সংজ্ঞার ক্ষেত্রে পালনীয় একটি অন্যতম নিয়ম হচ্ছে সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থের ব্যকুর্থ বেশি হতে পারবে না। "বিড়াল হয় জীব” প্রদত্ত সংজ্ঞায় এ নিয়মটির লঙ্ঘন ঘটেছে; এ ক্ষেত্রে বিড়াল পদের ব্যক্তর্থের চেয়ে জীব পদের ব্যক্তর্থ বেশি। কারণ বিড়াল ছাড়া জগতে মানুষসহ আরও অনেক জীব আছে, যারা জীব পদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য। আর জীবের অন্তর্ভুক্ত এসব জীবকে বাদ দিয়ে জীব দ্বারা কেবল বিড়ালকে সংজ্ঞায়িত করায় সংজ্ঞাটি অতিব্যাপক হয়ে পড়েছে। সুতরাং, এ ক্ষেত্রে বেশি ব্যক্তর্থযুক্ত পদ দ্বারা কম ব্যক্তর্থযুক্ত পদকে সংজ্ঞায়িত করায় সংজ্ঞাটিতে অতিব্যাপক সংজ্ঞা অনুপপত্তির সৃষ্টি হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মায়িশার নানির প্রদত্ত সংজ্ঞাটি আভিধানিক বা আক্ষরিক। নিচে তা নিরূপণ করা হলো- কোনো পদের প্রচলিত ব্যবহার থাকলে পদটির যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়, তাকে আভিধানিক বা আক্ষরিক সংজ্ঞা বলে। এ জাতীয় সংজ্ঞার উদ্দেশ্য হচ্ছে পদ বা শব্দের দ্ব্যর্থকতা দূর করা বা ব্যক্তির মনে শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করা। সাধারণত এরূপ ক্ষেত্রে পদের সংজ্ঞায় নতুন কোনো শব্দ ব্যবহার করা হয় না; বরং শব্দটির প্রচলিত অর্থকে পরিপূর্ণভাবে ব্যক্ত করা হয়। এ ধরনের সংজ্ঞার সত্যতা বা মিথ্যাত্ব আরোপ করা যায়। যেমন : 'পর্বত' শব্দটি মাটি বা পাথরের স্তূপকে বোঝায়, যা সমতলভূমি থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু। 'পর্বত' সম্পর্কিত এ সংজ্ঞাটি সত্য। কারণ, যারা পর্বতের স্বরূপ সম্পর্কে অবগত, তারা পর্বত বলতে এ ধরনের কিছুকেই বোঝবে। কিন্তু যদি বলা হয়, “পর্বত হলো তিনটি রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি সমতল ক্ষেত্র।" তাহলে 'পর্বত' সম্পর্কিত এ সংজ্ঞাটি মিথ্যা হবে। কারণ, যারা পর্বতের সাথে পরিচিত, তারা সহজেই পর্বতের ক্ষেত্রে সংজ্ঞাটির প্রয়োেগ যে অসঙ্গত তা অনুধাবন করতে পারবে। উল্লেখ্য, আভিধানিক সংজ্ঞায় সংজ্ঞেয় পদের প্রচলিত ব্যবহার রীতির একটি প্রতিবেদন দেওয়া হয় বলে এরূপ সংজ্ঞাকে প্রতিবেদক (Reportive) সংজ্ঞা নামেও অভিহিত করা হয়।

উপর্যুক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, মায়িশার নানির প্রদত্ত সংজ্ঞাটি আভিধানিক বা আক্ষরিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত মায়িশার নানির প্রদত্ত সংজ্ঞাটি আরোপক সংজ্ঞা বলা না যাওয়ার কারণ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো-

কোনো পদের সংজ্ঞায় স্বাধীনভাবে একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করে ইচ্ছানুযায়ী ঐ শব্দের অর্থ প্রদান করাকে আরোপক সংজ্ঞা বলে। এরূপ সংজ্ঞায় যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দ অনুযায়ী নতুন শব্দ আরোপ করে স্বাধীনভাবে ঐ শব্দের অর্থ নির্ধারণ করতে পারেন। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির উদ্দেশ্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শব্দের অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে। তবে এ ধরনের সংজ্ঞার ক্ষেত্রে কোনো শব্দকে আগে অন্য কোনো অর্থে ব্যাখ্যা করা হলে সেই শব্দকে পরবর্তীকালে আরোপক সংজ্ঞায় ব্যবহার করা যায় না। বস্তুত আরোপক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সত্যতা বা মিথ্যাত্ব আরোপ করা যায় না। এ জন্য এ ধরনের সংজ্ঞাকে তথ্যমূলক নয়, বরং নির্দেশনী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখ্য, প্রচলিত যুক্তিবিদ্যায় এরূপ সংজ্ঞাকে নামিক (Nominal) সংজ্ঞা বা বাচনিক (Verbal) সংজ্ঞা নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

উপর্যুক্ত আলোচনায় দেখা যায়, আরোপক সংজ্ঞায় স্বাধীনভাবে শব্দ ব্যবহার করে অর্থ প্রকাশ করা যায়। কিন্তু উদ্দীপকের সংজ্ঞাটির অর্থ ইচ্ছাধীন নয়। এর প্রচলিত ব্যবহার রয়েছে। এর সংজ্ঞা আভিধানিক বা আক্ষরিক। তাই মায়িশার নানির প্রদত্ত সংজ্ঞাটি আরোপক সংজ্ঞা বলা যায় না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
170
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেকোনো পদের অর্থকে সুনির্দিষ্ট ও যথার্থভাবে উপস্থাপন করার মাধ্যমে বিষয়বস্তু সম্পর্কিত ধারণাকে নির্ভুল ও সুস্পষ্ট করার প্রক্রিয়াই হচ্ছে সংজ্ঞা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.3k
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞার একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হলো পদের তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে, শব্দ বা পদকে তাত্ত্বিক বা বৈজ্ঞানিক দিক থেকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা। কোনো শব্দ বা পদের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা প্রদানের মাধ্যমে ঐ শব্দ বা পদ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও অর্থপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়, যাকে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যায়ন বলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন পদার্থবিজ্ঞানীরা গতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, গতি হচ্ছে ভর এবং ত্বরণের ফল, তখন সংজ্ঞাটি হয়তো শব্দের সঞ্চয় বৃদ্ধি করে না বা কোনো শব্দের দ্ব্যর্থকতা অপসারণ করে না। তবে এ সংজ্ঞার মাধ্যমে গতি শব্দটি নিউটনের বলবিদ্যার প্রকাশিত রূপ হিসেবে অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
610
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সংজ্ঞার নিয়ম কানুন বলতে সংজ্ঞার যে নিয়মাবলিকে বোঝানো হয়েছে তা নিম্নে ব্যাখ্যা করা হলো- 

প্রথম নিয়ম : কোন পদের সংজ্ঞা দিতে হলে সেই পদটির সম্পূর্ণ জাত্যর্থকে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে, জাত্যর্থের অতিরিক্ত কিংবা জাত্যর্থের অংশমাত্র উল্লেখ করা চলবেনা। অর্থাৎ, এ নিয়ম অনুসারে কোনো পদের সংজ্ঞা দেওয়ার সময় শুধু নিকট জাতি ও বিভেদক লক্ষণের উল্লেখ করতে হবে, এর বেশিও নয় কমও নয়।

দ্বিতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হচ্ছে সে পদের ব্যক্তর্থ সংজ্ঞা বর্ণিত পদের ব্যক্তর্থের সমান হতে হবে, কম বা বেশি হলে চলবেনা। যেমন: মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণী; এখানে মানুষ। এর ব্যক্তর্থ এবং বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন প্রাণীর ব্যক্তর্থ এক ও অভিন্ন।

তৃতীয় নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞায় সেই একই পদ বা সেই পদের সমার্থক কোনো শব্দের উল্লেখ করা যাবে না। যেমন: 'বিচারক' হলেন সেই ব্যক্তি যিনি বিচার করেন, এক্ষেত্রে বিচারক। এর সমার্থক শব্দ 'যিনি বিচার করেন।'

চতুর্থ নিয়ম: যে পদের সংজ্ঞা দেওয়া হবে সংজ্ঞাটি সেই অপেক্ষা স্পষ্ট ও সহজবোধ্য হতে হবে এবং সংজ্ঞাটি কিছুতেই কোনো রূপকের মাধ্যমে বা দুর্বোধ্য ভাষায় ব্যক্ত করা যাবে না। অর্থাৎ পদের অর্থকে সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল করে তুলতে হবে যেক্ষেত্রে রূপক বা অলংকারিক শব্দ কিংবা দুর্বোধ্য ভাষার ব্যবহার নিষিদ্ধ।

পঞ্চম নিয়ম: সর্বক্ষেত্রে পদের সংজ্ঞা সদখৃক বা ইতিবাচক হতে হবে কোনাক্রমেই নঞর্থক বা নেতিবাচক হতে পারবেনা। কারণ নৈতিকবাচক সংজ্ঞায় পদটি কী নর- তাই শুধু বলা হয়।

উপর্যুক্ত নিয়ম কানুনগুলো মেনে সংজ্ঞা দিলে তা হবে সুস্পষ্ট, সহজ এবং যথার্থ। তাই সংজ্ঞা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলো আমাদের অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
372
উত্তরঃ

যৌক্তিক সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে কতিপয় নিয়ম পালন করতে হয়, যেগুলোর যথার্থ ও সঠিক প্রয়োগে সংজ্ঞা শুদ্ধ হয়। আবার এই নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ বা লঙ্ঘনে সংজ্ঞা ত্রুটিপূর্ণ হয়ে বিভিন্ন অনুপপত্তি সংঘটিত করে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো পদের সংজ্ঞায় জাত্যর্থের অতিরিক্ত কোনো গুণের উল্লেখ করা হলে এবং এই অতিরিক্ত গুণটি যদি সংশ্লিষ্ট পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ হয়, তাহলে প্রদত্ত সংজ্ঞাটিতে আপতিক বা অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটবে; যেমন: 'মানুষ হয় বুদ্ধিবৃত্তিসম্পন্ন দ্বিপদ জীব।' এখানে 'দ্বিপদ' গুণটি হচ্ছে মানুষ পদের অবিচ্ছেদ্য অবান্তর লক্ষণ, যা মানুষের সংজ্ঞায় অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হওয়ায় সংজ্ঞাটিতে অবান্তর লক্ষণজনিত সংজ্ঞানুপপত্তি ঘটেছে। বস্তুত 'অবিচ্ছেদ্য' হচ্ছে এমন বিষয়, যা একটি শ্রেণির সকলের মধ্যেই সমানভাবে বিদ্যমান থাকে। আর 'অবান্তর লক্ষণ' হচ্ছে এমন গুণ, যা সেই শ্রেণির জন্য অপরিহার্য নয়। এরূপ গুণ সংজ্ঞায় ব্যবহৃত হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হতে বাধ্য; যেমন: উপরের দৃষ্টান্ত অনুসারে মানুষের জন্য তার দুই পা থাকা অপরিহার্য নয়। কারণ দুই পা না থাকলে মানুষকে মানুষ বলা যাবে না, এমন নয়। অর্থাৎ পা ছাড়াও মানুষ মানুষ হিসেবে পরিচিত হতে পারে। কাজেই সংজ্ঞায় দ্বিপদ গুণের সংযুক্তি একটি অবান্তর বিষয়মাত্র। অতএব বলা যায়, সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়মকানুনগুলো যেমন প্রয়োজন, তেমনি এ নিয়মগুলোর অপপ্রয়োগ এড়িয়ে সংজ্ঞাকে অনুপপত্তির আশঙ্কামুক্ত করাও অপরিহার্য। তা না হলে সংজ্ঞা ভ্রান্ত হয়, যা থেকে উদ্ভদ্ধ ঘটে অনুপপত্তির।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
363
উত্তরঃ

সংজ্ঞার উপাদান দুটি- সংজ্ঞেয় ও সংজ্ঞার্থ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
457
উত্তরঃ

কোনো পদের সংজ্ঞায় স্বাধীনভাবে একটি নতুন শব্দ ব্যবহার করে ইচ্ছানুযায়ী ঐ শব্দের অর্থ প্রদান করাকে আরোপক সংজ্ঞা বলে। এরূপ সংজ্ঞায় যেকোনো ব্যক্তি তার পছন্দ অনুযায়ী নতুন শব্দ আরোপ করে স্বাধীনভাবে ঐ শব্দের অর্থ নির্ধারণ করতে পারেন। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির উদ্দেশ্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শব্দের অর্থ প্রদান করা হয়ে থাকে। বস্তুত আরোপক সংজ্ঞার ক্ষেত্রে সত্যতা বা মিথ্যাত্ব আরোপ করা যায় না। এ জন্য এ ধরনের সংজ্ঞাকে তথ্যমূলক নয়, বরং নির্দেশনী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
321
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews