মায়িশা পত্রিকা পড়ছিল। সে একটি সংবাদ পড়ে জানতে পারে যে, দেশের বাণিজিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। সরকার ব্যয় মেটানোর জন্য ব্যাংকগুলো থেকে বেশি করে টাকা নেওয়ায় ব্যাংকগুলোতে টাকার সংকট দেখা দিয়েছে।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

সরকারের ব্যয়কে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

যে কর অপসারণ করা যায়, তাকে পরোক্ষ কর বলে। অর্থাৎ যে করের করঘাত ও করপাত ভিন্ন ব্যক্তির উপর পড়ে, তাকে পরোক্ষ কর বলে। পরোক্ষ করের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ সংগ্রহ করা হয়, যেখানে করের বোঝা প্রাথমিক ও চূড়ান্তভার ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির উপর পড়ে। পরোক্ষ করের মধ্যে শুল্ক, আবগারি কর, Vat, Turn Over Tax এবং অন্যান্য বিক্রয় কর অন্তর্ভুক্ত থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মায়িশার পঠিত সংবাদে সরকারের কাজকে সরকারি ঋণ বলে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

সরকারি ঋণ বলতে সরকার কর্তৃক গৃহীত ঋণকে বোঝায়। সরকার ভবিষ্যতে সুদসহ পরিশোধের অঙ্গীকার করে দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে অথবা বিদেশি কোনো সংস্থা বা সরকারের কাছ থেকে যে ঋণ গ্রহণ করে, তাকে সরকারি ঋণ বলে। সরকার তার ব্যয় নির্বাহের জন্য জনগণের কাছ থেকে, ব্যাংকব্যবস্থার কাছ থেকে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ সংগ্রহ করতে পারে, যাকে অভ্যন্তরীণ ঋণ বলে। এছাড়া সরকার বিদেশি নাগরিক, সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বন্ধুপ্রতিম দেশের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারে, 'যাকে বৈদেশিক ঋণ বলে।

উন্নয়নশীল দেশসমূহ তাদের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করে থাকে। এই ঘাটতি বাজেটে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়ে থাকে। আর এই অতিরিক্ত ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ গ্রহণ করতে হয়। সরকার এই ঋণ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে করে থাকে। তবে বিভিন্ন উৎস থেকে সরকার এই ঋণ গ্রহণ করলেও এর মূল উদ্দেশ্য থাকে রাষ্ট্রের তথা জনগণের কল্যাণসাধন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মায়িশার পঠিত সংবাদে সরকারি ঋণের কথা বলা হয়েছে। নিচে সরকারের ঋণ গ্রহণের উদ্দেশ্যসমূহ বিশ্লেষণ করা হলো-

⇨ অর্থনীতিতে জরুরি অবস্থা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প, বন্যা, দুর্ভিক্ষ, মহামারি, যুদ্ধ ইত্যাদি অস্বাভাবিক অবস্থা মোকাবিলায় সরকার ঋণ গ্রহণ করে থাকে।
⇨ সরকারকে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজের জন্য ক্রমাগত ব্যয় করতে হয়, যা মেটানোর জন্য সরকারকে সাময়িকভাবে ঋণ গ্রহণ করতে হয়।
⇨ উন্নয়নশীল দেশে প্রায়ই বাজেটে আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ধরা হয়। ঘাটতি ব্যয় পূরণ করে পূর্ণ কর্মসংস্থান স্তর বজায় রাখার জন্য সরকার তখন ঋণ গ্রহণ করে থাকে।
⇒ অর্থনীতিতে আয়, নিয়োগ, উৎপাদন এবং দামস্তরের উত্থান-পতন ঠেকানোর জন্য অর্থনীতিবিদরা সরকারি ঋণকে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেন। এজন্য সরকার ঋণ গ্রহণ করে।
⇒ সব নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য সরকারি ঋণ আধুনিক কালে উন্নয়নশীল দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
⇨ স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার দ্বারা সরকার জনগণের কল্যাণ করে থাকে। এসব জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হয়, যা রাজস্ব আয় দ্বারা মেটানো সম্ভব নয়। এজন্য সরকারকে বাধ্য হয়ে ঋণ গ্রহণ করতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, সরকার দেশের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক ব্যয়ের জন্য ঋণ করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
22

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় সংগ্রহ করে, তাকে সরকারি আয় বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
141
উত্তরঃ

সরকার দেশ পরিচালনার জন্য এবং জাতীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে আয় সংগ্রহ করে। যেমন- আয়কর, মুনাফা কর, শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, প্রশাসনিক রাজস্ব, জরিমানা ও বাজেয়াপ্ত, লাইসেন্স ফি, ঋণ, দান/অনুদান ইত্যাদি থেকে সরকার আয় করে থাকে। সরকারের এসব খাত থেকে আয় করাকে বলা হয় সরকারি আয়। সরকারের এই আয়ের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো সরকারি ব্যয়। তাই উল্লেখিত উৎস থেকে সরকার আয় করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
107
উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রশাসনিক ও প্রতিরক্ষা ব্যয়সহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় মেটানোর জন্য সরকার বিভিন্ন উপায়ে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে যে অর্থ আদায় করে, তাকে সরকারি আয় বা রাজস্ব বলে।

সরকারি আয় সরকারি কোষাগারে জমা থাকে এবং দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের পক্ষে এর হিসাব রাখে। সরকারের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো কর। সরকার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বাধ্যতামূলকভাবে কর হিসেবে যে অর্থ আদায় করে, তাকেই কর আয় বলে। এই কর আয় আবার দুই ধরনের; যথা- প্রত্যক্ষ কর ও পরোক্ষ কর। যে ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হয় তার বোঝা যদি তাকে বহন করতে হয়, তবে সেই করকে প্রত্যক্ষ কর বলে। যেমন-আয়কর, সম্পদ কর, ভূমি কর, মৃত্যু কর ইত্যাদি। আবার কোনো ব্যক্তির উপর যে কর ধার্য করা হয়, তার ভার বা বোঝা সে যদি অন্য কারও উপর চাপাতে পারে, তবে তাকে পরোক্ষ কর বলা হয়। যেমন- বিক্রয় কর, পণ্যকর, প্রমোদ কর ইত্যাদি। এছাড়া করবহির্ভূত আয় রয়েছে, যা থেকে রাষ্ট্র/সরকার আয় করে থাকে। সরকার কর ব্যতীত অন্যান্য উৎস থেকে যে রাজস্ব বা অর্থ পায়, তাকে করবহির্ভূত আয় বলে। এ ধরনের আয় সরকারের বাধ্যতামূলক পাওনা নয়। বিশেষ সুযোগ-সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে সরকার জনগণের কাছ থেকে পেয়ে থাকে। যেমন- ফি, বাণিজ্যিক আয়, সরকারি সম্পত্তির আয়, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ, সরকারি ঋণ, সুদ, দান ও অনুদান ইত্যাদি। বিভিন্ন উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে রাষ্ট্রীয় আয় এসব উৎস থেকে হয়ে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
87
উত্তরঃ

বাংলাদেশ সরকার প্রশাসন পরিচালনা, আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ সাধন প্রভৃতির জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে।

এ ব্যয় নির্বাহের জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসকে দুভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (ক) কর রাজস্ব, (খ) করবহির্ভূত রাজস্ব। সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো কর রাজস্ব। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো আয়কর। বাংলাদেশ সরকারের আয়কর আইন অনুযায়ী যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে, তাদের কাছ থেকে আয়কর আদায় করা হয়। বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় মূল্য সংযোজন কর (VAT) ১৯৯২ সালে প্রচলন করা হয়। দেশের মধ্যে পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের উপর এ কর ধার্য করা হয়। দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। এছাড়া সম্পূরক শুল্ক, ভূমি রাজস্ব, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেজিস্ট্রেশন, যানবাহন শুদ্ধ, অন্যান্য কর ও শুল্ক কর রাজস্বের অন্তর্ভুক্ত। সরকার বিভিন্ন আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে তার উপর সুদ বাবদ প্রচুর আয় করে থাকে। সরকারি সম্পত্তি ভাড়া ও ইজারা দেওয়ার মাধ্যমে, দেশের বিভিন্ন রাস্তা, ব্রিজ ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে টোল ও লেভি সংগ্রহ করে, বনভূমি থেকে, ডাক বিভাগ থেকে, রেলওয়ে থেকে প্রচুর পরিমাণ অর্থ আয় করে, যা করবহির্ভূত রাজস্ব বলে পরিচিত।

উল্লেখিত উৎসসমূহ থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রচুর অর্থ আয় করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
108
উত্তরঃ

হ্যাঁ, সমাজে ভালোভাবে চলতে হলে অবশ্যই ব্যয় অপরিহার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
100
উত্তরঃ

রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকার বিভিন্ন খাতে যে ব্যয় নির্বাহ করে, তাকে সরকারি ব্যয় বলে। দেশের ভেতরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক কল্যাণসাধন, দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রভৃতি কাজের জন্য সরকারকে ব্যয় করতে হয়। কল্যাণমূলক রাষ্ট্রে জনগণের কল্যাণের কথা চিন্তা করে বর্তমানে প্রায় প্রতিটি দেশের সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খাত বিবেচনায় রেখে বাজেটে ব্যয় বরাদ্দ রাখে; পরে আবার তা ব্যয়ও করে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
105
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews