মিঃ রহমত তার জমিতে প্রচুর পরিমাণে ইউরিয়া সার, সেচ ও কীটনাশক প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রি ধান ২৮ জাতের ধান উৎপাদন করেন। এতে তার সংলগ্ন জমির তুলনায় ফলন বেশি হয়। কিন্তু পাশের গ্রামের সুমন তার জমিতে অ্যাজোলা চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে ব্রি ধান ২৮ জাতের ধানের চাষ করেন। তার জমির দশ মিটারের মধ্যে অন্য কোনো জাতের ধান চাষ হয়নি। তিনি রোগিংসহ সকল পরিচর্যা করেন। এতে তার উৎপাদন খরচ অনেকটা কমে গেল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রাইজোবিয়াম হলো এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া যা শিম জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ে নডিউল সৃষ্টি করে তাতে বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Fixation) করে রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বীজ বপনের পূর্বে ছত্রাকনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করাকে বীজ শোধন বলে। বপনকৃত বীজ ও উৎপন্ন চারাকে রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য বীজ শোধন করা প্রয়োজন।

 তাছাড়া যেসব ফসলের বীজত্বক শক্ত, সেসব ফসলের বীজের সুপ্তাবস্থা (Dormancy) ভাঙার জন্য বীজ শোধন করে নিলে নির্ধারিত সময়ে অঙ্কুরোদগম ঘটে। অর্থাৎ, সুস্থ সবল চারা উৎপাদন, বীজবাহিত রোগ প্রতিরোধ, অঙ্কুরোদগম হার বৃদ্ধি ও ভালো ফলন পাওয়ার জন্য বীজ শোধন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সুমন তার ধানের জমিতে অ্যাজোলার চাষ, পৃথকীকরণ দূরত্ব বজায় রাখা, রোগিংসহ অন্যান্য পরিচর্যা ঠিকমতো করেন।

অ্যাজোলা এক প্রকার ক্ষুদেপানা জাতীয় সবুজ উদ্ভিদ যা মাটিতে নাইট্রোজেনের ঘাটতি পূরণে সক্ষম। প্রতি ৫ দিনে অ্যাজোলা এর দৈহিক ওজনের প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ে। অ্যাজোলা প্রতি হেক্টর জমিতে ২০০-৫০০ কেজি নাইট্রোজেন যোগ করতে পারে যা ৫৫০-১১০০ কেজি ইউরিয়া সারের সমতুল্য। প্রতি হেক্টরে ১-৩ টন অ্যাজোলা কালচার প্রয়োগ করা হলে ৮-১০ দিনের মধ্যে প্রায় ৮ টন জৈব সার পাওয়া যায়। এই জৈব সারে শুষ্ক ওজনের (Dry weight) ৪-৫% নাইট্রোজেন, ০.৫-১.০ শতাংশ ফসফরাস, ২.০-৬.০ শতাংশ পটাশ, ০.৫ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম, ০.৪-১.০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ০.১১-০.১৩ শতাংশ ম্যাঙ্গানিজ ও ০.০০৬- ০.১৬ শতাংশ লৌহ থাকে। ফলে রাসায়নিক সার ব্যবহারে খরচ কম হয়। কয়েক বছর একাধারে ধানের সাথে এটি চাষ করলে মাটির বুনটের উন্নতি হয়। ফলে উৎপাদন ক্ষমতাও বেড়ে যায়। তাছাড়া সুমন তার জমিতে পৃথকীকরণ দূরত্ব বজায় রাখায় সব উদ্ভিদ পর্যাপ্ত ও সমপরিমাণে পুষ্টি উপাদান ও পানি গ্রহণ করতে পারে। এছাড়াও সুমন জমিতে রোগিং করেছিলেন। রোগিং এর মাধ্যমে তিনি জমি থেকে পোকা, রোগাক্রান্ত অস্বাভাবিক জাতের গাছ, আগাছা প্রভৃতি দূর করেন। যার ফলে তার কীট ও আগাছানাশক বাবদ খরচও কম হয়।

এসকল কারণেই সুমনের জমিতে ধানের উৎপাদন খরচ কমে যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মি. রহমত রাসায়নিক সার, কীটনাশক ও সেচের মাধ্যমে এবং সুমন অ্যাজোলা সার ব্যবহার করে ধান বীজ উৎপাদন করেন।

উদ্দীপকে মিঃ রহমত তার জমিতে গতানুগতিক পদ্ধতিতে ইউরিয়া সার, সেচ ও কীটনাশক ব্যবহার করে ফসল উৎপাদন করেন। আর সুমন ধানের সাথে অ্যাজোলা চাষ করেন যা তুলনামূলক আধুনিক পদ্ধতি। মিঃ রহমত তার জমিতে প্রচুর পরিমাণে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করায় পাশের জমির তুলনায় ভালো ফলন পেয়েছেন। এতে তিনি সাময়িকভাবে উপকৃত হলেও ভবিষ্যৎ বিবেচনায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ইউরিয়ায় থাকা নাইট্রোজেন ফসলের জন্যে অতি জরুরি একটি পুষ্টি উপাদন। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ইউরিয়া সার ব্যবহারের ফলে তা মাটির নিচের স্তরে জমা হয়, যা বৃষ্টির ও সেচের পানির সাথে চুয়ানোর মাধ্যমে জমির পাশে থাকা খাল-বিল, পুকুর এবং মাটির নিচে থাকা পানির স্তরে মিশে যায়। ফলে পানি ও মাটি দূষিত হয়। তাছাড়া অনেক দিন ব্যবহারের ফলে মাটির বুনটেও পরিবর্তন আসে এবং মাটি ধীরে ধীরে তার উর্বরতা হারায়। মি: রহমত তার জমিতে প্রচুর পরিমাণে সেচও প্রদান করেন। এতে তার জমিতে সবসময় পানি জমে থাকে। ধানের জমিতে এই জমে থাকা পানি মিথেন গ্যাস উৎপাদনে সহায়তা করে। এই মিথেন গ্যাস পরিবেশের দূষণ ঘটায়। তিনি অনেক বেশি কীটনাশক ব্যবহার করেন। এই কীটনাশকও পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি অন্যান্য অনেক প্রাণীর জীবনকে শঙ্কায় ফেলে দেয়।

সুমন তার জমিতে অ্যাজোলা চাষের পাশাপাশি ফসলের সব ধরনের যত্ন ও পরিচর্যা করেন। অ্যাজোলা চাষের কারণে তাকে জমিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার দিতে হয় না। পাশাপাশি মাটির বুনটও উন্নত হচ্ছে। তার জমির ফসলের ফলনও বেশ ভালো হচ্ছে। তাকে আর্থিক কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।

মিঃ রহমতের অনুসরণকৃত পদ্ধতিতে ধানের ফলন বাড়লেও তিনি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যৎকে বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। পক্ষান্তরে সুমন পরিবেশবান্ধব উপায়ে নিজের আর্থিক কোনো ক্ষতি ছাড়াই মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছেন। তাই আমি মনে করি সুমনের পদ্ধতিই বেশি গ্রহণযোগ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
87
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

অভিজ্ঞ কৃষক হলো একজন স্থানীয় নেতা ও কৃষকদের পরামর্শদাতা যিনি নিজ উৎসাহে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেন ও নতুন নতুন কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর রাখেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
372
উত্তরঃ

কৃষি তথ্য সার্ভিস গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান, যা গণমাধ্যমের সাহায্যে কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তিসমূহ গ্রামীণ পর্যায়ে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে।

বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত আধুনিক লাগসই কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি সহজ, সরল, সাবলীল এবং বোধগম্যভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করাই কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রধান লক্ষ্য। আধুনিক তথ্যবহুল ওয়েবসাইট, কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র, মোবাইলভিত্তিক কৃষি তথ্য সেবা, কমিউনিটি রেডিও, কৃষক টেলিভিশন, ই-বুক এসবের মাধ্যমে ডিজিটাল কৃষি বা ই-কৃষির সফল বাস্তবায়ন ঘটিয়ে চলেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া পোস্টার, লিফলেট, বুকলেট ও ভিডিওচিত্র তৈরি এবং কৃষি ডায়েরি, কৃষি কথা প্রভৃতি প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি কৃষির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
826
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শাওনের অধ্যয়নরত বিশ্ববিদ্যালয়টি হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ৬টি অনুষদের ছাত্র-ছাত্রীদের স্ব-স্ব বিষয়ের ওপর ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি প্রদান করা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষা কার্যক্রম। অনুষদগুলো হলো-

i. কৃষি অনুষদ: কৃষিজ ফসল উৎপাদন, মাটির গঠন এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হয়। 

ii. পশুপালন অনুষদ: পশুপালন পদ্ধতি, পশুর পুষ্টি ও প্রজনন নিয়ে বিস্তৃত শিক্ষা দেওয়া হয়। 

iii. পশু চিকিৎসা অনুষদ: পশুর বিভিন্ন ধরনের রোগ ও এর প্রতিকার বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হয়। 

iv. মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদ: মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বিশদ শিক্ষা দেওয়া হয়। 

v. কৃষি প্রকৌশল ও কারিগরি অনুষদ: বিভিন্ন ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরি ও এর কার্যক্রম নিয়ে পাঠ্যক্রম পরিচালনা করা হয়। 

vi. কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদ: গ্রামীণ অর্থনৈতিক অবস্থা ও সমবায়-বিপণন নিয়ে শিক্ষা প্রদান করা হয়।

তাছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম হলো-

i. স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি শিক্ষাক্রম পরিচালনা করা। 

ii. শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যে বিভিন্ন বিষয়ের গবেষণার ফলাফল শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন করা। 

iii. শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ গ্রন্থাগারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের পুস্তক, জার্নাল, থিসিস, লিফলেট, পত্রপত্রিকা ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা।

তাই বলা যায়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উল্লিখিত শিক্ষা কার্যক্রমসমূহ পরিচালনা করে কৃষি শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
278
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শাওন উদ্যোক্তা হিসেবে মৌমাছি চাষ করে। মৌমাছি চাষের মাধ্যমে মধু উৎপাদন করে বাড়তি আয় দিয়ে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। এ চাষে কম পুঁজি নিয়ে কাজ শুরু করে বেশি লাভবান হওয়া যায়।

মৌমাছি চাষের জন্য ব্যাপক জমির প্রয়োজন হয় না। শুধু জমির আইল বা বাগানের নিচে মৌবাক্স বসিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। শীত মৌসুমে একটি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে এক কেজি মধু পাওয়া যায়। ১০টি বাক্স থেকে প্রতি সপ্তাহে ১০ কেজি অর্থাৎ, মাসে ৪০ কেজি মধু পাওয়া যায়। এভাবে মধুর মৌসুমে ব্যাপক টাকা আয় করা সম্ভব। মৌচাক দিয়ে মোম তৈরি করা যায়। মৌমাছি প্রধানত মধু উৎপাদনের জন্য পালন করা হয়। রোগব্যাধি নিরাময়ে মধুর ব্যবহার অতি সুপ্রাচীন। আয়ুর্বেদীয় এবং ইউনানী পদ্ধতিতে তৈরি বহু ওষুধেই মধু ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মৌমাছির চাকের মধু, মোম ও পরাগরেণু মিশিয়ে যে মৌ- রুটি তৈরি করা হয় তা ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় উপকারী বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া মৌমাছি ফুলে ফুলে ঘুরে পরাগায়ন ঘটায় যার ফলে দানা-বীজ তৈরি হয়। সরিষা ফসলে মৌমাছির চাক বসালে ফসলের ফলন ২০-৩০% বৃদ্ধি পায়। আবার, সরিষা থেকে মধু সংগ্রহ করে একই সাথে দ্বিগুণ লাভ হয়। মাত্র একবার ১৫-১৬ হাজার টাকা ব্যয় করে প্রথমে প্রকল্প স্থাপন করলে মৌ- বাক্স এবং অন্যান্য সরঞ্জামাদি ১০-১৫ বছর ব্যবহার করা যায়। এতে বাড়তি কোনো খরচও হয় না। এই উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বাজারজাতকরণের সাথে বহুলোক জড়িত থাকে বিধায় বেকারত্ব সমস্যা কমে। এমনকি মধু ও মোম বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব।

অতএব বলা যায়, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে শাওনের নেওয়া মৌমাছি চাষের উদ্যোগটি অত্যন্ত লাভজনক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
285
উত্তরঃ

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপজেলা কৃষি অফিস কৃষকদের সমস্যা সমাধানে প্রতি মাসে অথবা জরুরি প্রয়োজনে কৃষকদের নিয়ে যে বৈঠক করেন তাকে উঠোন বৈঠক বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
596
উত্তরঃ

উদ্যান জাতীয় ফসল বাড়ির আশেপাশে বন্যামুক্ত উর্বর জমিতে বিশেষ যত্ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ করা হয়। স্বল্প পরিসরে বাড়ির আশেপাশে চাষ করা গেলেও বাণিজ্যিক ভিত্তিতেও মাঠে আলু চাষ করা হয়।

উদ্যান ফসল তাজা ও রসালো অবস্থায় ব্যবহার করা হয়। আলু সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। আলু চাষের সময় ও পরিপক্কের পর উত্তোলনের সময় বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়, যা উদ্যান ফসলের বৈশিষ্ট্য। এসব কারণে আলুকে উদ্যান ফসল বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.4k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews