বিপণনের মাধ্যমে ক্রেতা ও ভোক্তারা মানসম্মত পণ্য পেয়ে থাকে।
বিপণন প্রক্রিয়ায় পরিবহনের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।
পরিবহন পণ্য বা সেবার স্থানগত উপযোগ ও চাহিদা সৃষ্টি করে। এর মাধ্যমে এক স্থানের পণ্য অন্য স্থানে সরবরাহ করা হয়। ফলে পণ্য উৎপাদনকারীর কাছ থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছে। পরিবহন ব্যবস্থার ফলেই আমাদের দেশের চিংড়ি ও পোশাক বিদেশের মানুষ ব্যবহার করতে পারছে।
'মিজান ফ্যাশন হাউজ'-এর বিপণন প্রসারে বিজ্ঞাপনের ইতিবাচক ভূমিকা আছে।
বিজ্ঞাপন পণ্যের তথ্যগত বাধা দূর করে। এর মাধ্যমে ভোক্তারা কোনো পণ্য সম্পর্কে জানতে পারে। এছাড়া এটি ক্রেতাকে পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে।
উদ্দীপকের 'মিজান ফ্যাশন হাউজ' তাদের পণ্য বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপনের সহায়তা নেয়। বিজ্ঞাপনের ফলে তারা তাদের পণ্যের মান, মূল্য ও ব্যবহারবিধি ক্রেতাদেরকে জানাতে পেরেছে। এছাড়া, এটি পণ্যগুলোর চাহিদা বাড়াতে সহায়তা করেছে। ফলে ক্রেতারা পণ্য কেনার জন্য উক্ত ফ্যাশন হাউজের শরণাপন্ন হয়েছে। এতে ফ্যাশন হাউজটির বিক্রি বেড়ে যায়। এটি মুনাফা বাড়াতেও সহায়তা করেছে। সুতরাং, 'মিজান ফ্যাশন হাউজ'-এর বিপণন প্রসারে বিজ্ঞাপনের ভূমিকা অত্যন্ত ইতিবাচক।
বিক্রি বাড়ানোর জন্য 'মিজান ফ্যাশন হাউজ' বিক্রয় প্রসার ও বিজ্ঞাপন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, যা যথার্থ বলে আমি মনে করি।
নতুন কোনো পণ্য উদ্ভাবিত হলে এর জন্য বিজ্ঞাপন দিতে হয়। বিজ্ঞাপন আকর্ষণীয় হলে ক্রেতারা ঐ পণ্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়। এটি বিক্রি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
উদ্দীপকের 'মিজান ফ্যাশন হাউজ' তাদের তৈরি পোশাক সম্পর্কে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সাইনবোর্ড প্রভৃতির মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। এছাড়া বিক্রি বাড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানটি ২০% ছাড়ের ব্যবস্থা করেছে। ফলে তাদের পণ্য কেনায় ক্রেতাদের আগ্রহ বেড়ে যায়।
'মিজান ফ্যাশন হাউজ' তাদের বিক্রি বাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে বিজ্ঞাপন দেওয়ার পাশাপাশি ক্রেতাদের সাথে ভালো যোগাযোগ রক্ষায়ও তৎপর হয়। বিজ্ঞাপন দেওয়ার ফলে তাদের পণ্যগুলো সম্পর্কে ক্রেতারা জানতে পারে। ফলে তারা পণ্যের গুণ ও মান সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে। এছাড়া ২০% মূল্য ছাড় ভোক্তাদের পণ্য কিনতে আগ্রহী করে তোলে। এতে তাদের পণ্যের চাহিদা বাড়বে, যা বিক্রি বাড়াতে সাহায্য করবে। ফলে মুনাফাও বাড়বে, যা প্রতিযোগিতামূলক বাজারে তাদের টিকে থাকতে সহায়তা করবে। তাই বলা যায়, বিক্রি বাড়াতে 'মিজান ফ্যাশন হাউজ'-এর কার্যক্রম যথার্থ হয়েছে।
Related Question
View Allমোড়কিকরণ দ্বারা পণ্যকে আকর্ষণীয় করা যায়।
পণ্যের মান নির্ধারণের কাজকে প্রমিতকরণ (Standardization) বলে। পণ্যের গুণাগুণ, আকার, রং, স্বাদ প্রভৃতির ওপর ভিত্তি করে প্রমিতকরণ করা হয়। প্রমিতকরণের ফলে পণ্যের বিপণন প্রক্রিয়া সহজ হয়। আবার বিক্রয় কাজের গতিশীলতাও বেড়ে যায়।
শুভ বিক্রয়কর্মীর শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কথা বিবেচনা করেছেন।
বিক্রয়কর্মী তার নিজস্ব গুণ বা বৈশিষ্ট্য দিয়ে ক্রেতা ও ভোক্তাদের সহজে আকৃষ্ট করতে পারেন। এজন্য বিক্রয়কর্মীর কিছু শারীরিক গুণ থাকা প্রয়োজন। বিক্রয়কর্মীর সুন্দর হাসি, দৃষ্টিভঙ্গি, কণ্ঠস্বর প্রভৃতি তার শারীরিক বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত।
উদ্দীপকের শুভ তার দোকানের বিক্রি বাড়ানোর জন্য একজন বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেন। এজন্য তিনি দেখতে ভালো এবং সদালাপী এরকম বিক্রয়কর্মীকে প্রাধান্য দেন। কেননা সুন্দর ও আকর্ষণীয় চেহারার বিক্রয়কর্মী সহজেই ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন। তাছাড়া বিক্রয়কর্মীর হাসিমাখা মুখ ক্রেতাদের পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। এ থেকে বোঝা যায়, শুভ শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিয়ে বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দিয়েছেন।
বিক্রি বাড়াতে শুভর বিক্রয়কর্মী নিয়োগের পদক্ষেপটি যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।
বিক্রয়কর্মী তার শারীরিক (সুদর্শন চেহারা, সুস্বাস্থ্য), মানসিক (আন্তরিকতা, ধৈর্যশীলতা) ও নৈতিক (সততা, জেন্ডার সচেতনতা) প্রভৃতি গুণাবলির মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেন। বর্তমানে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাফল্য বিক্রয়কর্মীর ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। এজন্য বিক্রয়কর্মীর কাজকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উদ্দীপকের শুভর একটি দোকান আছে। তার দোকানের পাশে একই ধরনের-আরও একটি দোকান গড়ে উঠেছে। এতে তার দোকানের পণ্যের বিক্রির পরিমাণ কমে যায়। তাই শুভ বিক্রি বাড়াতে একজন আদর্শ বিক্রয়কর্মী নিয়োগ দেন।
বিক্রয়কর্মীর সুদর্শন চেহারা, হাসি-খুশি মনোভাব দেখে গ্রাহকরা আকৃষ্ট হয়। ফলে নতুন নতুন ক্রেতা এসে দোকানে ভিড় করে। বিক্রয়কর্মী এভাবে তাদের পণ্য কিনতে উদ্বুদ্ধ করে। তখন অনেক গ্রাহক স্থায়ী ক্রেতায় পরিণত হন। এতে শুভর দোকানের পণ্যের বিক্রি বেড়ে যায়। ফলে বিক্রির পরিমাণ আগের অবস্থানে ফিরে আসে। সুতরাং, শুভর বিক্রয়কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্তটি সময়োপযোগী ও যথাযথ হয়েছে।
বণ্টন প্রণালিতে সবশেষে ভোক্তার অবস্থান।
মানের ভিত্তিতে পণ্যকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করাকে পর্যায়িতকরণ (Grading) বলে।
সাধারণত ওজন, আকার ও গুণাগুণের ভিত্তিতে পণ্যকে পর্যায়িতকরণ করা হয়। পর্যায়িতকরণ করার ফলে ক্রেতা সহজেই তার পছন্দের পণ্য খুঁজে নিতে পারেন। এতে পণ্য বিক্রি করা সহজ হয়। ফলে ক্রেতা সন্তুষ্টিও অর্জিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
