মানবদেহের প্রতি কোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এই ২৩ জোড়ার মধ্যে ২২ জোড়া একই রকম, এদেরকে অটোজোম বলে। অবশিষ্ট ১ জোড়া ক্রোমোজোমকে সেক্স বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম বলে।
পুরুষের সেক্স ক্রোমোজোম জোড়াকে XY দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে সেক্স ক্রোমোজোম XX। যখন পুরুষের সেক্স ক্রোমোজোম X স্ত্রীর সেক্স ক্রোমোজোম X এর সঙ্গে মিলিত হয় তখন কন্যা সন্তান জন্ম লাভ করে। আর যখন পুরুষের Y ক্রোমোজোম স্ত্রীর X ক্রোমোজোমের সঙ্গে মিলিত হয় তখন পুত্র সন্তান জন্ম লাভ করে।
মিতার ক্ষেত্রে তার X ক্রোমোজোম বিশিষ্ট ডিম্বাণুর সাথে স্বামীর X ক্রোমোজোম শুক্রাণুর মিলন ঘটে। ফলে কন্যা সন্তান হয়, কারণ তখন 'XX' একীভূত হয়। এভাবে মিতার ৫টি কন্যা সন্তান জন্ম লাভ করেছে। এক্ষেত্রে মিতার কোনো ভূমিকা নেই। সন্তান-পুত্র বা কন্যা জন্মদানে পিতার সেক্স ক্রোমোজোমই দায়ী
Related Question
View All"জীবন্ত জীবাশ্ম" বলতে এমন কিছু জীবিত অর্গানিজম বোঝায় যাদের বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে তারা জীবাশ্মের মতো দেখায় কিন্তু তারা আসলে জীবিত। এটি সাধারণত কিছু প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীকে নির্দেশ করে, যেমন:
মরীচিকা জীবাশ্ম (Living Fossils): কিছু জীবন্ত প্রজাতি, যেমন গিঞ্জো গাছ বা কোয়ালাক্যান্থ মাছ, যারা অনেক পুরানো জীবাশ্মগুলোর সাথে অতি সাদৃশ্যপূর্ণ, কিন্তু তারা আজও জীবিত।
বিশেষ পরিবেশে টিকে থাকা জীব: কিছু প্রজাতি যেমন সামুদ্রিক জীব বা এডাপটিভ প্রজাতি যে পরিবেশ পরিবর্তনের প্রতি খুব কম সাড়া দেয়, তারা আজও টিকে আছে এবং জীবাশ্মের মতো দেখতে পারে।
এটি একটি গবেষণার বিষয় হিসেবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি জীববৈচিত্র্য এবং প্রজাতির বিবর্তন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!