পরিণত ডিম্বাণুর ফেলোপিয়ান নালিতে শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হওয়ার পরবর্তী অবস্থাকে জাইগোট বলে।
ছেলেমেয়েরা যখন যৌন পরিপক্কতা অর্জন করতে শুরু করে তখন থেকেই তারা বয়ঃপ্রাপ্ত হতে থাকে।
ছেলেদের ক্ষেত্রে বয়ঃপ্রাপ্তির সময় হলো ১১-১৮ বছর। মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৩-১৮ বছর। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত গোনাডোট্রপিক হরমোন থেকে নিঃসৃত হরমোন বয়ঃপ্রাপ্তি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রাইমারি যৌন বৈশিষ্ট্য হিসেবে ছেলেদের বীর্যপাত ঘটে এবং মেয়েদের রজঃচক্র শুরু হয়। যা বয়ঃসন্ধিক্ষণের যৌন পরিপক্কতা অর্জনকে নির্দেশ করে।
গর্ভস্থ শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের জন্য মিতুর শাশুড়ি তাকে মন ভালো রাখতে বলেন।
গর্ভবতী মায়ের আবেগ, অনুভূতি যেমন- ক্রোধ, দুঃখ, বেদনা, ক্ষোভ ইত্যাদি মায়ের শরীরের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায়। ফলে মা যদি মানসিক উত্তেজনা অস্থিরতায় ভোগেন তাহলে তা ভূণকে প্রভাবিত করে।
মিতু সন্তানসম্ভবা। কিন্তু সে সবসময় মন খারাপ করে থাকে। এর ফলে গর্ভস্থ ভ্রূণের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। কারণ গর্ভকালীন মায়ের উত্তেজনা, অস্থিরতা হরমোনের ক্ষরণ ব্যাহত করে যার ফলে মায়ের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, খাবারে অরুচি আসে। এরূপ অবস্থায় মিতু অপরিণত শিশুর জন্ম দিতে পারে। এছাড়াও মিতু গর্ভকালীন ও প্রসবকালীন নানা জটিলতার সম্মুখীন হতে পারে। এছাড়া মিতু যদি তার গর্ভস্থ ভ্রূণের প্রতি নেতিবাচক ধারণা পোষণ করে তাহলে তার ভ্রূণের বিকাশ ব্যাহত হতে পারে। এসকল বিষয় চিন্তা করে তার শাশুড়ি তাকে মন ভালো রাখতে বলেন। মিতুর মন ভালো থাকলে তার গর্ভের শিশুর বিকাশ সুষ্ঠু হবে। সে একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিতে পারবে।
মিতুর শাশুড়ি তার শারীরিক সুস্থতা এবং গর্ভস্থ শিশুর সুষ্ঠু বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মাকে নিজের সুস্থতা এবং ভ্রূণের সঠিক বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হয়। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া গর্ভাবস্থায় কোনো ওষুধ গ্রহণ করা ভ্রূণের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
মিতু পুষ্টিকর খাবার খেলে তার থেকেই গর্ভের শিশু পুষ্টি গ্রহণ করবে। তাই তাকে সুষম খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে মিতুর সন্তানের দৈহিক গঠন ব্যাহত হতে পারে বা মানসিক প্রতিবন্ধিতা দেখা দিতে পারে। এছাড়া তার অকাল গর্ভপাত, অপরিণত ও মৃত শিশু জন্ম দেওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। মিতুর শাশুড়ি তাকে সুস্থতার বিষয়ে পরামর্শ দেন। কারণ এ সময় মায়ের যে কোনো ধরনের রোগ ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যার ফলে অপরিণত, দৈহিক বিকলাঙ্গ ও মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে। এছাড়াও মা ও শিশু উভয়েরই মৃত্যু হতে পারে। তাই গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক সুস্থতার ব্যাপারে মিতুকে বিশেষ যত্নবান হতে হবে। গর্ভাবস্থায় ওষুধ সেবন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হতে হবে। তা না হলে ভ্রূণের ওপর ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। এর ফলে শিশু শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। অনেক সময় ভ্রূণের মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই মিতুর শাশুড়ি তার গর্ভকালীন সময়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করতে নিষেধ করেন।
পরিশেষে বলা যায়, গর্ভকালীন সময়ে গর্ভবতী মা এবং ভ্রূণের সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা আবশ্যক, এক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
Related Question
View Allমেলানিন তৈরি হয় টাইরোসিন হতে।
হাইড্রোসেফালি এক ধরনের জিনগত অস্বাভাবিকতা। হাইড্রোসেলফালি হলে মাথার মধ্যে তরল পদার্থ সেরেব্রো-স্পাইনাল রস নিঃসরণ না হয়ে জমা থাকে। ফলে মাথা অস্বাভাবিক বড় হয়। শিশু প্রতিবন্ধী হয়।
রহিম মিয়ার বড় সন্তানটির মধ্যে থাইরয়েড গ্রন্থি হতে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোনের ঘাটতি রয়েছে।
থাইরয়েড হরমোনের অভাবে শিশু বামনত্ব লাভ করে। এ ধরনের জিনগত অস্বাভাবিকতাকে ক্রেটিনিজম বলে। এর অপর নাম হাইপোথাইরয়েডিজম।
বংশগত বা অন্য কোনো কারণে গর্ভাবস্থায় আয়োডিন এর অভাব হলে থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা কমে যায়। ফলে বামনত্ব দেখা দেয়। এছাড়া মাথায় চুল অল্প থাকে। কপাল ছোট, নাক চ্যাপ্টা হয়। এদের জিহবা বেশ মোটা থাকে। অনেকের গলগণ্ড হয় ও বিপাক ক্রিয়া হ্রাস পায়। এ রোগে হজমজনিত গোলযোগ থাকে এবং যৌনাঙ্গের বিকাশ ঠিকমতো হয় না।
রহিম মিয়ার ছোট সন্তানটির মধ্যে হিমোফিলিয়া নামক জিনগত অস্বাভাবিকতা রয়েছে।
হিমোফিলিয়া রোগে শরীরের কোথাও কেটে গেল তার রক্ত জমাট বাঁধতে চায় না। মায়ের রক্ত থেকে পুত্রসন্তানদের দেহে বিস্তার লাভ করে এই রোগ।
ছেলেদের এই রোগ দেখা যায়। মেয়েরা বাহক হিসেবে কাজ করে। এই রোগে কোনো স্থান কেটে গেলে রক্তক্ষরণ সহজে বন্ধ হয় না। আঘাত পেলে চামড়ার নিচে বা জোড়ার অভ্যন্তরে রক্তপাত হতে থাকে। একে রক্তক্ষরণীয় রোগ বলা হয়, মহিলাদের চেয়ে পুরুষের sex chromosome কে এর জন্য দায়ী করা হয়।
হিমোফিলিয়ায় কোনো cloting factor থাকে না। এই রোগে রোগীর রক্তে রক্ত বন্ধনকারী অ্যান্টি হিমোফিলিক ফ্যাক্টর VIII থাকে না। ফলে রক্ত জমাট হতে অনেক সময় লাগে। রহিম মিয়ার ছোট সন্তানের মধ্যে এ ধরনের জিনগত অস্বাভাবিকতাই পরিলক্ষিত হয়।
স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গের নাম ডিম্বাশয়।
ভালভা স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের একটি অংশ বা অঙ্গাণু। ভালভা বলতে যোনি যে ছিদ্রপথে বাইরে উন্মুক্ত থাকে তাকে বোঝায়। লেবিয়া মেজরা, লেবিয়া মাইনরা, ক্লাইটোরিস এবং ভেন্টিবুলার গ্রন্থিকে একত্রে ভালভা বলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!