মিথুন ১০ম শ্রেণির ছাত্র। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই তার মধ্যে অন্যের জিনিস চুরি করা এবং স্কুল পালানোর প্রবণতা দেখা যায়। মিথুনের ব্যাপারে একজন তার বাবা-মার সাথে আলোচনা করতেই তিনি বলেন, সন্তানের ব্যাপারে বাবা-মার অসচেতনতার কারণেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

মধ্য কৈশোরে অপরাধের মাত্রা খুব বেশি থাকে।

উত্তরঃ

গবেষকদের মতে দরিদ্র ও ভগ্ন পরিবারের ছেলেমেয়েরা কিশোর অপরাধ বেশি করে। এছাড়া বাবা-মার বিবাহবিচ্ছেদ, পৃথক বসবাস, অতিরিক্ত শাসন, সন্তানের প্রতি অবহেলা করার কারণেও কিশোর অপরাধ ঘটে থাকে। অনেক সময় বংশগত কারণকেও কিশোর অপরাধের জন্য দায়ী করা হয়।

উত্তরঃ

বাবা-মায়ের অসচেতনতার কারণে মিথুন অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছে। 

মা-বাবা আর সন্তানকে ঘিরেই একটি পরিবার পূর্ণতা পায়। সন্তানকে দেখাশোনার দায়িত্ব মা-বাবার। যেসব সন্তান'তাদের সঙ্গ পায় না তারা হীনম্মন্যতায় ভোগে। কিশোর-কিশোরীরা যখন হীনম্মন্যতায় ভোগে তখন তারা নিজেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের সাথে যুক্ত করে। কিশোর বয়সে মা-বাবার আদর-স্নেহ, ভালোবাসা, শাসন সবকিছুর প্রয়োজন হয়। কোনটি ভালো, কোনটি খারাপ এসব ধারণা তারা মা-বাবার কাছ থেকেই পেয়ে থাকে। মিথুন ১০ম শ্রেণির ছাত্র। ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই তার মধ্যে অন্যের জিনিস চুরি করা এবং স্কুল পালানোর প্রবণতা দেখা যায়। এর কারণ মিথুনের প্রতি তার বাবা-মা সচেতন নয়। বাবা-মায়ের অবহেলার কারণেই সে অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়েছে।

উত্তরঃ

মিথুন বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ প্রতিরোধে তার বাবা-মায়ের ভূমিকা অপরিহার্য- কথাটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। 

মিথুনকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য তার বাবা-মাকে তার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সময় কাটাতে হবে। সে কাদের সাথে বন্ধুত্ব করছে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। বন্ধু নির্বাচনের প্রতি তাকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিতে হবে। বাবা-মায়ের মধ্যকার কলহের কারণেও মিথুনের মধ্যে মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। সেক্ষেত্রে তার বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মিথুন যাতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কাজ না করে সেদিকে বাবা-মাকে সতর্ক থাকতে হবে। সব সময় অপরাধ জগতের খারাপ দিকগুলো মিথুনের সামনে তুলে ধরতে হবে। এর ফলে সে এর ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকবে। মিথুনের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থা করতে হবে। বাড়িতে থাকলে তার সাথে গল্প ও পড়াশোনায় সাহায্য করতে হবে। তাহলে বাবা-মার সান্নিধ্যে সে নিজেকে অসহায় মনে করবে না। এর ফলে সে অপরাধমূলক কাজ থেকে বিরত থাকবে। 

পরিশেষে বলা যায়, মিথুনের বাবা-মাই পারেন তাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে।

153

Related Question

View All
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

842
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

1.1k
উত্তরঃ

ইমন কৈশোরকালে অবস্থান করছে। 

ইমন মাঝে মাঝে স্কুল পালায় ও ক্লাসে অমনোযোগী থাকে। তার বয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েরাও এ বয়সে নানা কারণে অপরাধী হয়ে ওঠে। এর কারণগুলো হলো- 

১. পরিবারে বাবা-মায়ের দাম্পত্য কলহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ শিশুদের মনে বিষণ্ণতা তৈরি করে তাদের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে ফেলে।

২. পিতামাতার কঠোর শাসন, অতিরিক্ত ভালোবাসা, অযত্ন, অবহেলা, ইত্যাদি।

৩. পড়াশোনায় ব্যর্থতা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, সমবয়সীদের প্রভাব। 

৪. পরিবারে নিয়ম-কানুন ও শৃঙ্খলার অভাব হলে। 

উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়, পিতামাতার সঠিক পদ্ধতিতে সন্তান পরিচালনা, ভগ্ন পরিবার, পারিবারিক বন্ধনের অভাবই এ বয়সী ছেলেমেয়েদের অপরাধী হয়ে ওঠার অন্যতম কারণ।

499
উত্তরঃ

ইমন ১৩ বছর বয়সী কিশোর। তার বাবা-মায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক না থাকায় তারা দুজন আলাদা বসবাস করেন। ফলে ইমন বাবা-মায়ের অবহেলায় বেড়ে উঠছে। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতিতে নিয়ম শৃঙ্খলার অভাবে সে স্কুলে অমনোযোগী হয়ে পড়ে এবং কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিম্নলিখিত উপায়ে তার অপরাধ প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-

১. ইমনের সাথে তার মা-বাবার বন্ধন দৃঢ় করে। 

২. পরিবারের সবার মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক তৈরি করে। 

৩. পরিবারের ভাঙ্গন রোধ করে।

৪. ইমনের বাবা-মার মধ্যে সমঝোতার সম্পর্ক গড়ে তুলে। 

৫. ইমনের বাবা-মার ইমনের প্রতি আরো যত্নশীল হওয়ার মাধ্যমে। 

৬. তার স্কুলে কোনো অসুবিধা হচ্ছে কি না তা খোঁজ নেওয়া ও প্রয়োজনে শিক্ষকের সাথে পরামর্শ করে। 

এ সকল বিষয় ছাড়াও ইমনেরও কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি। যেমন- ভালো বন্ধু দল নির্বাচন, নিয়ম ভঙ্গকারীকে খারাপ বন্ধু হিসেবে চিনে নেওয়া ইত্যাদি।

581
উত্তরঃ

কোনো সমস্যা যেন উদ্ভব না হয় তার জন্য পূর্বে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় তা হলো প্রতিরোধ ব্যবস্থা।

235
উত্তরঃ

কৈশোরে বিষণ্ণতাজনিত কারণে খাবারে অনীহা আসে। 

কৈশোরে অতিরিক্ত কঠোর শাসন, সমবয়সীদের সাথে সম্পর্কের অবনতি, বাবা-মায়ের কলহ, পড়াশোনায় ব্যর্থতা ইত্যাদি কারণ থেকে যে বিষণ্ণতা আসে তা খাবারে অনাসক্তির অন্যতম কারণ।

313
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews