মিথোজীবিতায় অংশগ্রহণকারী জীব দুটি হলো যথাক্রমে শৈবাল ও ছত্রাক। নিচে এদের মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলো-
| শৈবাল | হত্রাক |
| i. শৈবাল স্বভোজী এবং এর দেহে ক্লোরোপ্লাস্ট রয়েছে। | i. ছত্রাক পরভোজী এবং এদের দেহে ক্লোরোপ্লাস্ট নেই। |
| ii. এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজেদের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে। | ii. এরা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করতে পারে না। |
| iii. এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ ও পেকটোজ দিয়ে গঠিত। | iii. এদের কোষপ্রাচীর কাইটিন বা ছত্রাকীয় সেলুলোজ দিয়ে গঠিত। |
| iv. শৈবাল শ্বেতসারকে সঞ্চিত খাদ্য হিসেবে জমা রাখে। | iv. ছত্রাকের সঞ্চিত খাদ্য হলো গ্লাইকোজেন ও তৈল বিন্দু। |
| V. অধিকাংশ শৈবাল পানিতে বসবাস করে। | V.ছত্রাকের অধিকাংশই স্থলে বাস করে। |
| vi. শৈবালের যৌন জননাঙ্গগুলো ক্রমে সরল অবস্থা থেকে জটিল অবস্থায় পরিণত হয়। | vi. ছত্রাকের যৌন জননাঙ্গ জটিল অবস্থা থেকে ক্রমাগত সরলতর অবস্থা প্রাপ্ত হয়। |
Related Question
View Allমিথোজীবিতা হচ্ছে দুটি ভিন্ন জীবের মধ্যে এমন একটি সহবস্থান যেখানে উভয়েই উপকৃত হয়।
বাহ্যিক আকার-আকৃতি ও প্রকৃতিগত সাদৃশ্যপূর্ণ দুটি গ্যামিটের মিলনকে আইসোগ্যামী বলে। এই ধরনের গ্যামিট একই খ্যালাসে অথবা ভিন্ন ভিন্ন থ্যালাসে উৎপন্ন হতে পারে। কখনও কখনও ফিলামেন্ট বিশিষ্ট শৈবালের একই ফিলামেন্টের ভিন্ন ভিন্ন কোষে এগুলো উৎপন্ন হয়।
যেমন- Ulothrix |
উদ্দীপকে উল্লিখিত এ জীবটি শৈবাল। শৈবালের দৈহিক গঠন বিভিন্ন রকম হতে পারে। নিচে শৈবালের দৈহিক গঠনের পরিসর ব্যাখ্যা করা হলো-শৈবাল এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে। এককোষী শৈবাল সচল (ফ্লাজেলা থাকায়, যেমন- Chlamydomonas) বা নিশ্চল ফ্লাজেলাবিহীন, (যেমন- Chlorella) হতে পারে। অনেক প্রজাতি আছে যাদের অনেকগুলো কোষ একসাথে কলোনি হিসেবে অবস্থা করে (যেমন-Volvox)। বহু শৈবাল প্রজাতি আছে যাদের দেহ ফিলামেন্টাস। ফিলামেন্ট অশাখ হতে পারে (যেমন- Spirogyra, Ulothrix) আবার শাখান্বিত হতে পারে (যেমন- Chaetophora), কোনো কোনো শৈবালে বিশেষ জননাঙ্গ সৃষ্টি হয়। অনেক সামুদ্রিক শৈবালের দেহকে বাহ্যিকভাবে মূল, কাণ্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত দেখায়। যেমন- Sargassum। সমুদ্রে কিছু শৈবাল এতো লম্বা হয় যা স্থলভাগের কোনো কোনো উঁচু বৃক্ষের সমান বা তারও বেশি। কোনো কোনো শৈবাল দেখতে পর্ব-মধ্যপর্ব বিশিষ্ট মনে হয় যেমন- Chara। অনেক শৈবালের দেহ লম্বা পাতার ন্যায়, যেমন- Ulva।
উদ্দীপকে 'A' ও 'B' দ্বারা যথাক্রমে শৈবাল ও ছত্রাককে নির্দেশ করা হয়েছে। শৈবাল ও ছত্রাকের পাশাপাশি সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় লাইকেন নামক উদ্ভিদের। লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই একে অন্যের দ্বারা উপকৃত হয়। এ ধরনের সহাবস্থানকে মিথোজীবিতা বলা হয়। সুতরাং লাইকেনে শৈবাল ও ছত্রাক একে অন্যের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। লাইকেন উদ্ভিদে ছত্রাক চারিদিক থেকে শৈবালকে ঘিরে রেখে বাসস্থান প্রদান করে। ছত্রাক পরিবেশ থেকে পানি, খনিজ লবণ ও জলীয় বাষ্প ইত্যাদি শোষণ করে শৈবালকে প্রদান করে। আর শৈবাল মধ্যখানে বসে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করে। প্রস্তুতকৃত খাদ্য শৈবাল ও ছত্রাক উভয়েই ভাগ করে গ্রহণ করে। এভাবে শৈবাল ও ছত্রাকের সহাবস্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট লাইকেন উদ্ভিদে তারা উভয়ই একে অপরের দ্বারা উপকৃত হয়।
সুতরাং উদ্দীপকের A ও B দ্বারা গঠিত জীবের পারস্পরিক মিথোজীবিতা একে অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সর্বদাই উপকার করে।
একটি জীবের এক সেট ক্রোমোসোমে অবস্থিত সকল জিনসহ পূর্ণাজা DNA-ই হলো জিনোম।
এক জোড়া সমসংস্থ ক্রোমোসোমের দুটি নন-সিস্টার ক্রোমাটিড এর মধ্যে যে অংশের বিনিময় ঘটে, তাকে ক্রসিংওভার বলে। মায়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হলো ক্রসিংওভার, যার ফলে জিনগত পরিবর্তন সাধিত হয়। জিনগত পরিবর্তন সাধনের ফলে সৃষ্ট জীবে বৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!